মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির আওতায় দশমিনায় ১৭০ জন কিশোরীর মাঝে মুরগী ও অর্থ বিতরণ

দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

ব্র‍্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির উদ্যোগে “পটুয়াখালীর দশমিনায় ব্র‍্যাকের স্বপ্নসারথি ১৭০ জন কিশোরীর মাঝে ২০টি করে মুরগির বাচ্চা ও উপকরণ বিতরণ” করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে দশমিনা এরিয়া অফিসে এ মুরগির বাচ্চা ও উপকরণ বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন- দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহামুদ হাসান মৃধা, মাইক্রোফিন্যান্স দাবি কর্মসূচির এরিয়া ম্যানেজার মো: আবু রায়হান, ব্র‍্যাঞ্চ ম্যানেজার মো. ইসমাইল আল মামুন, প্রগতি কর্মসূচির এরিয়া ম্যানেজার মিলন কুমার অধিকারী, ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচির জেলা ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম, অফিসার প্রলয় কুমার নন্দী, হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, ব্র‍্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির জেলা ব্যবস্থাপক মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজার শরিফুল আলম, ব্র‍্যাক কার্যক্রম বাস্তবায়ন কর্মসূচির অফিসার আল ইমরান ও কমিউনিটি অর্গানাইজার রোকসানা রূপা প্রমূখ।এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহামুদ হাসান মৃধা বলেন, বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে থাকা কিশোরীদের বাল্যবিয়ে মুক্ত রাখতে এবং তাদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক হিসেবে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়নে ও পরিবারগুলোকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ঠ্যের ভিত্তিতে নির্বাচিত স্বপ্নসারথি কিশোরীদেরকে এই অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা হয়। তিনি আরো বলেন, কিশোরীদের বয়স ১৬ থেকে উর্ধ্বে প্রতি কিশোরীকে ২০টি ফাউমি জাতের মুরগির বাচ্চা ও উপকরণ খরচ বাবদ ১৭০০ টাকা প্রদান করা হয়।###সঞ্জয় ব্যানার্জীদশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি০১৭৩৩১২৯৯৪০




আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মান্দায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ২

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় শিশুদের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের হাটোর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত তৈয়বুর রহমান মোল্লা (৭০) হাটোর গ্রামের মৃত দিনা মোল্লার ছেলে। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সৈয়ব আলী (৬২) ও তার ছেলে স্বাধীন (২২)-কে আটক করেছে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিবেশী ইমরান হোসেনের ছেলে শাকিল (৮) পাশের বাড়ির জালাল হোসেনের গাছ থেকে কয়েকটি আম পাড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুল মোমিন শিশুটিকে শাসন ও মারধর করলে দুই পরিবারের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।অভিযোগ রয়েছে, পূর্বের বিরোধের জেরে সোমবার সকালে ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে আব্দুল মোমিনের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িঘরে ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় মেহেরুন্নেছা (৫০), মেহেদী হাসান (২৮), আব্দুল মোমিন (২৬) ও শিশু রিয়ান (৮) আহত হন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে বাড়ির পাশের পাকা সড়কে তাদের পথরোধ করে আবারও হামলা চালানো হয়। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে বৃদ্ধ তৈয়বুর রহমান মোল্লার ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে বেধড়ক মারধর করা হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল হোসেন বলেন, “আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় আবার হামলা হয়। তৈয়বুর চাচা ঝামেলা থামাতে এগিয়ে গেলে তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। পরে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।”নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী দাবি করেন, অভিযুক্তদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, “ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত করে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হামলায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




