ওয়ার্ল্ড ভিশনের ফাইভ জিরো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিকনির্দেশনামূলক সভা

মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল উপজেলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রামপাল এরিয়া প্রোগ্রাম দরিদ্র ও হতদরিদ্র- মানুষের জীবন মান উন্নয়নে সর্বদাই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে । ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ফাইভ জিরো প্লাস বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে এই ফাইভ জিরোর আওতায় রয়েছে জিরো ক্ষুধা , জিরো বাল্যবিবাহ, জিরো শিশুশ্রম,জিরো অপুষ্টি, জিরো স্কুল ঝড়ে পড়া ও জিরো প্লাষ্টিক সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রামপাল এপি’র সহায়তাকারীদের সাথে মাসিক মতবিনিময় সভা ও বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৪ মে ( বৃহস্পতিবার)সকাল ৯ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে সভায় উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নাথোন চৌকিদার, চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার লিটন হিউবার্ট কোড়াইয়া, প্রোগ্রাম অফিসার সুবাস জয়ধর, প্রোগ্রাম অফিসার ঈশিতা বৈরাগী, প্রোগ্রাম অফিসার পার্থ সারথি দোবে, প্রোগ্রাম অফিসার শিউলী কাস্তা এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রামপাল এপি’র সকল সহায়তাকারীগন।এসময় বক্তব্যে বক্তব্যরা LR সেন্টার , impact plus ক্লাব, আমার জীবন আমার লক্ষ, গল্প লেখা,সেভ গার্ডিং সহ মাঠ পর্যায়ে কর্মীদের কাজে আরো বেশি নৈপুণ্যতা আনতে সহায়তাকারীদের নানা দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয় বক্তারা আরো বলেন আমাদের ডোনারা যে উদ্যশ্যে এত অর্থকড়ি আমাদের দিয়ে সহায়তা করছে এই অর্থের সঠিক ব্যবহার আমাদের করতে হবে, তাদের অর্থের যথাযথ মর্যাদা আমাদের দিতে হবে।মাঠ পর্যায়ে লোকজনের সাথে মিশতে হবে তাদের সুখ দুঃখ বুঝে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে নিজেদের আপনজন মনে করে, শুধু চাকরির জন্যে দায় এড়ানো কাজ করলে হবেনা।LR সেন্টার, ইম্প্যাক্ট প্লাস ও Lsbe গ্রুপের শিশুদের মানসিক ও শারীরিক ভাবে গড়ে তুলতে যে সব কাজ করার প্রয়োজন তার উপর দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল, বাগেরহাট01992090074,




রাজশাহীতে বহুতল ভবনের নির্মাণ ত্রুটিতে হোটেলের ক্ষতি: পাওনা টাকা চাওয়ায় মালিককে প্রাণনাশের হুমকি

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মাণের ফলে পাশের একটি আবাসিক হোটেলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হোটেলের পাওনা টাকা দাবি করায় মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিরোইল কাঁচাবাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত এনামুল হকের পুত্র মোঃ এনাজুল হক (৩৪) মহানগরীর শুভ পেট্রোল পাম্পের পাশে ‘হোটেল হক’স ইন’ (Hotel Haq’Sinn) নামক একটি আবাসিক হোটেল পরিচালনা করেন। গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে উক্ত হোটেলের পাশে ‘জায়েন্ট ফ্যামিলি প্রোপার্টিজ’ লি: ২১ তলা বিশিষ্ট একটি ভবনের নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করে। নির্মাণ কাজ চলাকালীন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ায় এনামুল হকের মালিকানাধীন হোটেলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ভুক্তভোগী জানান, ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে গত ২৬ জুন ২০২৫ তারিখে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলে জায়েন্ট ফ্যামিলি প্রোপার্টিজের সাথে একটি সমঝোতা হয়। সেখানে হোটেল সংস্কার ও ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ভবন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও বাকি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা পরিশোধে গড়িমসি শুরু করে। “ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর মাত্র ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। অবশিষ্ট টাকা চাইতে গেলে মালিককে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত তুহিন (৪৫) এবং জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উক্ত ইউনিয়ন আ”লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান (৪৪) এনাজুল হককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তারা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেন এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে এবং পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে ভুক্তভোগী এনাজুল হক সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।উল্লেখ্য জায়েন্ট ফ্যামিলি প্রোপার্টিজের কতৃপক্ষ ‘তুহিন’ হোটেল হক’স ইনের কতৃপক্ষ এনাজুল হক অমি’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। প্রথমে তুহিন বলেন, অমি চাঁদা দাবি করেছেন। এরপর আবারও তিনি অপহরণের নাটক সাজায়। ক্ষতিপূরণে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে গণমাধ্যমেসহ সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যাচার করছে বলে দাবি করেছেন অমি। এ বিষয়ে জানতে জায়েন্ট ফ্যামিলি প্রোপার্টিজের তুহিনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।




