দেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই- কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।

কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই। আগামী এক মাসের চাহিদা মেটানোর মতো মজুদ দেশে রয়েছে এবং পরবর্তী চালানবাহী জাহাজও ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। তাই তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।শনিবার (৭ মার্চ) কুমিল্লা স্টেডিয়াম জিমনেসিয়ামে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পরিচিতি সভা, ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপচয় রোধে সচেতন হতে হবে। আসন্ন ঈদ মৌসুমে মার্কেটগুলোতে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা না করার জন্যও তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব এখন একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। তাই বিদ্যুতের অপচয় কমিয়ে আমাদের সবাইকে হিসাব করে চলতে হবে।মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আমাকে এমন কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন, যেগুলোর সঙ্গে দেশের প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকা সরাসরি সম্পর্কিত। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে তিনি দায়িত্ব পালন করে কুমিল্লার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন।কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সভাপতিসৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মোঃ মোস্তাক মিয়া, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল খন্দকার।কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া মঞ্জুর পরিচালনায় কুমিল্লার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। আলোচনা সভা শেষে দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি হেলাল উদ্দিন কুমিল্লা জেলার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেন।




নওগাঁয় মানাপের উদ্যোগে ঈদ শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ

নওগাঁ প্রতিনিধি:

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের মাঝে ঈদ শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ মানবাধিকার নাট্য পরিষদ (মানাপ) নওগাঁ জেলা শাখা।শনিবার (৭ মার্চ ২০২৬) বিকেল ৩টায় নওগাঁ জেলা শাখার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মাঝে এই উপহার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে মানাপ নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক উত্তম সরকারের নেতৃত্বে এবং জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই সিদ্দিকী সিটুর পরিচালনায় এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানাপ নওগাঁর সম্মানিত উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মো. মোফাখখার হোসেন পথিক, অ্যাডভোকেট সরদার সালাউদ্দিন মিন্টু, বিশিষ্ট সমাজসেবক এস. এম. শহিদুল আলম, বিশিষ্ট সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট ডি. এম. আব্দুল বারী, সিনিয়র সাংবাদিক মো. নবীর উদ্দিন ও সাংবাদিক মো. মেহেদী হাসান অন্তরসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মানাপ নওগাঁ জেলা শাখার রাবেয়া খাতুন বেলি, নুরে আলম, ইবনুল সাঈদ ইমন, মারুফ হোসেন, অভিজিৎ দাস, রায়হান উদ্দিন, সোহেল হোসেন, আফিয়া, মিনা, রুহুল আমিন, বাপ্পি, বাচ্চু মিয়া, শাহিন হোসেন, সোহরাফ হোসেনসহ মানাপ পৌরসভা, শৈলগাছী ইউনিয়ন, শিকারপুর ইউনিয়ন ও হাপানিয়া ইউনিয়নের সদস্য ও নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উত্তম সরকার বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার নাট্য পরিষদ (মানাপ) নওগাঁ জেলা শাখা নাট্য মঞ্চায়নের পাশাপাশি মানবতার সেবায় ২০০৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মানবতার কল্যাণে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি সমাজের বিত্তবানদের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।




সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জননেতা মনিরুল হক চৌধুরী

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। আজ ৭ মার্চ শনিবার বিকেলে কুমিল্লা রাণীর বাজার রোডস্থ মর্ডাণ কমিউনিটি সেন্টার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখার আহবায়ক শ্রী শ্যামল কৃষ্ণ সাহা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন- দীলিপ কুমার নাগ কানাই। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত দাশ টিটু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখার সদস্য সচিব সঞ্জিত দেবনাথ, সাংবাদিক অধ্যাপক দিলীপ মজুমদার ও ইসকন প্রতিনিধি মৃত্যুঞ্জয় প্রভু প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলাধীন বিভিন্ন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।




