নরসিংদী জেলা মডেল প্রেসক্লাব এর উদ্যোগে এতিম দের সন্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ।

আবুনাঈম রিপন :নরসিংদী প্রতিনিধি :

নরসিংদী জেলা মডেল প্রেসক্লাব এর উদ্যোগে অদ্য ১৩ মার্চ শুক্রবার নরসিংদীর মডেল মসজিদ এর সংলগ্নে নরসিংদী জেলা মডেল প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ আকিকুল ইসলাম স্বপনের সভাপতিত্বে এতিমদের সন্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাইন উদ্দিন ভূইয়া, শিবপুর প্রেসক্লাব এর আহবায়ক ও জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সহ-সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন প্রধান, শিবপুর প্রেসক্লাব এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সহ-সভাপতি আবু নাইম রিপন,মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাব এর সহ-সভাপতি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন প্রধান , সাংবাদিক রেজাউল সাংবাদিক করিম, সমাজ সেবক বেদন ভূইয়া, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা মডেল প্রেসক্লাব এর সিনিয়র সভাপতি এম এমএ মোরশেদ,সমাজ সেবক হিমেল,আলী হোসেন, মডেল প্রেসক্লাব কোষাধ্যক্ষ কাউছার মিয়া,দপ্তর সম্পাদক ডাঃ এম এ জামান। সাংবাদিক আজিজুল হক,সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন, সোহাগ,সুমন ও চৌধুরী রাসেল প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে দেশ ও জাতীর মঙ্গল কামনায় কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া করা হয়।




রামগড়ে জ্বালানি সংকট ও গ্রাহক ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক রামগড়

‎‎‎‎খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলায় এখনো স্বাভাবিক হয়নি জ্বালানি তেলের সরবরাহ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে যানবাহন চালকরা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।‎‎স্থানীয়দের অভিযোগ, রামগড়ে বড় কোনো ফিলিং স্টেশন না থাকায় এই সংকট দেখা দিয়েছে। একটি পাম্প থাকলেও সেখানে পর্যাপ্ত তেল মজুদ না থাকায় মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন খুচরা দোকানে। ফলে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ডিজেলের সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন এজেন্ট মালিকপক্ষ।‎‎রামগড় উপজেলার বিভিন্ন খুচরা পেট্রোল দোকান ঘুরে দেখা গেছে, তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি মোটরসাইকেলকে সর্বোচ্চ ২ লিটার করে পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি না পেয়ে অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।‎‎খুচরা দোকান মালিকরা জানান, রামগড়ে বড় কোনো ফিলিং স্টেশন না থাকায় খুচরা বিক্রেতাদের কাছেই ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকরা। তারা আরও বলেন, যতটা সম্ভব তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার করে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে অনেক গ্রাহক নিয়মের চেয়ে বেশি তেল নিতে চাইছেন।‎তাদের মতে, তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এই ‘প্যানিক বায়িং’ বা আতঙ্কজনিত কেনাকাটার কারণেই মূলত সাময়িকভাবে এই সংকট




