চান্দিনায় অজিত সিংহের বিদেহী আত্মার সৎগতি কামনায় পারলৌকিক ক্রিয়াদি অনুষ্ঠিত

তাপস চন্দ্র সরকার।।

গেলো পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বুধবার বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিট এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি এডভোকেট অমিত কুমার সিংহের পিতা অজিত কুমার সিংহের বিদেহী আত্মার সৎগতি কামনায় অশৌচান্ত পারলৌকিক ক্রিয়াদি অনুষ্ঠিত হয়।এ উপলক্ষে আজ ৩রা বৈশাখ শুক্রবার মৃতের নিজ বাড়ী চান্দিনা উপজেলাধীন চিলোড়া সিংহ বাড়ীতে দ্বিপ্রহরে শাকান্ন ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও রাতে রামায়ণ গান পরিবেশন করা হয়। উল্লেখ যে, গেলো ৩রা এপ্রিল শুক্রবার ভোর পৌনে ৬টায় স্বর্গীয় অজিত কুমার সিংহের ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে সাধনোচিত ধামে গমন করিয়াছেন (ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স্ব গচ্ছতুঃ)।




নরসিংদীর জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ জ্বালানি মজুদ উদ্ধার

আবুনাঈমরিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।

।নরসিংদীতে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ইং বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ও ১৭ এপ্রিল প্রথম প্রহরে (রাত ১২:০০টা–২:০০টা) নিয়মিত যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার জিনারদি মূলপাড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম হাসান শুভ এবং এডিশনাল এসপি কলিমুল্লাহ, সঙ্গে ছিল একটি চৌকস টিম।অভিযানকালে উক্ত স্থানে বেআইনিভাবে মজুদকৃত প্রায় ৯,০০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ডিজেল তাৎক্ষণিকভাবে বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং মাধবদীর ভাগিরথপুর এলাকায় অবস্থিত এম এম কে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের নিকট সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি লিটার হিসেবে মোট ৮,৬৭,৫১০/- টাকায় বিক্রয় করা হয়। প্রাপ্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যেহেতু দিনটি শুক্রবার হওয়ায় ব্যাংক বন্ধ ছিল, তাই পরবর্তী কার্যদিবসে অর্থ জমা প্রদান করা হবে।অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪০ ধারা এবং পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ২০(১) ধারা অনুযায়ী যথাক্রমে ৫০,০০০/- টাকা ও ১০,০০০/- টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। সর্বমোট ৬০,০০০/- টাকা জরিমানা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,জনস্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কংগ্রেসম‍্যন সুয়ালওয়েলের পদত্যাগ

