দলীয় সমর্থন পেলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই” —অধ্যক্ষ আরসাদুল কবীর রাঙ্গা

মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

সাঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা জেলা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সাঘাটা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আরসাদুল কবির রাঙ্গা চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা দিয়েছেন। এ নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থিতা সামনে রেখে ইতোমধ্যে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়,বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু করেছেন। নেতাকর্মীদের দাবি, শিক্ষা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উপজেলা উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান তিনি।তার সমর্থক ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরসাদুল কবির রাঙ্গার সবচেয়ে বড় শক্তি তার শিক্ষা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা। দীর্ঘকাল বিএনপির তৃণমূল রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় দলের প্রতিটি স্তরে তার শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। অধ্যক্ষ হিসেবে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা উপজেলা পরিচালনায় ও শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে অনেকে মনে করেন। একজন মার্জিত ও শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে সাধারণ ভোটারদের কাছেও তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ আরসাদুল কবির রাঙ্গা জানান, “আমি অত্যন্ত স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসী,দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন ও‌ সমর্থন দেয়, তবে সাঘাটা উপজেলাবাসীর কল্যাণে এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে যেকোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণে আমি প্রস্তুত। আমার মূল লক্ষ্য সাঘাটাকে একটি আধুনিক ও আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা।”সাঘাটা বিএনপির অনেক নেতাকর্মীই মনে করেন, দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতা হিসেবে দল তাকে মূল্যায়ন করলে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ থাকলে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। তার শিক্ষা ও সাংগঠনিক প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন সম্ভব।




সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে লিটাকে দেখতে চান গাইবান্ধাবাসী

মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ

গাইবান্ধা থেকে নারী সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মোছা. দেওয়ান মাহামুদ লিটাকে দেখতে চান স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ। তিনি সাঘাটা উপজেলার পুত্রবধূ এবং চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।২০০৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। এরপর থেকে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিক মামলার মুখোমুখি হন। সন্ত্রাসবিরোধী আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা এবং দুটি আইসিটি মামলাসহ মোট ছয়টি মামলায় তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে।রাজনৈতিক মামলার বিবরণ : (মামলার সংখ্যা ০৬ (ছয়) টি।১. ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতার করার প্রতিবাদ মিছিল থেকে গ্রেফতার হয়ে ৪২ দিন কারাবরণ।২. ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতার করার প্রতিবাদ মিছিল থেকে গ্রেফতার এবং ঐ গ্রেফতারের পর আরো দু’টি মামলা হয়, সন্ত্রাস বিরোধী আইন ও বিস্ফোরক মামলায় দেওয়া হয়। উক্ত মামলা দু’টির জন্য আরো ৬৩ (তেষট্টি) দিন কারাবরণ করেন।৩. ২০১৯ সালের ২১ জানুয়ারী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ফেসবুকে সত্য ঘটনা প্রচার করার কারণে তার নামে আইসিটি মামলা হয় এবং চট্টগ্রাম হতে ঢাকায় আসার পথে ফেনী লালপোল এলাকা থেকে প্রায় ৮/৯টি র‍্যাবের গাড়ী বহর এসে সৌদিয়া গাড়ীর পথরোধের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করে, র‍্যাব এর হেফাজতে ৩৩ ঘণ্টা থাকার পর ২২ শে জানুয়ারী চট্টগ্রামের খুলশী থানায় হস্তান্তর করে ও মামলা দিয়ে দুই দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে চালান করেন এবং বিজ্ঞ আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। খুলশী থানায় দু’ই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় ঐ মামলায় তিনি ১৮৬ দিন কারাবরণ করেন, বর্তমানে ঐ মামলার সাক্ষী গ্রহণ চলছে এবং মামলা চলমান অবস্থায় আছে। বাংলাদেশে প্রায় মোট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার কর্তৃক বিএনপি’র নামে ৬০ লক্ষ মামলার মধ্যে একটি মাত্র আইসিটি মামলা হয়, সেই মামলায় তিনিই একমাত্র আসামী।৪. ২০১৯ সালের ২০ জুন কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আরো একটি আইসিটি মামলা হয় ও উক্ত মামলায় গ্রেফতার করে, গাজীপুরস্থ কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমি ৯৮ দিন কারাবরণ করেন।৫. ২০২২ সালের ২৮ মার্চ সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলায় বাংলাদেশ হেফাজত এর আন্দোলনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তাকে গ্রেফতার করে এবং এই মামলায় তিনি ৭৪ দিন কারাবরণ করেন।শিক্ষাগত যোগ্যতাঃচট্টগ্রাম সরকারী কলেজ, চট্টগ্রাম: মানবিক বিভাগ; এইচএসসি।চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ, চট্টগ্রাম, (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিএসএস (অনার্স) সমাজবিজ্ঞান।চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ, চট্টগ্রাম, (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এমএসএস (মাস্টার্স) সমাজবিজ্ঞান।সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার একাধিক নেতাকর্মী বলেন, দেওয়ান মাহামুদ লিটা একজন ত্যাগী ও নির্যাতিত নেত্রী। দলের দুঃসময়ে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি সংরক্ষিত আসনের দাবিদার বলে মনে করেন তারা।দেওয়ান মাহামুদ লিটা বলেন, গাইবান্ধা তাঁর স্বামীর বাড়ি হলেও এখানকার মানুষ তাঁকে আপন করে নিয়েছেন। এ অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, “আমি সব সময় দলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। সুযোগ পেলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।