বরুড়া শ্যামপুরে ৪১তম বাৎসরিক মহোৎসব ৮ মার্চ থেকে শুরু

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।

বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় আসছে ৮ মার্চ রবিবার হতে ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুমিল্লা বরুড়া উপজেলাধীন শ্যামপুর আখড়া বাড়ি শ্রীশ্রী গীতা মন্দির প্রাঙ্গণে ৪১তম বাৎসরিক মহোৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে ২৪ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ।এ উপলক্ষে ৮ মার্চ রবিবার সন্ধ্যা ৬টা হতে শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ ও ধর্মীয় আলোচনা সভা শেষে অধিবাস কীর্তন, গঙ্গা আবাহন, মঙ্গলঘট প্রতিষ্ঠা, সন্ধ্যাকালীন পূজা, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং ৯ সোমবার অরুণোদয় হতে নামযজ্ঞ আরম্ভ, মধ্যাহ্নে ভোগরাগ অন্তে কিঞ্চিৎ প্রসাদ বিতরণ এবং ১০ মার্চ মঙ্গলবার অহোরাত্র নামযজ্ঞ ও মধ্যাহ্নে ভোগরাগ অন্তে কিঞ্চিৎ প্রসাদ বিতরণ এবং ১১ মার্চ বুধবার অহোরাত্র নামযজ্ঞ ও মধ্যাহ্নে ভোগরাগ অন্তে উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার ভোরবেলা ব্রজধুলা গ্রহণ ও নগর পরিক্রমান্তে নামযজ্ঞ সমাপন। এতে নামসূধা পরিবেশন করবেন- ফরিদপুর হতে আগত শ্রীশ্রী গোষ্ট গোপাল সম্প্রদায়, খুলনা শ্রীশ্রী দূর্গেশ্বরী সম্প্রদায়, গোপালগঞ্জ শ্রীশ্রী কৃষ্ণ কানাই সম্প্রদায়, সাতক্ষীরা শ্রীশ্রী বিষ্ণুপ্রিয়া সম্প্রদায়, কুমিল্লা শ্রীশ্রী রাসস্থলী সম্প্রদায় ও লাকসাম শ্রীশ্রী নব মৈত্রী সম্প্রদায়।উল্লেখ যে, কীর্তন চলাকালীন ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা আছে। ওই মহতী অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতনী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।




না ফেরার দেশে চলে গেলেন ট্রাস্টি নির্মল পালের ছোট ছেলে কাজল চন্দ্র পাল

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি সাবেক ট্রাস্টি নির্মল পাল এর কনিষ্ঠ ছেলে ও বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা বার শাখার কোষাধ্যক এডভোকেট সজল চন্দ্র পাল এর ছোট ভাই এবং নগরীর তেলিকোনা নিবাসী কাজল চন্দ্র পাল (৪৩) ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাই হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ৭ মার্চ শনিবার ভোর সাড়ে ৪টায় সময় ইহজগৎ এর মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন (দিব্যান লোকন্ স্ব গচ্ছতু)। মৃত্যুকালে তিনি কানাই পাল @ শ্যাম (১০) কে একমাত্র পুত্র ও ঋচী রাণী পাল (১৭) কে কন্যা এবং পূজা রাণী পালকে স্ত্রীসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। এদিকে, কাজল চন্দ্র পাল এর অকাল মৃত্যুতে তাঁর বিদেহী আত্মার সৎগতি কামনাসহ শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখা, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা বার শাখা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা: চাপে সাধারণ মানুষ

:বর্ষন রোজারিওক্রাইম রিপোর্টার, Dhaka Edge

দেশে জ্বালানি তেলের বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাড়ছে অতিরিক্ত ব্যয় এবং সৃষ্টি হচ্ছে আর্থিক চাপ।রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিবহন মালিক ও চালকদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে তাদের পরিচালন খরচ বেড়েছে। অন্যদিকে যাত্রী ও সাধারণ জনগণ বলছেন, ভাড়া বৃদ্ধি এবং পণ্যের দাম বাড়ার কারণে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে।জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ছে। সেই কারণে সরকারকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূল্য সমন্বয় করতে হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের উদ্যোগ বাড়ানো জরুরি।সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ ও কঠোর তদারকি প্রয়োজন। এতে করে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।