সেচ সুবিধায় আনন্দিত কৃষক, নেই কোনো অভিযোগ।
মাহবুব আলম, অষ্টগ্রাম প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের পাওন–২ ও পাওন–৩ সেচ প্রকল্পে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে এ দুটি সেচ প্রকল্পে পানির কোনো অভাব নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।সরেজমিনে গিয়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সেচ প্রকল্প দুটির ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের ভুইয়া শুরু থেকেই কৃষকদের সাথে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করে আসছেন। তিনি সময়মতো কৃষি জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করায় কৃষকরা স্বস্তিতে আছেন।স্থানীয় কৃষক মোঃ বাবুল পাঠান বলেন, “আগে অনেক সময় জমিতে পানি পেতে দেরি হতো। কিন্তু এ বছর সময়মতো পানি পাচ্ছি, তাই ফসলের অবস্থা ভালো আছে।”আরেক কৃষক মোঃ রেজু ভুইয়া বলেন, “সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার আমাদের সাথে ভালো ব্যবহার করেন এবং কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করেন। এ বছর পানির কোনো সংকট হয়নি।”কৃষক মোঃ মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “সময়ের মধ্যে জমিতে পানি পাওয়ায় ধান চাষে আমরা বেশ স্বস্তিতে আছি। এমন ব্যবস্থাপনা থাকলে কৃষকরা উপকৃত হবে।”কৃষকরা আরও জানান, সেচ প্রকল্পের স্কীম চার্জ নিয়েও তারা সন্তুষ্ট। তাদের মতে, নির্ধারিত ও সহনীয় হারে স্কীম চার্জ নেওয়া হচ্ছে এবং এতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চাপ নেই। ফলে কৃষকরা স্বচ্ছভাবে সেচ সুবিধা পাচ্ছেন।এ বিষয়ে সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার মোঃ আবু তাহের ভুইয়া বলেন, “কৃষকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমরা নিয়মিতভাবে সেচ কার্যক্রম তদারকি করছি। যাতে কোনো কৃষক পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সময়মতো সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় চেষ্টা করছি।”এদিকে স্থানীয়রা মনে করছেন, সেচ প্রকল্পগুলো এভাবেই সঠিকভাবে পরিচালিত হলে এলাকার কৃষি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।