সেচ সুবিধায় আনন্দিত কৃষক, নেই কোনো অভিযোগ।

মাহবুব আলম, অষ্টগ্রাম প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের পাওন–২ ও পাওন–৩ সেচ প্রকল্পে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে এ দুটি সেচ প্রকল্পে পানির কোনো অভাব নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।সরেজমিনে গিয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সেচ প্রকল্প দুটির ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের ভুইয়া শুরু থেকেই কৃষকদের সাথে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করে আসছেন। তিনি সময়মতো কৃষি জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করায় কৃষকরা স্বস্তিতে আছেন।স্থানীয় কৃষক মোঃ বাবুল পাঠান বলেন, “আগে অনেক সময় জমিতে পানি পেতে দেরি হতো। কিন্তু এ বছর সময়মতো পানি পাচ্ছি, তাই ফসলের অবস্থা ভালো আছে।”আরেক কৃষক মোঃ রেজু ভুইয়া বলেন, “সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার আমাদের সাথে ভালো ব্যবহার করেন এবং কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করেন। এ বছর পানির কোনো সংকট হয়নি।”কৃষক মোঃ মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “সময়ের মধ্যে জমিতে পানি পাওয়ায় ধান চাষে আমরা বেশ স্বস্তিতে আছি। এমন ব্যবস্থাপনা থাকলে কৃষকরা উপকৃত হবে।”কৃষকরা আরও জানান, সেচ প্রকল্পের স্কীম চার্জ নিয়েও তারা সন্তুষ্ট। তাদের মতে, নির্ধারিত ও সহনীয় হারে স্কীম চার্জ নেওয়া হচ্ছে এবং এতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চাপ নেই। ফলে কৃষকরা স্বচ্ছভাবে সেচ সুবিধা পাচ্ছেন।এ বিষয়ে সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের ভুইয়া বলেন, “কৃষকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমরা নিয়মিতভাবে সেচ কার্যক্রম তদারকি করছি। যাতে কোনো কৃষক পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সময়মতো সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় চেষ্টা করছি।”এদিকে স্থানীয়রা মনে করছেন, সেচ প্রকল্পগুলো এভাবেই সঠিকভাবে পরিচালিত হলে এলাকার কৃষি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।




গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও নৈশভোজ

গাজীপুর প্রতিনিধি :

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশন উদ্যোগে এতিম শিশুদের সাথে ইফতার ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে লতিফপুর দারুস সুন্নাহ হিফজ মাদরাসা ও এতিমখানা এ ইফতার ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ সজিবুল ইসলাম, হেড অব অপারেশনস মোঃ রাজিবুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ সোহেল রানা সবুজ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ আল মামুন, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি মোবারক হোসেন, সদস্য সাদ্দাম হোসেন জনি, এ্যাডভোকেট আল মাসুদ, বাবুল শেখ, মোঃ লিটন ইসলাম, মোঃ নবীউল ইসলাম আপন, মোঃ সানজিদ এবং মোঃ রাইয়ানুল ইসলাম আরাফসহ অন্যান্যরা। এছাড়া অনুষ্ঠানে শিশুদের ধর্মীয় অনুশীলনে উৎসাহিত করতে বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়। দুরুদ শরিফ ১৩,৮০০ বার, সূরা ইখলাস ২,২৭৩ বার এবং ইস্তেগফার ৮,২৬০ বার পাঠ করার জন্য শিক্ষার্থীদের নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়।এসময় যারা দান ও সহযোগিতা করেছেন তাদের মৃতপিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাতে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত মাওলানা আব্দুর রহিম নোমানী।ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সকল সহযোগী, দাতা ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।




জনআস্থার স্বীকৃতি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আনন্দে উচ্ছ্বসিত নেত্রকোনা

আল আমিন হাওলাদার নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা–১ (কলমাকান্দা–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য Barrister Kayser Kamal। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি Mohammed Shahabuddin তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।তার এই নির্বাচনে নিজ জেলা নেত্রকোনা ও নির্বাচনি এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির সন্তান হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হওয়া পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয়। কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর দীর্ঘদিন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ছেলে আজ জাতীয় সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী চান মিয়া বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক ও জনবান্ধব নেতা। স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পাওয়া এলাকাবাসীর জন্য বিশেষ সম্মানের। তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি বহু প্রজন্ম ধরে জনসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।কলমাকান্দার বিশরপাশা গ্রামের বাসিন্দা মিল্টন ঘোষ জানান, নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই কায়সার কামাল বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন—তিনি নেত্রকোনা-১ আসনের সব মানুষের এমপি এবং সবার সেবক হিসেবে কাজ করবেন। অন্যায়-অত্যাচারের সঙ্গে জড়িতদের পক্ষে তিনি কখনো থাকবেন না এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করবেন বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা-১ আসনটি সমতল, পাহাড় ও আংশিক হাওড় অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ঐতিহাসিকভাবে এ অঞ্চল মুক্তিযুদ্ধ, হাজং বিদ্রোহ, হাতিখেদা, তেভাগা, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও টংক আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার জন্য রাজনৈতিকভাবে সুপরিচিত। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে বেশি।ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে অসংখ্য দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে আসছেন। হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা ও মানসিক রোগে আক্রান্ত বহু মানুষ তার সহযোগিতায় চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা নির্মাণ, অস্থায়ী সেতু স্থাপন, ধর্মীয় উপাসনালয়—মসজিদ, মন্দির, গির্জা—সংস্কার ও উন্নয়ন, শ্মশান ও কবরস্থান উন্নয়ন এবং গৃহহীন মানুষের জন্য আবাসন সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন কায়সার কামাল। তার বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন একজন সুপরিচিত জনপ্রতিনিধি এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং University of Dhaka থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে University of Wolverhampton থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং University of Lincoln থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।১৯৮৮ সালে ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে তিনি Bangladesh Nationalist Party-এর কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য হন এবং ২০১৬ সাল থেকে দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়াকে নেত্রকোনাবাসী উন্নয়ন ও জনসেবার নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে দেখছেন




