ভোট চাই ভোটারের, দোয়া চাই সকলের -ট্রেজারার পদপ্রার্থী এড. আবু মুছা ভূঁঞা

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।

আসন্ন ২রা এপ্রিল বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির (২০২৬-২০২৭ সেশন) নির্বাচনে “ভোট চাই ভোটারের, দোয়া চাই সকলের” -এ শ্লোগান সামনে রেখে “ট্রেজারার” পদে ভোট ও দোয়া চাইলেন এডভোকেট আবু মুছা ভূঁঞা।জানা যায়- এডভোকেট আবু মুছা ভূঁঞা কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি)। তিনি ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এডভোকেট আবু মুছা ভূঁঞা দেবীদ্বার বাগমারা দাখিল মাদ্রাসা থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করে মুরাদনগর বাঁশকাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে মাধ্যমিক এবং চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস শেষে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে অধ্যয়নরত সময়ে বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন। তাঁর দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে দাদার অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন মুছা ভূঁঞা। সেই সুবাদে ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে “ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ” পরিষদের পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে সনদপ্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্মপ্রকাশ করেন এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির “সভাপতি” নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও পুনরায় দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছেন। এছাড়াও তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি’র “মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক” হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন এবং ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির “সদস্য” মনোনীত হন। এডভোকেট আবু মুছা ভূঁঞা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা ইউনিটের “যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক” হিসেবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছেন। এরআগে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির “লাইব্রেরী সেক্রেটারি” হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। সরকারের পতনের পর দেশের ক্রান্তিলগ্নে ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়াও তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালসহ দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া আলীম মাদ্রাসা’র গভর্ণিং বডির “সভাপতি” মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করিয়া আসিতেছেন।




তাড়াইলে দারুল কুরআনের পক্ষ থেকে এতিমদের ঈদ উপহার প্রদান

ফরহাদ হোসেন রাজকিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদরের দারুল কুরআন মাদরাসার উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও এতিম শিক্ষার্থীদের ঈদ উপহার প্রদান করা হয়েছে।মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এবং খেলাফত মজলিস কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা এমদাদুল্লাহ (১৬ মার্চ) সোমবার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দারুল কুরআন মাদরাসা ও দারুল কুরআন মহিলা মাদরাসার এতিম শিক্ষার্থীদের ঈদের পোষাক প্রদান করেন।উপজেলা সদরের খান ব্রাদার্স কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে অবস্থিত দারুল কুরআন ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠান প্রধান হাফেজ মাওলানা এমদাদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তাড়াইল কেন্দ্রীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হুমায়ূন রশিদ জুয়েল, তাড়াইলের কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান, ধলা বহুমুখী আলিম মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আতিকুল ইসলাম, দারুল কুরআনের কিতাব বিভাগের সহকারী শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান।এসময় দারুল কুরআন মাদরাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা জিয়াউল হক, হিফয বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা সোহাইল আহমাদ, সহকারী শিক্ষক হাফেজ মাওলানা শরীফুল ইসলাম, নুরানি কিন্ডারগার্টেন শাখার সহকারী শিক্ষক মাওলানা সোহাইল শাহীন, মাওলানা রিফাত আহমাদ, মাওলানা যাকারিয়া, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, আবাসিক নুরানি বিভাগের সহকারী শিক্ষক মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, তাড়াইল বাজারের ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমানসহ অভিভাবক, শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।




কুমিল্লায় শ্রীশ্রী রামনবমী পূজা ২৭ মার্চ

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী রামনবমী পূজা।আসছে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা স্কুল মাঠে রামনবমী উদযাপন পরিষদ কুমিল্লার আয়োজনে এ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর নবমী তিথি ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার ১১:৪৮ মিনিট থেকে পরদিন ২৭ মার্চ ১০:০৬ মিনিট পর্যন্ত।এ উপলক্ষে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতিমা, গঙ্গা আবাহন ও মঙ্গল ঘট স্থাপন শেষে অধিবাস কীর্তন ও প্রসাদ বিতরণ এবং পরদিন ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ৮টায় ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের পূজা আরম্ভ, পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, বিশ্ব শান্তি কল্পে সপ্তসতী হোমযজ্ঞ, দুপুরবেলা উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ। এরপর নগর পরিক্রমা ঈশ্বর পাঠশালা হতে চানময়ী কালী বাড়ি পর্যন্ত এবং বিকেলবেলা বস্ত্র বিতরণ শেষে সন্ধ্যায় সন্ধ্যারতী কীর্তন, রামস্তুতি পাঠ ও ধর্মীয় আলোচনাসভা। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ নাটিকা। জানা যায়- শ্রীশ্রী রামনবমী হলো চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পালিত ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার শ্রী রামচন্দ্রের জন্মোৎসব। এই দিনটি অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও ধর্মের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়। ভক্তরা এই দিনে উপবাস, রামচরিতমানস পাঠ, পূজা ও বিশেষ মন্ত্র জপ করে সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আরও জানা যায়- রামনবমী ব্রত পালনের মাধ্যমে ভক্তরা মানসিক শান্তি এবং অশুভ শক্তি থেকে মুক্তি লাভ করেন বলে বিশ্বাস করা হয়।ওই অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতনী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।




জাতির পিতার ১০৬ তম জন্মদিন আজ

আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাঙালি জাতির স্বাধীনতাসংগ্রাম ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে অবদান রেখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে সুসংগঠিত করেন, যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সংঘটিত হয় মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম।
বিশেষ করে, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণকে বাঙালি জাতির মুক্তির ডাক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই ভাষণে তিনি স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জানান, যা পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তাঁর অবদান এ দেশের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

দিবসটি উপলক্ষে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় ও সাংগঠনিকভাবে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠন পৃথক পৃথক বাণী দিতেন। তবে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জেরে সেটি আর পালন হয় না।তবে দেশেত সাধারণ মানুষ, আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে এই দিবসকে পালন করে বলে জানা যায়।