Dhaka Edge

ডিসেম্বর ১, ২০২৫

image_pdfimage_print

মাহিদুলকে না খেলানো প্রসঙ্গে টেইট, ‘যারা দল ঠিক করে, তাদের জিজ্ঞেস করুন’

শন টেইটের দায়িত্ব বাংলাদেশ দলের পেস বোলারদের দেখভাল করা। তবে আজ তিনি সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন দলের প্রতিনিধি হয়ে। স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় দল–সংক্রান্ত নানা প্রশ্নই ধেয়ে গেল টেইটের কাছে। তবে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার সেসব প্রশ্নের বেশির ভাগই এড়িয়ে গেছেন ‘আমি নির্বাচক নই’ মন্তব্য করে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন ১-১ ব্যবধানে সমতা। মঙ্গলবার সিরিজ-নির্ধারণী ম্যাচে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল। ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এটাই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের টিম কম্বিনেশন তৈরি, বিকল্প খেলোয়াড়দের পরখ করে দেখারও শেষ সুযোগ ছিল এই সিরিজ। এমন ভাবনা থেকেই শামীম হোসেনকে বাদ দিয়ে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির দলে নেওয়া হয় মাহিদুল ইসলামকে। কিন্তু কোনো ম্যাচেই একাদশে সুযোগ পাননি এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। তৃতীয় টি-টোয়েন্টির দলে শামীমকে যুক্ত করা হয়েছে। স্কোয়াডে রাখা হয়েছে মাহিদুলকে। কেন তাঁকে প্রথম দুই ম্যাচের একাদশে নেওয়া হয়নি—এক সাংবাদিকের এমন জিজ্ঞাসা ছিল টেইটের কাছে। তবে জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের এই সদস্য প্রশ্নটা ‘পাস’ করেছেন, ‘যারা দল ঠিক করে, তাদের জিজ্ঞেস করুন।’বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের পরের ব্যস্ততা বিপিএলকে ঘিরে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্ট শেষ হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তাহ দুয়েক আগে। বিপিএল ও প্রস্তুতি ম্যাচ মিলিয়ে বিশ্বকাপের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি হয়ে যাবে বলে মনে করেন টেইট। তবে এক মাসের লম্বা বিপিএলে পেসারদের চোটের ঝুঁকিও যে আছে, সেটাও জানা তাঁর। যদিও এ নিয়ে বাস্তবতায় পা রাখার পক্ষে টেইট, ‘আমি চোটের শঙ্কা নিয়ে ভীত নই। এটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। ভালো দিক হচ্ছে, খেলোয়াড়েরা বিশ্বকাপের আগে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে। চোট যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায় হতে পারে, এটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। বিশ্বকাপের সূচিও আমার হাতে নেই। কারণ, আমি পেস বোলিং কোচ।’

মাহিদুলকে না খেলানো প্রসঙ্গে টেইট, ‘যারা দল ঠিক করে, তাদের জিজ্ঞেস করুন’ Read More »