নওগাঁর মান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কার্যালয়ের কর্মকর্তা বিআরডিবি কর্মকর্তা আফজাল
হোসেনের নিয়মিত অফিস ফাঁকি

নাজমুল ইসলাম নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কার্যালয়ের কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে মান্দা উপজেলা বিআরডিবি কার্যালয়ে অবস্থান নেন গণমাধ্যমকর্মীরা। সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও ওই কর্মকর্তার দেখা মেলেনি।সরকারি চাকরি সংক্রান্ত ২০১৮ সালের পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা–২০১৯ অনুযায়ী যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এসব নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরেই আফজাল হোসেন ইচ্ছামতো অফিসে আসা–যাওয়া করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিআরডিবির এক কর্মচারী জানান, আফজাল হোসেন রাজশাহী থেকে মান্দায় অফিস করেন। প্রায় প্রতিদিনই তিনি এক থেকে দুই ঘণ্টা দেরিতে অফিসে আসেন।এ বিষয়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি উল্টো গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমি কখন অফিস করব সেই কফি কৈফিয়ত কি আপনাদের দিতে হবে।আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে মান্দা উপজেলা বিআরডিবি কার্যালয়ে অবস্থান নেন গণমাধ্যমকর্মীরা। সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও ওই কর্মকর্তার দেখা মেলেনি।সরকারি চাকরি সংক্রান্ত ২০১৮ সালের পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা–২০১৯ অনুযায়ী যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এসব নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরেই আফজাল হোসেন ইচ্ছামতো অফিসে আসা–যাওয়া করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিআরডিবির এক কর্মচারী জানান, আফজাল হোসেন রাজশাহী থেকে মান্দায় অফিস করেন। প্রায় প্রতিদিনই তিনি এক থেকে দুই ঘণ্টা দেরিতে অফিসে আসেন।এ বিষয়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি উল্টো গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমি কখন অফিস করব সেই কফি কৈফিয়ত কি আপনাদের দিতে হবে।




নরসিংদীর শিবপুরে সৌদি আরবের উপহারকৃত খেজুর বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ

আবুনাঈমরিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সৌদি আরবের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত খেজুর শিবপুর উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষকদের হাতে উপহারের এসব খেজুর তুলে দেন। তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও কল্যাণকর উদ্যোগ। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত এই উপহার তাদের জন্য একটি বিশেষ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে। উপজেলার ৬০ টি মাদ্রাসা ও এতিম খানায় বিতরন করা হয়েছে এসব খেজুর।এসময় উপস্থিত ছিলেন শিবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহ.আব্দুর রহিম, উপজেলা প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম শওকত, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রকিবুল ইসলাম, শিবপুরপ্রমুখ। উল্লেখ্য, শিবপুর উপজেলায় ১৫২ কেজি খেজুর উপহার হিসেবে আসে। যা উপজেলার ৬০ টি মাদ্রাসা ও এতিম খানায় আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরণ করা হয়েছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরই সৌদি আরবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত খেজুর উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা রমজান মাসে কিছুটা হলেও সহায়তা পেয়ে থাকে।এ উদ্যোগকে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে উপস্থিত শিক্ষকরা উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় বরযাত্রী গাড়ির একই পরিবারের ছয়জনসহ নিহত বেড়ে ১৩

মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখ রামপাল ( বাগেরহাট) প্রতিনিধি :

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নৌবাহিনীর একটি বাস ও বিয়ের যাত্রীসহ একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্রুতগতিতে চলাচলের সময় বাস ও মাইক্রোবাসের মধ্যে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন যাত্রী নিহত হন এবং আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন।নিহতদের মধ্যে রাজ্জাক কমিশনারের পরিবারের ৬ জন রয়েছে। বাকিদের নাম ঠিকানা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।




অষ্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের ‘ডিলাইট ঈদ উপহার’ বিতরণ

অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

শিশুকাল থেকে মানবিকতা, পরোপকারী ও সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করার মানসিকতা শিক্ষা দিতে, নিজ হাতে ঈদ উপহার বিতরণ করেছে ডিলাইট কিন্ডারগার্টেনের শিশু শিক্ষার্থীরা।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রামে ডিলাইট কিন্ডারগার্টেন প্রাঙ্গণে এই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। ‘আমরা গড়বো মেধা ও মানবিক পৃথিবী’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পরিচালকের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক অসহায় মানুষের সাথে, ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে, সেমাই, চিনি, নুডুলস, দূধ ও বিউটি সোপ বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অসহায় মানুষ নির্বাচনসহ ‘ঈদ উপহার’ সামগ্রী ক্রয় ও নিজ হাতে বিতরণ করে। এসময়, সুবিধাভোগী ও শিশুদের অভিভাবক, শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, অষ্টগ্রাম সদর ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু, অভিভাবক শামসুজ্জোহা লিয়াকত, প্রবাসী জাকির আহমেদ, প্রধান শিক্ষক জুয়েনা হক, সহ শিক্ষক শাপলা আক্তার, কেয়া আক্তার ও তৃণা খানম প্রমুখ।ডিলাইট কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. ফরিদ রায়হান বলেন, মেধা ও মানবিক পৃথিবী বিনির্মাণে শিশুদের পুঁথিগত শিক্ষার সাথে মানবিক শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানবিক মানসিকতা তৈরী করতে প্রতি বছর ‘ডিলাইট ঈদ উপহার’ বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু বলেন, ক্ষুদ্র এই আয়োজনে বিশাল মহাত্মন রয়েছে। শিশুদের অর্থে ও হাতে ‘ডিলাইট ঈদ উপহার’ বিতরণের ব্যতিক্রমি চিন্তা ও উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমাদের আগামী প্রজন্ম মানবিক সমাজ, দেশ ও পৃথিবী তৈরি করবে এই কামনা করি।




হোসেনপুরে বাড়ি ঘরে হামলা মামলায় তিন মাসেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে আসামিপ্রশাসন নিরব

ফরহাদ হোসেন রাজ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কাবিল হাজী বাড়ির সবুজ মিয়ার বসত ঘরে সন্ত্রাসী হামলায় হয়। হামলায় সবুজ মিয়া তার স্ত্রী ও তার ছেলে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার ঘরের বাড়ি ভেঙ্গে নিয়ে যায় এবং সমস্ত জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সবুজ মিয়ার বসতঘরটি দুর্বৃত্তরা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে এবং ঘরে থাকা তার আসবাবপত্র লুট করা হয়েছে এবং তার বৈদ্যুতিক সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সবুজ মিঁয়া জানাই, তার বাড়ির পাশের বাড়ির মোখলেসুর রহমান তার দল বল নিয়ে তার উপর হামলা চালায় এতে সে গুরুতর আহত হলে তার স্ত্রী সন্তানরা তাকে বাঁচাতে আসলে তাদের উপর ও হামলা করা হয়। ভুক্তভোগী হাসপাতালে পরিবারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মুখলেসুর রহমানের নেতৃত্বে তার বসত ঘর ও ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায় এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ছেলে রাহুল মিয়া হোসেনপুর থানায় ২০-১২-২০২৫ তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন যাহা পরবর্তীতে নিয়মিত মামলাতে রুজু হয়।এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানাই আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলমান আছে। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পরিবারটি।৩ মাসে এখনো গ্রেফতার হয়নি একজন আসামিও