50 Crowns Casino: Making the Most of Your Play

50 Crowns Casino, a rising player in the online gaming landscape, offers a unique blend of games and user experience, making it a notable choice for gaming enthusiasts. With a website that emphasizes both security and player engagement, this casino ensures players can enjoy their gaming experience without unnecessary concerns. Explore more at https://50crownsscasino.com/.

Diverse Game Library

The extensive game catalog at 50 Crowns Casino features a wide selection of options catering to various player preferences. From classic table games like blackjack and roulette to a rich assortment of video slots from top providers, the platform offers both quantity and quality. The integration of new and innovative games is frequent, ensuring that players have access to the latest titles in the market.

In addition, the user-friendly interface allows for easy navigation through diverse game categories. Players can quickly find their favorite games or explore new ones based on popularity or new releases.

Bonuses and Promotions

50 Crowns Casino presents an attractive suite of bonuses designed to enhance player engagement and retention. New players are welcomed with generous welcome bonuses that often include match bonuses and free spins, providing ample opportunity to explore the casino’s offerings.

In addition to initial bonuses, the casino maintains an ongoing loyalty program for existing players. Regular promotions and seasonal events add further value, encouraging players to take advantage of these lucrative offers.

  • Welcome Bonus: Match bonus + free spins
  • Weekly Promotions: Reload bonuses and cashbacks
  • Loyalty Program: Points earned for playing

Trust and Security

This online casino prioritizes player safety through robust security measures. It is licensed and regulated, ensuring compliance with industry standards for fair play. The use of advanced SSL encryption technology keeps all personal and financial data secure, allowing players to enjoy their gaming experience with peace of mind.

Feature Description Benefit
Licensing Licensed by reputable authorities Ensures fair gaming
Security SSL encryption in place Protects player information
Responsible Gaming Tools and resources available Supports safe gaming practices

FAQ

Is 50 Crowns Casino safe and reliable?
Yes, the site is licensed and implements strong security measures to protect user information.

What types of games are available?
The casino offers a wide range of games, including slots, table games, and live dealer options.

Are there any significant bonuses for new players?
New players can benefit from a lucrative welcome bonus, featuring deposit matches and free spins.




ভাঙ্গুড়ায় বড়াল নদীতে নতুন ব্রিজ নির্মাণকাজ চলছে পুরাতন বড়াল ব্রিজের পাশেই এগোচ্ছে উন্নয়নের নতুন অধ্যায়

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ জাকারিয়া হোসাইন, (ভাঙ্গড়া, পাবনা)

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় বড়াল নদীর ওপর নতুন একটি সেতুর নির্মাণকাজ জোরেশোরে এগিয়ে চলছে। পুরাতন বড়াল ব্রিজের পাশেই নির্মিত হচ্ছে এই নতুন সেতু, যা এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করতে যাচ্ছে।নির্মাণকাজ পরিদর্শনে গিয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিন-রাত পরিশ্রম করছে। সেতুটি চালু হলে কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই সেতু বাস্তবায়িত হলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।




অর্পিতার জন্মের এক যুগপূর্তি উৎসব পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় ঘরোয়া পরিবেশে জেলা ঐক্য পরিষদ নেতা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র কন্যা অর্পিতা সরকার এর জন্মের এক যুগপূর্তি অর্থাৎ দ্বাদশ বর্ষপূর্তি উৎসব পালিত হয়েছে। গেলো ২৪ ফেব্রুয়ারী দিবাগত-রাত ১২:০১ মিনিটে বারো পেরিয়ে তেরোতম বছরে পা রাখলেন অর্পিতা। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও উৎসবমুখর। বর্ণিল সাজসজ্জা, কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যদিয়ে উদ্‌যাপিত হয় তার জীবনের এই বিশেষ মুহূর্ত। বারো বছরে পদার্পণ করে অর্পিতা আজ নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তার হাসি, সাফল্য ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি সবার হৃদয় ভরিয়ে তোলে। এই শুভদিনে তার সুস্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়। উল্লেখ যে, ২০১৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার ও রিতা রাণী মজুমদার এর ঘর আলোকিত করে অর্পিতা সরকার জন্মগ্রহণ করেন। ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, জেলা ঐক্য পরিষদ নেতা হারাধন শীল, সাংবাদিক দীলিপ মজুমদার, হোমিও চিকিৎসক নারায়ণ চন্দ্র পাল, প্রান্তোষ দত্ত ও অমর চাঁন নাহা এবং পল্লী চিকিৎসক আশীষ কুমার দে ও ডাঃ বিপ্লব কুমার নাহা ও দন্ত চিকিৎসক প্রদীপ কুমার দেবনাথসহ অর্পিতার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।এদিকে, অর্পিতার বাবা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- এই বারো বছরে তার হাসি, কান্না, দুষ্টুমি আর সাফল্যে আমাদের ঘর আলোকিত হয়েছে। প্রথম হাঁটা, প্রথম স্কুলে যাওয়া, প্রথম পুরস্কার পাওয়া—প্রতিটি মুহূর্ত আজও স্মৃতিতে অমলিন। এই শুভক্ষণে তার জন্য রইল অফুরন্ত ভালোবাসা ও আশীর্বাদ।