সুন্দরবনের গল্প নিয়ে আসছেন শ্বেতা

১০ বছর আগে নীরজ ঘেওয়ানের ‘মাসান’ দিয়ে পরিচিতি পান শ্বেতা ত্রিপাঠি। পরের এক দশকে তাঁকে দেখা গেছে ‘মির্জাপুর’, ‘ইয়ে কালি কালি আঁখে’, ‘মেড ইন হেভেন’, কালকূট’ ইত্যাদি আলোচিত সিরিজে। প্রযোজক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন তিনি। ‘মুঝে জান না কহো মেরি জান’-এর পর শ্বেতার প্রযোজনা সংস্থা বান্দরফুল ফিল্মসের ব্যানারে এবার তৈরি হবে নতুন ছবি ‘নাভা’। সুন্দরবনকে ঘিরে রহস্য-ভয়ের গল্পআকাশ মাহিমির চিত্রনাট্যে ‘নাভা’র গল্প আবর্তিত হয়েছে সুন্দরবনের জলাভূমিকে কেন্দ্র করে। কেন্দ্রীয় চরিত্র তারা, যিনি বহু বছর পর ফিরছেন নিজের পূর্বপুরুষের বাড়িতে। ফেরার পরই তিনি জড়িয়ে পড়েন বহু প্রজন্মজুড়ে চলা এক রহস্যে; যেখানে আছে নদী দেবতার উপাখ্যান, গোপন পারিবারিক অতীত আর মিথ। লোককথা ও হররের আবহে দর্শকদের রোমাঞ্চকর এক গল্প উপহার দিতে চান শ্বেতা। তাঁর ভাষ্যে, ‘আমি বৈচিত্র্যময় গল্প উপহার দিতে চাই। আগের ছবি ভালোবাসার গল্প বলেছিল, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন আবেগের জগতে ঢুকতে চেয়েছি। লোককথায় বোনা হরর মানুষের মনে দাগ কাটতে পারে। সুন্দরবন এখানে শুধু পটভূমি নয়; মূল চরিত্র, যে রক্ষা করে আবার ভয়ও দেখায়।’ শ্বেতা জানান, চিত্রনাট্য শুনেই ছবিটি প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ‘প্রযোজক হিসেবে এমন গল্প বেছে নিতে চাই, যা দর্শককে ঝাঁকুনি দেবে। শেষ হওয়ার পরও মনে গভীর ছাপ রেখে যাবে,’ বলেন তিনি। প্রযোজনায় নতুন দিগন্তআগে একটি ছবি প্রযোজনা করলেও ‘নাভা’ দিয়েই পুরোদস্তুর প্রযোজক হিসেবে যাত্রা শুরু করতে চলেছেন শ্বেতা। ‘প্রথম সিনেমাটি ছিল নিরীক্ষাধর্মী প্রকল্প, প্রযোজক হিসেবে আমার জন্য শিক্ষাসফরের মতো। এখন থেকে নিয়মিত প্রযোজনা করব,’ বলেন তিনি।শ্বেতার লক্ষ্য এমন ভারতীয় গল্প তুলে ধরা, যা চরিত্রনির্ভর ও প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে মাটির গল্প বলে। তিনি বলেন, ‘এমন গল্পই বেছে নিতে চাই, যা আমার হৃদয় থেকে সরাসরি দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছাবে। আলাদা সংস্কৃতি আর আলাদা দেশের মানুষের মনেও যেন ছুঁয়ে যেতে পারে আমার কাজ, সেটাই লক্ষ্য থাকবে।’

সুন্দরবনের গল্প নিয়ে আসছেন শ্বেতা Read More »

বাংলালিংকের নতুন লোগো উন্মোচন 

নিজেদের নতুন লোগো উন্মোচন করেছে দেশের বেসরকারি মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক। এটিকে অত্যাধুনিক, গ্রাহককেন্দ্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর অপারেটর হিসেবে রূপান্তরে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলালিংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, নতুন পরিচয় বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন গ্রুপের বৈশ্বিক লক্ষ্য সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতেও ভূমিকা রাখবে। ভিওনের লক্ষ্য ‘ডিজিটাল অপারেটর অ্যাম্বিশন’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতের সেবা ও পরিসরকে ডিজিটালভাবে এবং গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও সমৃদ্ধ করা। বর্তমানে যোগাযোগ, শিক্ষা, কাজ কিংবা বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই মানুষ ডিজিটাল কানেকটিভিটির ওপর নির্ভরশীল। বাংলালিংকের নতুন এই ব্র্যান্ড পরিচয় উন্নততর ডিজিটাল সেবা দেওয়ার মাধ্যমে সমাজের ক্ষমতায়নে ভিওনের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, বিনোদন উপভোগ, সেলফ-কেয়ার অ্যাপ ব্যবহার কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং গ্রাহকের দৈনন্দিন জীবনের সব ধরনের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে সহজ, নির্ভরযোগ্য ও অর্থবহ করতে নতুন এ ব্র্যান্ড ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলালিংক নতুন এক যুগে প্রবেশ করেছে। অপারেটরটির লক্ষ্য শুধু নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী হিসেবে নয়, বরং গ্রাহকদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের কোটি মানুষকে সেবা প্রদান করা। বাংলালিংকের প্রতিটি সেবা শুরু হয় গ্রাহকের প্রয়োজন অনুধাবন করার মধ্য দিয়ে আর শেষ হয় তাদের প্রতিদিনের জীবনের প্রতিটি প্রয়োজন যত্নের সঙ্গে সমাধান করার মাধ্যমে। লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, ‘নতুন এই ব্র্যান্ড পরিচয় শুধু বাহ্যিক পরিবর্তন নয়। এটি আমাদের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওনের ডিজিটাল অপারেটরের লক্ষ্য এবং আমাদের গ্রাহকদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যের সাহসী পুনর্ব্যক্তি। আমাদের নতুন পরিচয় গতি, উদ্ভাবন ও অগ্রগতির প্রতীক। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা নির্ভরযোগ্য সংযোগ আর সবার জন্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে চাই। মানুষের জীবনকে আরও সহজ করা এবং অন্যের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত তৈরি করাও আমাদের উদ্দেশ্য।’