টিকটকে পরিচয়,ইমুতে দেহ দেখিয়ে এক প্রবাসীর সর্বস্ব লুট

নওগাঁ প্রতিনিধি

নিজের কালো চেহারাটাকে টিকটকে গোলাপি বানিয়ে অপরুপ সুন্দরী সেজে,এক প্রবাসীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তার সর্বস্ব লুট করে নিয়েছে স্বপ্না নামের এই মেয়েটি। স্বর্বস্ব লুট করার পর, সে কাকুতি-মিনতি করলে তাকে মরে যাওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করে এই মেয়েটি, সর্বশেষে প্রবাসেই জীবন দিতে হলো এক রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে। জানা যায়, তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা বিভিন্ন কৌশলে ও বিভিন্ন অজুহাতে হাতিয়ে নিয়েছে এই টিকটকার স্বপ্না। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার মৈনম গ্রামে। বিয়ষটি নিয়ে এলাকাবাসীর ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা জানায়, এভাবে মেয়েটি আগেও এক কাতার প্রবাসীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে, প্রায় ২০ লক্ষ টাকা আদায় করে তাকেও তালাক দিয়েছে। যার গ্রামের বাড়ি মহাদেবপুর থানার উত্তরগ্রামের আব্দুর ছাত্তারের ছেলে লুৎফর রহমান বলে জানা যায়। সেখানে গিয়ে লুৎফর রহমান এর দেখা না পেলেও,তার আত্বীয়রা জানান, ঐ মেয়ে (স্বপ্না) সহ তার বাবা-মা ও তার ভাই এই প্রতারণার সাথে জড়িত। তারা নিঃস্ব করে ফেলেছে লুৎফরকে। ২০ লক্ষ টাকা নেওয়া শেষ, এরপরের দিনই তালাকনামা পাঠিয়ে দিয়েছিল। এরা এই ব্যবসায় করে। তারা দুঃখ করে বলেন,বাংলাদেশে কি এমন কোন আইন নেই, এসব মেয়েদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার,,? তারা এই প্রতারণাকারী স্বপ্না ও তার পরিবারের কঠিন শাস্তির দাবী করেন।স্বপ্নার আশেপাশের লোকজন জানায়, এই গ্রামের ও তার আশেপাশের গ্রামের ছেলে-পেলেদেরও ইমুতে দেহ দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে। মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন জায়গার লোকজন এসে, এ বিষয়ে গুলো নিয়ে শালিশ-দরবার করে, কখনো অর্ধেক টাকা ফেরত দেয় আবার অনেককে টাকা ছাড়াই ভয়ভীতি দেখিয়ে বিদায় করে দেয় তারা। গত কিছু দিন আগে উজ্জ্বল নামের এক হিন্দু ছেলেকে ফাঁসিয়ে ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল, লোকজন এসে হৈচৈ শুরু করলে ১ লক্ষ টাকা ফেরত দেয়,বাঁকী ২ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার তারিখ দিয়ে বিদায় করে দেয় তাদেরকে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের বৃম্মত্তপাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা গত ২০২২ সালে একটু স্বচ্ছল জীবন-জীবিকার উদ্দ্যেশে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান। প্রথম অবস্থায় কষ্টে কাটলেও পরবর্তীতে রাজধানী কুয়ালালামপুরের অদুরে কাজাং এলাকায় ভালো বেতন ও ভালো মালিকের অধীনে কাজ পায় সে। ভালোই চলছিল তাদের জীবন। এরমধ্য কোন এক মাধ্যম দিয়ে, সিন্ডিকেট সদস্য মারুফা আক্তার স্বপ্নার টিকটক আইডির লিং ও মোবাইল নম্বর পায় সে। সেই থেকে শুরু হয় কথাপকথন। এরপর ইমুতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রদর্শন করে মাতিয়ে দেয় সোহেল রানাকে। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে প্রতিমাসে ১০ হাজার, ২০ হাজার করে টাকা নেওয়াও শুরু করে দেয় স্বপ্না। এক পর্যায়ে তাকে বিয়ে করার জন্য শরীর দেখিয়ে আকর্ষণ ধরায়। কিন্তু সোহেল রানা মালয়েশিয়ায় অবৈধ থাকার কারণে বা বৈধ কাগজপত্র না থাকায়, দেশে আসতে পারে না। সে ক্ষেত্রে মোবাইলে বিয়ের করার জন্য চাপ দেয় সোহেলরানাকে, নইলে তার মা-বাবা অন্যত্র বিয়ে দেবে বলে জানিয়ে দেয়। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মোবাইলে বিয়ে করে এবং তাতে ৪ লক্ষ টাকা দেন-মোহর বাঁধে স্বপ্না। ভুক্তভোগীরা জানায়, এ সবকিছুতে জড়িত আছে স্বপ্নার ভাই ও বাবা মা। তারা গরুর ফার্ম করবে বলে সোহেলরানার বোনের কাছ থেকে প্রথমে ৪ লক্ষ ও পরে ১ লক্ষ টাকা ক্যাস নেয়, যা সোহেলরানা দিতে বলে।এই টাকা গুলো না দেওয়ার জন্য, সাবিনা তার ভাইকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করে, কিন্তু প্রবাসী সোহেলকে এতোটাই মাতিয়ে ফেলেছে প্রতারক স্বপ্না,সে কিছুই বুঝতে চায় না,তাই বোন স্বপ্না টাকা গুলো দিতে বাধ্য হয়ে যায়। অন্যদিকে সোহেলরানার কাছ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয় এই প্রতারণাকারী মেয়ে। সর্বমোট সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা নেওয়ার কয়েকদিন পর গত (৪ জুন) ২০২৬ ইং তারিখে হঠাৎ করে ইমুর মাধ্যমে তালাক নামা পাঠিয়ে দেয় সোহেলরানার কাছে। তালাক নামা পেয়ে ইমুতে ফোন দিয়ে স্বপ্নার কাছে অনেক কাকুতি-মিনতি ও কান্নাকাটি করে সোহেলরানা। কিন্তু পাষানির উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন, তাই তার কোন কথাকে পাত্তা না দিয়ে তাকে মরে যেতে বলে বার বার। এরপর সোহেল রানা তার বোনকে ফোন দিয়ে বলে,স্বপ্নাদের বাড়িতে যাও,সে কেন তাকে তালাক দিয়েছে, তার সাথে আর ভালো করে কথা বলছে না স্বপ্না। খুব অনুরোধ করলে, সোহেলরানার বোন সাবিনা,বড়ভাবী তাসলিমা ও খালাতো ভাই রবিন তাদের বাড়ীতে যায়। তাদের বাড়ীতে গেলে, তাদের সাথেও খুব খারাপ আচরণ করতে শুরু করে স্বপ্নাসহ তার মা-বাবা ও তার ভাই এবং বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে বার বার। সোহেলরানার বড়বোন সাবিনা তাদেরকে বলেন,আপনারা এমন করলে তো আমার ভাইকে বাঁচানো যাবে না। টাকা গুলোও তো নিয়ে নিয়েছেন, তাহলে এখন আমার ভাইয়ের কি হবে,এমন কথা শুনে স্বপ্না বলে, তাকে মরে যেতে বলেছি। মরে গেলেই তো কোন ঝামেলা হবে না। আপনারা চলে যান বাড়ী থেকে, আপনাদের সাথে আর কোন সম্পর্ক নেই। এরপর স্বপ্নারা বাহিরে বের হলেই প্রতিবেশীরা জানায়,কেন এই মেয়েকে আপনার ভাই বিয়ে করেছে,এরা এভাবে বহু মানুষদের ধংশ করেছে,বহু পরিবারকে নিঃস্ব করেছে। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন ধরনের লোকজন এসে এখানে চিল্লাচিল্লি করে। কাহারো যদি শক্ত কোন নেতা থাকে,তারপরও অর্ধেক টাকা ফেরত দেয়, আর কাহারো কেউ না থাকলে, কোন টাকা ফেরত দেয় না, ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। তাদের এসব কথা শুনে সাবিনা সহ সকলের মন খারাপ হয়ে যায়। তারা বাড়ীতে ফিরে আসে। এরপর রাতে বৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্ক না থাকায় ভাই সোহেলরানার