পাবনা ফরিদপুর ভয়াবহ নদীভাঙন এ বিলীনের পথে, ঝুঁকিতে অন্তত ৬০টি পরিবার

মোঃ জাকারিয়া -পাবনাঃ

নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙলী ইউনিয়ন এর রতনপুর উত্তরপাড়া, ঝুঁকিতে অন্তত ৬০টি বাড়ি পুঙলী ইউনিয়নর রতনপুর উত্তরপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে ইতোমধ্যে একাধিক বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং আরও বহু বাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত ভাঙনের ফলে অন্তত ৬০টি বাড়ি চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ঘর ইতোমধ্যে নদীতে তলিয়ে গেছে। প্রতিদিনই ভাঙন বাড়তে থাকায় নদীপাড়ের বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ, সময়মতো কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কেউ কেউ ঘরবাড়ি সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তবে আর্থিক সংকটের কারণে অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না।এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে ভাঙনরোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় পুরো উত্তরপাড়া এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় তৎপরতার অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁদের দাবি, ভাঙনরোধে সমন্বিত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

Oplus_131072
Oplus_131072



নরসিংদীতে আলোচিত হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামী রমিজ উদ্দিনকে নওগাঁ থেকে গ্রেফতার করেন ডিবি পুলিশ

আবুনাঈমরিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি :

নরসিংদীতে গত ১৭/০২/২০২৬ ইং তারিখ সকাল ০৯:০০ ঘটিকায় বেলাব থানাধীন ইব্রাহীমপুর সাকিনস্থ ইব্রাহীমপুর টেক হতে মাহমুদাবাদ যাওয়ার কাচা রাস্তা সংলগ্ন পতিত জমিতে বিবস্ত্র অবস্থায় অজ্ঞাতনামা একটি মৃতদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনতা বেলাব থানা পুলিশকে সংবাদ দেন। প্রাপ্ত সংবাদের আলোকে বেলাব থানা পুলিশ, নরসিংদীর পিবিআই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতদেহ হেফাজতে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মৃতদেহের পরিচয় উৎঘাটন করেন এবং পরিবারের লোকজনকে ঘটনাটি অবহিত করেন। ডিজিস্ট মিজান মিয়ার মাথা, চোখ,নাক,কান ও মুখমন্ডল থেতলানো ও বিকৃত অবস্থায় এবং মৃতদেহের পাশে ইট-বালু ও সিমেন্টের তৈরি একটি ভারী কংক্রিট রক্তমাখা অবস্থায় পাওয়া যায়। বেলাব থানা পুলিশ মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদীর জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনায় ডিজিস্ট মিজান মিয়া এর ভাই মোঃ বিল্লাল মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীর বিরুদ্ধে বেলাব থানার মামলা দায়ের করেন, মামলার নং-১২(২)২৩, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ দঃ বিঃ রুজু করা হয়। পরবর্তীতে নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার জনাব আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় ডিবি পুলিশ নরসিংদীর এসআই,মোবারক হোসেন, এসআই,জসিম উদ্দিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই(নিরস্ত্র) তমাল সরকার,বেলাব থানা,নরসিংদী ঘটনার পর হতে একটানা ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান আসামী মোঃ রমিজ উদ্দিন (৪৪), পিতা-মৃত দুদু মিয়া, সাং-ইব্রাহিমপুর (সাদি সরকার বাড়ি), থানা-বেলাব,জেলা-নরসিংদীকে ২৩ ফেব্রুয়ারি,রাত ০২:৩০ ঘটিকায় নওগা জেলা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ রমিজ উদ্দিন (৪৪) বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।




বেতাগীতে খেজুর ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মারামারি, একজন আহত

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে খেজুর ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার পৌরশহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ সংঘর্ষে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতাগী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয়দের মাঝে বিতরণের জন্য খেজুর দেওয়া হয়। সেই খেজুর স্থানীয় বিএনপি’র নেতা কর্মীদের মাঝে বিতরণের জন্য তালিকা তৈরী নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী ও বিএনপি নেতা কবির খানের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে কবির খান উত্তেজিত হয়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে রুস্তম আলীকে কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ বিষয়ে অভিযুক্ত কবির খান বলেন, আমাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। এ আমি রুস্তমকে ধাক্কা দিলে সে পড়ে গিয়ে আহত হয়।বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।