আটককৃত হেরোইন বিক্রির অভিযোগ গোদাগাড়ী থানার এসআই জুয়েলের বিরুদ্ধে

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েলের বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা, উদ্ধারকৃত অরিজিনাল হেরোইন বিক্রি এবং বিচারপ্রার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মকর্তার হাতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অনেকেই এখন জিম্মি হয়ে পড়েছেন।সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি উঠেছে উদ্ধারকৃত মাদক সক্রান্ত। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, এসআই জুয়েল মাদকসহ আসামি ধরার পর অরিজিনাল মাদক সরিয়ে সেখানে নকল বা মাদক সদৃশ বস্তু দিয়ে চালান দেন। গত ১০ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম মাদকসহ আলিয়ারা বেগম (স্বামী মাসুদ রানা) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা (এফআইআর নং-২১, জিআর নং-১০৯) রেকর্ড করা হলেও নেপথ্যে ঘটে ভিন্ন ঘটনা।অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধারকৃত ১০০ গ্রাম অরিজিনাল হেরোইনের মধ্যে ৯০ গ্রামই বিক্রি করে দেন এসআই জুয়েল। বাকি ১০ গ্রাম ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে বাকি অংশের জায়গায় মাদক সদৃশ বস্তু যোগ করে জব্দ তালিকায় দেখানো হয়। থানার একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এসআই জুয়েল প্রায়ই উদ্ধারকৃত আসল মাদক বিক্রি করে দেন।শুধু মাদক নয়, ফসলি জমির টপসয়েল (ওপরিভাগের মাটি) নিধন সিন্ডিকেট থেকেও নিয়মিত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই সিন্ডিকেটের এক সদস্য (ছদ্মনাম রহিম) ফোনে জানান, তিনি নিয়মিত থানায় গিয়ে এসআই জুয়েলকে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে দেন। তবে থানার বর্তমান ওসির সাথে এ বিষয়ে কোনো লেনদেন হয় না বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া উপজেলার সাফিনা পার্ক থেকেও নিয়মিত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।আদালতের বাইরে আপোষের নামে বাণিজ্য:অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মামলার বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে আপোষ-মীমাংসার কথা বলে থানায় ডেকে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অর্থ আদায় করেন তিনি। যারা তার কথামতো টাকা দিতে ব্যর্থ হয়, তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হয় বলেও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে এসআই জুয়েলের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, “এ ধরনের কোনো বিষয় বা অভিযোগ আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, পুলিশের একজন সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা এসব গুরুতর অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হতে পারে।




চট্টগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: মেয়র ডা.শাহাদাত

মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম সড়ক নির্মাণে রড উৎপাদন করতে গিয়ে উৎপন্ন স্ল্যাগের ব্যবহার নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। ট্রেডিশনাল ধারণার পাশাপাশি নিত্যনতুন কৌশল ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করেই শহরের উন্নয়ন কাজকে আরও টেকসই ও আধুনিক করা সম্ভব।বুধবার টাইগারপাস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্ল্যাগ (Slag) হলো ধাতু নিষ্কাশন বা গলানোর প্রক্রিয়ার পর আকরিক থেকে অপদ্রব্য আলাদা হয়ে তৈরি হওয়া একটি কাঁচের মতো অবশিষ্টাংশ। এটি মূলত ধাতব অক্সাইড এবং সিলিকন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ, যা ইস্পাত ও সিমেন্ট শিল্পে অত্যন্ত দরকারী। এটি পরিবেশবান্ধব এবং নির্মাণকাজে ইটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।সেমিনারটি আয়োজন করে বিএসআরএম কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটি রড উৎপাদনের বাই প্রোডাক্ট হিসেবে উৎপন্ন স্ল্যাগকে কীভাবে সড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে।মেয়র বলেন, শহরের সড়ক নির্মাণ, ব্রিজ নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে শুধু গতানুগতিক পদ্ধতিতে আটকে থাকলে চলবে না। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিত্যনতুন ধারণা ও কৌশল ব্যবহার করতে হবে। এতে খরচ কমার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উন্নয়নও সম্ভব হবে।সেমিনারে বিএসআরএমের প্রতিনিধিরা স্ল্যাগ ব্যবহারের সুবিধা, স্থায়িত্ব এবং পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন। সেমিনারে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আবু সাদাত তৈয়বসহ প্রকৌশলীবৃন্দ মতবিনিময় করেন।




এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় ধনবাড়ীতে ব্রি ধান১০২ ও ব্রি ধান১০৫ এর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

মোঃ দেলোয়ার হোসেন ডিস্ট্রিক্ট ক্রাইম রিপোর্টার টাঙ্গাইল

আজ এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এবং ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইলের তত্ত্বাবধানে ধনবাড়ী উপজেলার কিসামত প্রযুক্তি গ্রামে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্রি ধান১০২ এবং ব্রি ধান১০৫-এর নমুনা ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জনাব মাসুদুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, টাঙ্গাইলের প্রধান ড. মসউদ ইকবাল, (এসএসও এবং প্রধান), আদিবা আফরিন রিম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে উল্লিখিত দুইটি জাতের ১০ বর্গমিটার জমি থেকে নমুনা ফসল কর্তন করা হয়। পরবর্তীতে ফলন বিশ্লেষণ করে ১৪% আর্দ্রতায় গড় ফলন যথাক্রমে ব্রি ধান১০২ : ৩২ মণ/বিঘা, ব্রি ধান১০৫ : ৩০ মণ/বিঘামাঠ দিবসে আনুমানিক ১২০-১৫০ জন কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত কৃষকগণ ধান জাতসমূহের ফলন, রোগ সহনশীলতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন এবং জাতসমূহের সার্বিক কর্মক্ষমতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।এই আয়োজনের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে ব্রি উদ্ভাবিত উন্নত ধান জাত সম্প্রসারণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।




কাপাসগোলা মহিলা কলেজে ৬ কোটি টাকার শিক্ষা অবকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত

মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে চকবাজার এলাকায় প্রায় ৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজ মাঠে আয়োজিত বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ, নবীন বরণ, বিদায় সংবর্ধনা এবং প্রশাসনিক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।উদ্বোধন হওয়া প্রকল্প দুটি হলো— ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডস্থ কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজ সড়কের উন্নয়ন কাজ এবং কলেজের প্রশাসনিক ভবনের ২য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্প।অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, “শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক ও উন্নত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। কাপাসগোলা মহিলা কলেজের সড়ক উন্নয়ন ও ভবন সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পাঠ গ্রহণের সুযোগ পাবে।”তিনি আরও বলেন, “একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো যত উন্নত হবে, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও আগ্রহও তত বাড়বে। আমরা চাই আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও সমৃদ্ধ করতে।”চসিক সূত্রে জানা যায়, সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ২৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। প্রকল্পের আওতায় ৬০৬ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের রাস্তা উঁচু করে ইউনিব্লক দিয়ে নির্মাণ করা হবে।অন্যদিকে কলেজ ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ২য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত চারটি ফ্লোর সম্প্রসারণ করা হবে। প্রতিটি ফ্লোরে ৫টি করে মোট ২০টি আধুনিক ক্লাসরুম নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন হবে প্রায় ৬ হাজার বর্গফুট।অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নাজমা বিনতে আমিন এবং কলেজ গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ।স্বাগত বক্তব্য দেন কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নূর বানু চৌধুরী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ডাক্তার সরওয়ার আলম চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, শাফকাত বিন আমিন এবং সহকারী প্রকৌশলী রূপক চন্দ্র দাশসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।




কক্সবাজার খুরুশকুল পুলিশের ঘোনা এলাকায় নয়ন সাধু হত্যাকারী দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচী ঘোষণা।

সমীর রুদ্র কক্সবাজার প্রতিনিধি

নয়ন সাধুর হত্যাকারী দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ কক্সবাজার জেলা সভাপতি এডভোকেট রবীন্দ্র দাশ রবি। আরো উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান আইনজীবী সংসদ কক্সবাজার জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বিমল দে। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সনাতন পার্টির কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক দোলন ধর। আরো উপস্থিত থাকেন কক্সবাজার জেলা ব্রাহ্মণ সংসদ সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত চক্রবর্তী আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা ব্রাহ্মণ সংসদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজল ব্রাহ্মণ। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান এসময় উক্ত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান এবং দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।নিহত নয়ন সাধুর পরিবার কে আইনি সহায়তা সহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।