সাথে যোগাযোগ করতে পারে না তারা। অন্যদিকে মারুফা আক্তার স্বপ্নার সাথে ইমুতে খুব কান্নাকাটি করে সোহেলরানা। কিন্তু কিছুতেই পাষনি,ছলনাময়ী স্বপ্নার মন গলে না। শুধু তাকে মরে যেতে বলে বার বার। এতে ইমুতে স্বপ্নাকে লাইনে রেখেই মালয়েশিয়া প্রবাসী সোহেলরানা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল সকলেই এই ছলনাময়ী প্রতারক স্বপ্না ও তার পরিবারের সকলের শাস্তির দাবী করেন। এ বিষয়ে টিকটকার প্রতারক স্বপ্নার কাছে জানতে চাইলে,সে সবকিছু অস্বীকার করে বলে,আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি,তার সাথে আমার সম্পর্ক শেষ। বিয়ে এবং ডিভোর্সের কাগজপত্র দেখতে চাইলে সে বের করে সাংবাদিকদের দেখায়। সেখানে দেখা যায়, ৫ নং বিশা ইউনিয়ন আত্রাই নওগাঁ। আব্দুর রাজ্জাক কাজীর মাধ্যমে কাগজে বিয়ের তারিখ আছে ০৬-০৪-২০২৬ ইং। অর্থাৎ মাত্র ২মাস আগে বিয়ে হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতদিনে বিয়ে হয়েছে রোজার ১২ দিন পূর্বে,অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫ মাস পূর্বে তাদের বিয়ে হয়েছে। এই কাগজেও দিন,তারিখ সঠিক দেয় নাই। আর তালাক দিয়েছে ০৪-০৬-২০২৬ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার। এখানেও ধোয়াসা রেখেছে প্রতারক টিকটকার স্বপ্না। এ বিষয়ে এলাকার সর্ব মহল এই টিকটকার প্রতারক স্বপ্না নামের মেয়েটির শাস্তির দাবী করেন। উক্ত ঘটনার রেশ ধরে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে উঠে আসে এক ভয়ঙ্কর তথ্য। উপজেলার মৈনম ইউনিয়নে সারা দেশের ন্যায়, একটি সিন্ডিকেট বহুদিন ধরে টিকটক করে দেশের বিভিন্ন এলাকার উঠতি বয়সের ছেলেদের ইমুতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ দেখিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে আসছে। সেই সিন্ডিকেটেরই একেক জন সদস্যের, একেকটি দ্বায়ীত্ব থাকে। প্রথমে এসব চরিত্রহীন মেয়েরা সুন্দর করে সেজে গুজে টিকটক করে।পরবর্তীতে সিন্ডিকেটের সদস্যরা দেশের ও দেশের বাহিরে অর্থাৎ প্রবাসীদেরকে এসব টিকটকের মেয়ের, টিকটক দেখায় এবং তাদের কাছে ওই মেয়েটির মোবাইল নম্বর আছে বলে জানায়। তখন আগ্রহ করে উঠতি বয়সের ছেলেরা বা প্রবাসীরা তা লুফে নেয়। এরপর শুরু হয় তাদের মধ্যে কথাবার্তা ধিরে ধিরে ইমুতে, এরপর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রদর্শন, শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন লোভনীয় প্রতারণা আর সেই প্রতারণার ফাঁদে ফেলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এসব সিন্ডিকেট চক্র। সর্বশান্ত করে দিচ্ছে প্রবাসীদের। পরবর্তীতে কোন আইনি পদক্ষেপ নিতেও পারেন না সম্মানের ভয়ে। এ থেকে পরিত্রান পেতে সচেতন মহল মনে করেন, সকলকে সচেতন হতে হবে এবং তার সঙ্গে আইনের সঠিক প্রয়োগ ও সঠিক বিচার ব্যাবস্থা নিশ্চিত হলেই এ থেকে সমাজ পরিত্রান পেতে পারে বলে মনে তো করেন।এ বিষয়ে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ খোরশেদ আলম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন,ভিকটিমের লাশ এখনো দেশে আসে নাই, ভুক্তভোগীদের আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান।




ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ছয় হাজারের অধিক শিক্ষার্থীদের দিলো শিক্ষা উপকরণ

মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখ রামপাল উপজেলা প্রতিনিধি,

শিক্ষা ছাড়া একজন মানুষ অন্ধ , এ দেশকে সুন্দর ও উন্নতশীল করে গড়ে তুলতে এবং নিজেকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার কোন বিকল্প নাই তবে দরিদ্রতার কারণে হতে পারে শিক্ষা থেকে দূরে থাকা দরিদ্রতার প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শিশুদের শিক্ষাকে গড়িশীল রাখার উদ্দেশ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রামপাল এরিয়া প্রোগ্রাম রামপাল উপজেলার সকল ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সহায়তার অংশ হিসেবে খাতা,কলম ও মাটির ব্যাংক বিতরণ করেছে ।০৮ জুন(সোমবার) সকলে ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চন্দ্রাখালী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ভোজপাতিয়া হাজী জোনাব আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীথেকে পঞ্চম দশম শ্রেণী পর্যন্ত উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের হাতে কলম ও খাতা তুলে দেওয়া হয়েছে।খাতা কলম পেয়ে শিক্ষার্থীদের মনে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পেয়েছে তারা নতুন খাতা কলমেসুন্দর ও সুশিক্ষায় জীবন গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটি নতুন শব্দ লিখবে বলে প্রত্যাশা ওয়ার্ল্ড ভিশনের ।উপকারভোগী একজন শিক্ষার্থী জানায় আমরা আজকে স্কুলে গিয়ে দেখি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রামপাল এরিয়া প্রোগ্রাম খাতা কলম নিয়ে এসেছে পরে আমাদের তিনটি খাতা এবং চারটি কলম দিয়েছে খুব আনন্দ হচ্ছে কারণ একসাথে এতগুলো খাতা কলম পেয়েছি খাতায় সুন্দর একটি ওয়ার্ল্ড ভিশনের লোগো ও ছবি আছে দেখতে ও ভালো লাগছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন আমাদের প্রায়ই এটা ওটা দেয় ধন্যবাদ জানাই ওয়ার্ল্ড ভিশনকে।স্কুলে ছেলেকে নিয়ে আসা একজন অভিভাবক বলেন আমাদের ছেলেমেয়ে দের খাতা কলম স্কুলে যাওয়া আসা প্রতিদিন প্রচুর টাকা খরচ হয়এই অঞ্চলে লোকজনের ইনকাম কম কিন্তু ছেলেমেয়েদের তো শিক্ষা দিতে হবে তাই কষ্টকরে খাতা কলম কেনা লাগে ওয়ার্ল্ড ভিশন যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে এতেআমাদের অভিভাবক দেরও ওদের মতো খুশি লাগছে কারন তিনটি খাতা এতে বেশ কয়েকদিন কেটে যাবে। ওয়ার্ল্ড ভিশন শিক্ষা প্রতিষ্ঠার লক্ষে সত্যিই প্রশংসনীয় ভুমিকা পালক করে চলেছে ।উল্লেখ্য যে রামপাল এরিয়া প্রোগ্রাম মোট ৬১৫৫ জন কে খাতা ,কলম ও ৩২৫০ জনকে মাটির ব্যাংক প্রদান করা হয়েছেমোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল বাগেরহাট০১৯৯২০৯০০৭৪




নরসিংদী পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত। কর্ম মূল্যায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ নগদ অর্থ, সম্মাননা ও সার্টিফিকেট বিতরন।

আবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।।

নরসিংদী তে,রবিবার,৭ই জুন,২০২৬ইং পুলিশ লাইনন্স ড্রীল শেডে জেলা পুলিশ,এর উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন,পুলিশ সুপার, নরসিংদী মোঃ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক।সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদবীর পুলিশ সদস্যগণ বক্তব্য রাখেন, এবং পুলিশ সুপার তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে সকলকে সততা, আন্তরিকতা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং দেশ প্রেমের সাথে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণের বিষয়টিও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান পুলিশ সুপার । সভায় মে/২০২৬ মাসের কর্মমূল্যায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ অফিসার ও ফোর্সদের নগদ অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন পুলিশ সুপার। মে মাসের কর্ম মূল্যায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারকও সম্মাননা গ্রহণ করছেন, শিবপুর মডেল থানার ওসি মো: কোহিনুর মিয়া ‌এ সময় জেলা পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তগণ, বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জগণসহ বিভিন্ন পদবীর পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।