বাংলালিংকের নতুন লোগো উন্মোচন  Read More »

ম্যাডাম যখনই বাইর হবে, অন্তত তাঁর গাড়িটা তো দেখতে পাব

‘খুব দেখার ইচ্ছা ম্যাডামকে। দল করি, তাই ম্যাডামের জন্য যদি মরণও হয়, আফসোস নাই। তাঁরে দেখতে না পাইলেও ম্যাডাম যখনই বাইর হবে, অন্তত তাঁর গাড়িটা তো দেখতে পাব। দোয়া করি, আল্লাহ তাঁরে সুস্থ করুক।’ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে কথাগুলো বলছিলেন নীলফামারী থেকে আসা আমজাদ হোসেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। আমজাদ হোসেন বলেন, গতকাল রোববার তিনি ঢাকায় এসেছেন। খালেদা জিয়া যত দিন হাসপাতালে থাকবেন, তিনিও তত দিন এখানে অপেক্ষা করতে চান। এই সময়ে পরিবারের দেখভাল কে করবে, জানতে চাওয়া হয় আমজাদ হোসেনের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘পরিবার চলছে। তিন-চার দিনের খরচ যা লাগে, দিয়ে আইছি।’ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে দেখতে, তাঁর স্বাস্থ্যগত অবস্থার খোঁজখবর নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ভিড় করছেন নেতা-কর্মীরা। আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সরেজমিন এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ভিড় দেখা যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এখানে এসেছেন তাইজুল ইসলাম। তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানান। তিনি বলেন, ‘মনের আকুতি মেটাতে এসেছি। চেষ্টা করব, একনজর দেখার।’ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে এসেছেন আজিজুল হক। তিনিও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, ‘ম্যাডামকে দেখার সুযোগ না পেলেও এখানে এলে একটু ভালো লাগবে, তাই এসেছি। আজ রাতে আবার চট্টগ্রাম ফিরে যাব।’ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এসে দোয়া করছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বলছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেক। তাঁর সুস্থতা দেশের জন্য জরুরি। সকালে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফার্মেসি অ্যাসোসিয়েশনের নেতা-কর্মীদের দেখা যায়। তাঁরা এখানে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন। সংগঠনটির ভাটারা থানার আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘দেশনেত্রী অসুস্থ। তাঁর রোগমুক্তি উপলক্ষে এ আয়োজন। দেশের মানুষের কাছে আমরা আহ্বান জানাই, তাঁরা যেন তাঁর জন্য দোয়া করেন।’ চিকিৎসক ও বিএনপির নেতাদের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। গতকাল তিনি হাসপাতালের শয্যায় অল্প নড়াচড়া করতে পেরেছেন। কথাবার্তায় সাড়াও দিয়েছেন। গত দুই দিনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় কিছুটা উন্নতি থাকলেও এখনো তিনি ঝুঁকিমুক্ত অবস্থায় পৌঁছাননি। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ম্যাডাম যখনই বাইর হবে, অন্তত তাঁর গাড়িটা তো দেখতে পাব Read More »

চিকিৎসকেরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন: মির্জা ফখরুল

বিএনপির চেয়ারপারসনের সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া এখন অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন। চিকিৎসকেরা কাজ করছেন। আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের যুক্ত রেখে তাঁর চিকিৎসা চলছে। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। তাঁর কাছে খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকেরা। মির্জা ফখরুল বলেন, সারা দেশের মানুষ খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চাইছেন। আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে দেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ দেন। বিএনপির একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বিএনপি যদি সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে অবশ্যই দেশকে সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

চিকিৎসকেরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন: মির্জা ফখরুল Read More »

কালের কণ্ঠের ‘ডিক্লারেশন’ কেন বাতিল হবে না, সাবেক ১১ কর্মীর বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ

বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক কালের কণ্ঠের ‘ডিক্লারেশন’ বাতিল প্রশ্নে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রিট আবেদনকারী পত্রিকাটির সাবেক ১১ কর্মীকে তাঁদের বকেয়া পাওনা ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন। দৈনিক কালের কণ্ঠের ‘ডিক্লারেশন’ বাতিল চেয়ে গত ১৩ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন পত্রিকাটির সাবেক ১১ কর্মী। রিটটি শুনানির জন্য আজ আদালতের কার্যতালিকায় ১০৬ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী মানজুর আল মতিন শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী দেবাশীষ দেব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব। পরে আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রথম আলোকে বলেন, কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন কেন বাতিল হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। বকেয়া ও পাওনা বিষয়ে রিট আবেদনকারী সাবেক কর্মীদের প্রতি চেক ইস্যু করেছিল পত্রিকা কর্তৃপক্ষ, যা প্রত্যাখ্যত হয়। সেখানে পর্যাপ্ত তহবিল নেই বলা ছিল। কথা হচ্ছে, যে পত্রিকার অর্থাৎ কালের কণ্ঠের ফান্ড নেই, সেই পত্রিকার ডিক্লারেশন থাকে কী করে? ১৫ দিনের মধ্যে রিট আবেদনকারীদের বকেয়া পাওনা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রিটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর ও কালের কণ্ঠের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরীকে বিবাদী করা হয়। রিটের প্রার্থনায় নিয়মিত প্রকাশনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নিশ্চিতে কালের কণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা হারানোয় কেন পত্রিকাটির ঘোষণাপত্রের অনুমোদন বাতিল করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়। কালের কণ্ঠ পত্রিকা থেকে পদত্যাগ করা বা বরখাস্ত হওয়া রিট আবেদনকারী/সাংবাদিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকাশকের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয় রিটে। রিট আবেদনকারীদের অপর আইনজীবী দেবাশীষ দেব প্রথম আলোকে বলেন, রিটে যেভাবে রুল প্রার্থনা করা হয়েছিল, সেভাবে রুল হয়েছে। একই সঙ্গে রিট আবেদনকারী সাবেক ১১ কর্মীর বকেয়া পাওনা ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কালের কণ্ঠের প্রকাশকের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিট আবেদনের যুক্তি অনুযায়ী, বকেয়া পরিশোধের জন্য রিট আবেদনকারীরা গত ১৭ আগস্ট বিবাদীদের বরাবর আইনি নোটিশ পাঠান। তবে বিবাদীরা (বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কালের কণ্ঠের প্রকাশক) বকেয়া পরিশোধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। নীরব ভূমিকা পালন করেছেন, যা আবেদনকারী/সাংবাদিকদের বঞ্চিত করার অভিপ্রায় প্রকাশ করে। পরিস্থিতিদৃষ্টে কালের কণ্ঠ পত্রিকার নিয়মিত প্রকাশনা অব্যাহত রাখার সক্ষমতা কর্তৃপক্ষ হারিয়েছে। কারণ, রিট আবেদনকারী বা সাংবাদিকদের দেওয়া চেক অপর্যাপ্ত তহবিলের জন্য প্রত্যাখ্যাত হয়। রিট দায়েরের পর গত ১৩ অক্টোবর আইনজীবী দেবাশীষ দেব প্রথম আলোকে বলেছিলেন, চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে অপর্যাপ্ত তহবিল দেখিয়ে তা ফেরত দেওয়া হয়। এ কারণে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটি চালানোর প্রয়োজনীয় অর্থ জোগানে সক্ষমতা হারিয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। ১৯৭৩ সালের প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস (ডিক্লারেশন অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন) অ্যাক্টের ২০ ধারা অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আর্থিক সক্ষমতা হারালে কোনো পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করতে পারেন। এসব যুক্তি তুলে ধরে কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন বাতিল চেয়ে এবং আবেদনকারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়।রিট আবেদনকারী ১১ জন হলেন মো. শাহ আলম, মো. জাহেদুল আলম, কাকলী প্রধান, দেওয়ান আতিকুর রহমান, আবু সালেহ মোহাম্মদ শফিক, কে এম লতিফুল হক, আসাদুর রহমান, মো. রোকনুজ্জামান, শামসুন নাহার, মো. লতিফুল বাশার ও হানযালা হা

কালের কণ্ঠের ‘ডিক্লারেশন’ কেন বাতিল হবে না, সাবেক ১১ কর্মীর বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ Read More »