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ইউএস কংগ্রেস থেকে এরিক সুয়ালওয়েল পদত্যাগ করেছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি সুয়ালওয়েল। তিনি সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, যৌন নিপীড়ন ও অসদাচরণের অভিযোগের মুখে ইউএস কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার এই প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতার জন্য এটি এক নাটকীয় পতন যিনি রাজ্য গভর্নর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করছিলেন। একই সঙ্গে, এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর প্রত্যাবর্তনের পর কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়া ‘#মি-টু‘ আন্দোলনের বিরল পুনরুত্থানের ইঙ্গিতও দিচ্ছে।প্রতিনিধি পরিষদে সপ্তম মেয়াদে থাকা সুয়ালওয়েল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে এগিয়ে ছিলেন। বর্তমান গভর্নর গ্যাভিন নিউসম-এর উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে তিনি অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিলেন, যা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল ও ধনী রাজ্যের নেতৃত্বে পৌঁছানোর সম্ভাবনায় এগিয়ে রাখছিল।খবর আইবিএননিউজ ।কিন্তু শুক্রবার পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়, যখন সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকল-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তার সাবেক এক সহকারী অভিযোগ করেন, সুয়ালওয়েল তাকে দুইবার যৌন নিপীড়ন করেছেন। এরপরপরই সিএনএন-এ প্রচারিত প্রতিবেদনে আরও তিনজন নারী পৃথকভাবে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ তোলেন।সুয়ালওয়েল শুরুতে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে এসব গুরুতর প্রতিবেদনের পর ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ তার প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়, ফলে রবিবার রাতে তিনি গভর্নর পদে নিজের প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন।এই বিতর্ক দ্রুত ক্যাপিটল হিলে ছড়িয়ে পড়ে। উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের একটি ক্রমবর্ধমান অংশ সুয়ালওয়েলকে কংগ্রেস থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানাতে শুরু করেন। অন্যথায়, ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রতিনিধি আনা পলিনা লুনা তাকে বহিষ্কারের প্রস্তাব আনতে প্রস্তুত ছিলেন।কংগ্রেস থেকে কাউকে বহিষ্কার করতে হলে প্রতিনিধি পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন—যা একটি উচ্চ মানদণ্ড। তবে পরিস্থিতি যে সুয়ালওয়েলের জন্য দ্রুত কঠিন হয়ে উঠছিল, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন কিছু ডেমোক্র্যাট সদস্যও প্রকাশ্যে তাকে বহিষ্কারের পক্ষে মত দেন।এই তালিকায় ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি জ্যারেড হাফম্যান-এবং অ্যারিজোনার সিনেটর রুবেন গায়েগো-যিনি সুয়ালওয়েলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেও পরিচিত। গালেগো সোমবার বলেন, “তিনি আর কংগ্রেসের সদস্য থাকার উপযুক্ত নন।”তিনি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আমি যাকে বন্ধু মনে করতাম, তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু এখন স্পষ্ট, তিনি সেই মানুষ নন যাকে আমি চিনতাম। যারা সামনে এসে অভিযোগ করেছেন, তারা সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস করা উচিত, তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা উচিত।’চাপ দ্রুত বাড়তে থাকায় এবং সম্ভাব্য বহিষ্কার ভোট সামনে আসায়, সোমবার সন্ধ্যায় সুয়ালওয়েল পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক সংক্রান্ত কিছু অভিযোগের ভিত্তি থাকতে পারে, তবে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তবুও তিনি বলেন, পরিবার ও নির্বাচনী এলাকার মানুষের স্বার্থে তিনি ব্যক্তিগত নাগরিক হিসেবে অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়বেন।তিনি বলেন, “আমার অতীতের বিচারবোধের ভুলের জন্য আমি পরিবার, স্টাফ ও নির্বাচকদের কাছে গভীরভাবে দুঃখিত। আমার বিরুদ্ধে আনা গুরুতর মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে আমি লড়ব। তবে আমি যে ভুল করেছি, তার দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে।”সুয়ালওয়েলের পদত্যাগের কিছুক্ষণ পরই টেক্সাসের রিপাবলিকান প্রতিনিধি টনি গঞ্জালেস যিনি নিজেও যৌন অসদাচরণের অভিযোগের মুখে ছিলেন, কংগ্রেস ছাড়ার ঘোষণা দেন।তিনি লেখেন, ‘প্রত্যেক কিছুরই একটি সময় আছে এবং ঈশ্বরের আমাদের জন্য একটি পরিকল্পনা রয়েছে। কংগ্রেস কাল পুনরায় অধিবেশন শুরু করলে আমি আমার অবসর গ্রহণের আবেদন জমা দেব। টেক্সাসের মানুষের সেবা করা আমার জন্য গৌরবের ছিল।’আধুনিক সময়ে কংগ্রেস থেকে কাউকে বহিষ্কার করা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। সাধারণত নৈতিকতা কমিটি বা অপরাধ তদন্তের ফলাফল না আসা পর্যন্ত এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিউইয়র্কের সাবেক প্রতিনিধি জর্জ সান্তোস-কে বহিষ্কার করা হয়েছিল, যখন নৈতিকতা কমিটি তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।সুয়ালওয়েলও এ বিষয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, “অভিযোগ ওঠার কয়েক দিনের মধ্যেই যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে বহিষ্কার করা ঠিক নয়। তবে একই সঙ্গে এটাও ঠিক নয় যে, আমার কারণে আমার নির্বাচকদের সেবা বাধাগ্রস্ত হোক।”অন্যদিকে, লুনা বলেন, সুয়ালওয়েল পদত্যাগ করে ‘সঠিক কাজ’ করেছেন, তবে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের যথেষ্ট কারণ ছিল। তিনি আরও দাবি করেন, ‘এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি তদন্ত হওয়া উচিত, এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তিনি জেলেও যেতে পারেন।’এই ঘটনাপ্রবাহ ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বের জন্য নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তারা যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্কগুলোকে নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছিল, সেখানে নিজেদের দলের সদস্যদের ঘিরে কেলেঙ্কারি সেই বার্তাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।ক্যাপিটল হিলে সুয়ালওয়েল ছিলেন সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তিনি ডেমোক্র্যাটদের স্টিয়ারিং অ্যান্ড পলিসি কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার পর ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসন প্রক্রিয়ায় অন্যতম প্রধান ডেমোক্র্যাট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তবে বিতর্ক এখানেই শেষ নয়। ফ্লোরিডার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি শিলা চেরফিলাস-ম্যাককরমিক এবং রিপাবলিকান প্রতিনিধি কোরি মিলস-এর বিরুদ্ধেও পদত্যাগের দাবি বাড়ছে।একটি হাউস এথিকস সাবকমিটি গত মাসে জানায়, শেরফিলাস-ম্যাককরমিকের বিরুদ্ধে আনা ২৭টির মধ্যে ২৫টি নৈতিক লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি অবৈধভাবে প্রাপ্ত ফেডারেল দুর্যোগ তহবিলের অর্থ ব্যবহার করে নিজের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। এ বিষয়ে ২১ এপ্রিল শুনানি নির্ধারিত হয়েছে।এদিকে, ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রতিনিধি গ্রেগ স্টুব ইতোমধ্যেই তাকে বহিষ্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন, যা লুনা সমর্থন করার ঘোষণা দিয়েছেন।অন্যদিকে, মিলসের বিরুদ্ধে নির্বাচনী অর্থায়ন আইন লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, যৌন অসদাচরণ এবং কংগ্রেসের সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত চলছে।সব মিলিয়ে, সুয়ালওয়েলকে ঘিরে এই কেলেঙ্কারি কেবল একজন রাজনীতিকের পতনই নয়, বরং ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন এক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।