ধনবাড়ীতে মহিষ উদ্ধার, প্রকৃত মালিকের সন্ধান চাওয়া হচ্ছে

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের বালাসূতি গ্রামের পাছনখালি ইটের সলিং সড়ক এলাকা থেকে একটি মহিষ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মহিষটি বর্তমানে এলাকার দুই যুবক কামরুল ও আল-আমিনের হেফাজতে রয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিষটির কোনো মালিকের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। এ কারণে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মহিষটির প্রকৃত মালিক উপযুক্ত প্রমাণসহ যোগাযোগ করলে যাচাই-বাছাই শেষে তার কাছে মহিষটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।এদিকে এলাকাবাসী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হারিয়ে যাওয়া এই মূল্যবান সম্পদ দ্রুতই তার প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরে যেতে পারবে।যার মহিষ হারিয়েছে অথবা এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা আছে, তাকে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।তথ্যসূত্র কবির হোসেন।




চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম।

আজ ০৮ জুন ২০২৬ খ্রি., দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় দামপাড়াস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সিএমপির মে/২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিএমপি কমিশনার জনাব হাসান মোঃ শওকত আলী। সভায় সিএমপি কমিশনার মহোদয় নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকল থানা ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল উপ-পুলিশ কমিশনারকে তাদের আওতাধীন এলাকায় মাদক, চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং কার্যক্রমসহ অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া, রুজুকৃত হত্যা মামলাসহ অন্যান্য মামলা ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে জনগণের প্রতি কার্যকর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন। মামলা নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি এবং ওয়ারেন্ট তামিলের গতি বাড়ানোর বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে ট্রাফিক বিভাগকে ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন সিএমপি কমিশনার জনাব হাসান মোঃ শওকত আলী মহোদয়। সভায় মে/২০২৬ মাসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সকারী সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। তন্মধ্যে সর্বোচ্চ ওয়ারেন্ট তামিলকারী হিসেবে কোতোয়ালী থানায় কর্মরত এএসআই সোহেল আহমেদ; সর্বোচ্চ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকারী হিসেবে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় কর্মরত এসআই মিজানুর রহমান চৌধুরী; সর্বোচ্চ মাদকদ্রব্য উদ্ধারকারী হিসেবে কোতোয়ালী থানায় কর্মরত এসআই/ কাজী মনিরুল করিম ও বাকলিয়া থানায় কর্মরত এসআই/ নাসিম উল হক ইমরান; ক্লুলেস/চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটনকারী হিসেবে চান্দগাঁও থানায় কর্মরত এসআই/ জায়েদ আব্দুল্লাহ বিন ছরোয়ার ও ডবলমুরিং থানায় কর্মরত এসআই/ মোবিনুল ইসলাম; আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকারী হিসেবে ডিবি-উত্তর বিভাগে কর্মরত ইন্সপেক্টর আজিজুল হক এবং সর্বোচ্চ মাদকদ্রব্য উদ্ধারকারী হিসেবে ডিবি-পশ্চিম বিভাগে কর্মরত ইন্সপেক্টর মোঃ আফতাব হোসেনকে পুরস্কৃত করা হয়।সভায় বদলিজনিত কারণে সহকারী পুলিশ কমিশনার (এমটি) জনাব অমল চন্দ-কে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে বিদায় জানান সিএমপি কমিশনার মহোদয়।উক্ত সভায় সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব ওয়াহিদুল হক চৌধুরী; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) জনাব মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ; উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি); উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) জনাব মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী, বিপিএম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান প্রাং (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) জনাব শেখ শরীফুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) জনাব নেছার উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); উপ-পুলিশ কমিশনার (ইন-সার্ভিস ট্রেনিং) জনাব অনিন্দিতা বড়ুয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সহ সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।