গ্রুপ পর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ সময়সূচি এখন এক নজরে




গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে পীর গঞ্জ ৬ং ইউনিয়নে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

মোঃ মাহফুজুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার

ঠাকুর গাঁও পীর গঞ্জ উপজেলা গ্রাম আদালতের সেরা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিকে বার্ষিক ক্যাম্পেইনগ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম রব্বানী সরদার এবং পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মোখলেসুর রহমান চৌধুরী । এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, গ্রাম পুলিশ, শিক্ষক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম রব্বানী সরদার বলেন, “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী, দরিদ্র, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতেই এ ক্যাম্পেইন ও ভিডিও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।”পরে উপজেলা সমন্বয়কারী অগ্নিশিখা আক্তার গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, উদ্দেশ্য ও সুবিধাসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি উপস্থিত সকলকে জনসচেতনতামূলক র‍্যালিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।পীর গঞ্জ উপজেলার পীর গঞ্জ ৬ নং ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বার্ষিক ক্যাম্পেইন, র‍্যালি ও ভিডিও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। (১০জুন ২০২৬) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নে ‘বাংলাদেশেআলোচনা সভা শেষে। একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালি শেষে গ্রাম ১১ আদালত বিষয়ক।ভিডিও প্রদর্শনী করা হয়। ভিডিও প্রদর্শনীর পর অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ অন্যান্য অতিথিরা বক্তব্য রাখেন।




রামগড়ে মাদক সেবন ও মাতলামির অপরাধে আটক ৩ যুবক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ‎‎

নিজস্ব প্রতিবেদক রামগড় ‎

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌর এলাকায় মাদক সেবন ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে মাতলামি করার অপরাধে আটক ৩ যুবককে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছে রামগড় থানা পুলিশ।‎‎‎আজ (১০ জুন) তাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড় থানা পুলিশের একটি চৌকস দল রামগড় পৌরসভার ০১নং ওয়ার্ড শশ্মানটিলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে মাদক সেবন করে প্রকাশ্যে মাতলামি ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপরাধে ঐ এলাকা থেকেই হাতেনাতে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়।‎‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলে,মোঃ আলা উদ্দিন (২৯), পিতা- আবুল হোসেন,মোঃ আবুল কাশেম (২৪), পিতা- মাহবুবুল হক,‎মিঠুন নন্দি (২৫), পিতা- হারাধন নন্দি আসামি ৩ জনের বাড়ি রামগড় পৌরসভার ০১নং ওয়ার্ডের শশ্মানটিলা এলাকায়।‎‎‎এলাকাবাসীর দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন কঠোর অবস্থানকে তারা সাধুবাদ জানান।‎‎‎ রামগড় থানা পুলিশ সূত্রে জানা, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মাদক নির্মূল করতে তাদের এই চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।




নরসিংদীর শিবপুরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের সফট স্কিল ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্ধোধন

আবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।।

নরসিংদীর শিবপুরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর অধীনে সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়িত বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৯ জুন ২০২৬ ইং মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। আগামী ১৮ জুন পর্যন্ত চলমান এ প্রশিক্ষণে উপজেলার নির্বাচিত প্রান্তিক পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করছেন।প্রশিক্ষণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এর উপপরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান সরদার, প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাফিস শরীফ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কে এম আবু রায়হান।প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে প্রকল্পের কার্যক্রম ভিত্তিক ভিডিও প্রদর্শন,অতিথিদের বক্তব্য এবং অংশ গ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য প্রান্তিক আদি পেশাজীবীদের টেকসই উন্নয়নে উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষে সক্ষমতা বৃদ্ধি,পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার, আধুনিকীকায়ন,বিপণন ও পরিবেশ বান্ধব পণ্য ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে অংশীজনের ভূমিকায় অবতীর্ণ করা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে যুগোপযোগী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান। উদ্যোক্তা সৃজনের মাধ্যমে প্রান্তিক পেশাজীবীগোষ্ঠির সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণ।উল্লেখ্য,প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার প্রান্তিক ও আদিবাসী পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ, উৎপাদন সহায়তা,বিপণন সুবিধা ও আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। কামার, কুমার, বাঁশ,বেত শিল্প,কাঁসা,পিতল শিল্প তাঁত,লোকজ বাদ্যযন্ত্র নির্মাণ,নকশিকাঁথা ও শীতলপাটি তৈরিসহ ১০টি পেশার কর্মীদের উন্নয়নে প্রকল্পটি কাজ করছে।