প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ে মতবিনিময় সভা

নাজমুল ইসলাম নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

কওমী মাদ্রাসা বিষয়ে ঘোষিত ইশতেহার বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারাবে-মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাইগত ১৩ এপ্রিল, সোমবার দুপুরে বিএমএ মিলনায়তনে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত “দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে আমাদের করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শায়েখে চরমোনাই উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতী রেজাউল করীম আবরার এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেফাকুল মাদারিসির আরাবিয়া’র সাবেক পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফ আল মাদানী।




শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ মাহফুজুর রহমান

মোঃ মাহফুজুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার

ঠাকুর গাঁও জেলা বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম গভঃ রেজি নং এস -৪২১৯৯-১৮- সাংবাদিক কল্যাণ ও মানবাধিকার সংগঠন ও জিয়া সাইবার ফোর্স পীর গঞ্জ উপজেলা আহবায়ক ও উপজেলা প্রেস ক্লাব সহ সভাপতি ও মুভি বাংলা টিভি স্টাফ রিপোর্টার ও বাংলাদেশের খবর পীর গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক গণতদন্ত স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান এক সাক্ষাৎকারে বলেন পহেলা বৈশাখ আমাদের সকল সঙ্কীর্ণতা, পরিহার করে উদার নৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের মনের ভিতরের সকল ক্লেশ, জীর্ণতা দূর করে আমাদেরকে নতুন উদ্দমে বাঁচার প্রেরণা দেয়। আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়। অন্য দিকে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন বাঙালির একটি সার্বজনীন লোকউৎসব। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদযাপিত হয় নববর্ষ। ভোরের প্রথম আলো রাঙিয়ে দেবে নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর সম্ভাবনাকে। আবার আসবে বৈশাখ মাস, চৈত্রের অবসানে। নববর্ষের নতুন হাওয়া, উষ্ণতা দিবে প্রানে। মনের সকল গ্লানি ভুলে, জীবন নতুন ভাবে গড়বে, আবার নতুন স্বপ্ন দেখবে নববর্ষের টানে। ঢাক ঢোল মাদলের তালে রং বেরঙের মনের দেয়ালে বাঙালি সংস্কৃতি উজ্জীবিত থাক যুগে যুগে। মুছে যাক সকল কলুষতা, শান্তির বার্তা পৌছে যাক বাঙালির প্রতি ঘরে ঘরে। নববর্ষে নবরূপ রাঙিয়ে দিক প্রতিটি মুহূর্ত, সুন্দর সমৃদ্ধ হোক আগামীর দিনগুলো। শুভ নববর্ষ।




ভাঙ্গুড়ার বাঁশবাড়িয়ায় ভেঙে পড়া সাবমারসিবল সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

রিপোর্টার, জাকারিয়া (পাবনা)

পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামে সাবমারসিবল সড়কটি বর্ষার পানিতে ভেঙে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো মেরামতের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানির চাপ ও স্রোতের কারণে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এই সাবমারসিবল সড়কটি ভেঙে যায়। ফলে গ্রামবাসীর চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। বর্তমানে সড়কটির ভাঙা অংশ দিয়ে কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে পারাপার করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা।এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি ভেঙে যাওয়ার পর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।বিশেষ করে জরুরি সময়ে রোগী পরিবহন করতে না পারায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।দ্রুত সংস্কার না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে—এমন আশঙ্কা স্থানীয়দের। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কবে নাগাদ এ সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।




“নরসিংদী জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আবুনাঈম রিপন :নরসিংদী প্রতিনিধি।।

নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ১২ইং এপ্রিল রবিবার,আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক, নরসিংদী, ইসরাত জাহান কেয়া।এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, খায়রুল কবির খোকন, সংসদ সদস্য, নরসিংদী-১; নরসিংদী জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার, মোঃ আবদুল্লাহ্‌-আল-ফারুক প্রমুখ।এছাড়াও সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।




নওগাঁর মান্দায় এমইপি গ্রুপের বর্ণাঢ্য ‘সহযোগী সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর মান্দায় ইলেকট্রনিক পণ্য বিপণন ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এমইপি (MEP) গ্রুপের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ‘সহযোগী সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার মান্দা উপজেলার কুসুম্বা সীমানা কফি হাউসে দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। রাজশাহী ডিভিশনের (টিএসএস) শহিদ রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমইপি গ্রুপের রাজশাহী ডিভিশনের (ডি.এস.এস) মোঃ আব্দুস সোবহান।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোয়ার জাহিদ তন্ময় এবং উপজেলা পরিবেশক সুরুত আলী সরকার (ঝড়ু)সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভায় কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আধুনিক ব্যবসায়িক কৌশল, বাজার সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।দিনব্যাপী আয়োজনে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে কোম্পানির পক্ষ থেকে ‘Top Seller’ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ বিক্রেতাদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।সবশেষে একটি আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা এমন আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এমইপি গ্রুপের সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন উদ্দীপনা প্রকাশ করেন।#




নরসিংদীর শিবপুরে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ডিজেল উদ্ধার

আবুনাঈমরিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।।

নরসিংদীর শিবপুরে ৫ইং এপ্রিল রবিবার দিবাগত রাত ৩.০০ ঘটিকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে সংলগ্ন কুন্দারপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শিবপুর মুঃ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে হাইওয়ের পাশে বেশ কয়েকটি টিনের তৈরী গুদাম ঘরে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৮০০ লিটারের ০৪ ব্যারেল ডিজেল, ৪০ লিটারের ০১ টি ডিজেল কনটেইনার এবং ০৫ লিটারের একটি পেট্রোল কনটেইনারসহ সর্বমোট ৮৪৫ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে সংলগ্ন বন্ধু হোটেল এ কুন্দারপাড়া নিবাসী মোঃ আল-আমিন পিতাঃ আবু তাহের নামক এক ব্যক্তি অবৈধভাবে প্রায় ৪০০ লিটার ডিজেল মজুদ রাখায় পেট্রোলিয়াম আইন,২০১৬ এ ০৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০,০০০/= অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে পুনরায় দুপুর ৩.০০ টার পর কুন্দারপাড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হাইওয়ের পাশে কয়কটি গুদামঘরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছা: ফারজানা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সহকারী কমিশনার(ভূমি), অফিসার ইনচার্জ,কোহিনুর মিয়া,প্রমুখ।এসময় সার্বিক সহোযোগিতা করেন। শিবপুর মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে ২ টি গুদামঘর হতে ৮০০ লিটার অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিজেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় মজুদকারী কাউকে না পাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।




নওগাঁর বদলগাছীতে বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

নাজমুল ইসলাম (নওগাঁ জেলা) প্রতিনিধি।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় জমির খাজনা আদায়ের নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গালাগাল ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।গত বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে বলে। ভুক্তভোগী হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান টুটুল অভিযোগ করেন, একই খতিয়ানের আওতাধীন মোট জমির ওপর খাজনা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে তিনি মাইকিং করছিলেন। এ সময় তাঁকে জোরপূর্বক ইউএনও কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।নারী সেজে তেল নিতে গিয়ে ধরা খেলেন যুবকনারী সেজে তেল নিতে গিয়ে ধরা খেলেন যুবকভুক্তভোগী টুটুল উপজেলার কোলাহাট ইউনিয়নের কয়াভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। তিনি জানান, তাঁর নামে মাত্র পাঁচ কাঠা জমি থাকলেও খতিয়ানের মোট প্রায় ৯ একর জমির খাজনা পরিশোধ না করলে ভূমি অফিস খাজনা গ্রহণ করে না। এই নিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে তিনি ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানে মাইকিং করছিলেন।তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সময় এসি ল্যান্ডের ড্রাইভার সুমন হোসেন তাঁকে ধরে ইউএনওর কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে ইউএনও তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ওয়েট পেপার ছুড়ে মারেন, যা তাঁর বুকে আঘাত করে। পরে ড্রাইভারও তাকে ঘুষি মারেন। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে টুটুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।প্রত্যক্ষদর্শী সাদেকুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, ‘ওই ব্যক্তি ভূমি অফিসের সামনে মাইকিং করছিলেন। তাঁকে ভ্যানসহ ইউএনও অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শুনেছি তাঁকে মারধর করা হয়েছে। কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ করলেই যদি এভাবে দমন করা হয়, তাহলে আমরা কোন দেশে বাস করছি?’এদিকে ভ্যানচালক ফাহিম জানান, তাঁকেও আটক রাখা হয়েছিল এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হলেও মাইকটি রেখে দেওয়া হয়।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসি ল্যান্ডের ড্রাইভার সুমন হোসেন বলেন, ‘আমি শুধু গাড়ি চালাই। পুলিশ তাকে নিয়ে আসে, আমি শুধু নিয়ে গেছি। মারধরের অভিযোগ সত্য নয়।’বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ‘ওই সময় সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছিল। এসি ল্যান্ড, পুলিশ ও ড্রাইভার উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।’তবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।ইউএনও ইসরাত জাহান ছনি মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অফিসে ডাকা হয়েছিল। তিনি কার প্ররোচনায় মাইকিং করছিলেন, সেটি জানতে চাওয়া হয়। আইনটি ইউএনও বা এসি ল্যান্ড তৈরি করেনি। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি নিজে খোঁজখবর নিয়েছি। কিন্তু এর সত্যতা পাইনি। কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে একজন নাগরিককে ইউএনওর মারধরের প্রশ্নই আসে না। আমি এর কোনো সত্যতা পাইনি। আপনারা ভালো করে খোঁজখবর নিয়ে দেখতে পারেন।’এদিকে ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে খতিয়ানের মোট জমির পরিবর্তে ব্যক্তিগত মালিকানার অংশ অনুযায়ী খাজনা গ্রহণের নিয়ম চালুর দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগীসহ এলাকাবাসী।