Dhaka Edge

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

image_pdfimage_print

রমজানের পবিত্রতা রক্ষা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমানো ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির

হাকিকুল ইসলাম খোকন গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি (বিজিপি)’র উদ্যোগে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা, ও নিত্যপ্রয়োজনীয়দ্রব্যের মূল্য কমানো ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এম এ আলীম সরকার সভাপতিত্বে গণ-সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়। (বিজিপি)’র সভাপতি এম এ আলীম সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, পবিত্র মাহে রমজান মুসলিম উম্মাহর জন্য আত্মসংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও নৈতিক শুদ্ধতার মাস। এই মহিমান্বিত মাসের পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।খবর আইবিএননিউজ।বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি মনে করে, রমজানের সময় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; এটি নৈতিক সামাজিক অবক্ষয়েরও বহিঃপ্রকাশ। সাধারণ মানুষ যখন সিয়াম সাধনায় নিয়োজিত, তখন তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী যেমন চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুরসহ অন্যান্য পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা রাষ্ট্র ও ব্যবসায়ী সমাজের যৌথ দায়িত্ব।আমরা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অসাধু মজুতদার ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। টিসিবিসহ অন্যান্য সরকারি বিপণন ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে পণ্য সরবরাহ বৃদ্ধি করতে হবে। বাজার তদারকি জোরদার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আরও সক্রিয় করতে হবে।একই সঙ্গে আমরা ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি আহ্বান জানাই—রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে সম্মান জানিয়ে অতি মুনাফার মানসিকতা পরিহার করুন। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।এম এ আলীম সরকার আরও বলেন, সাম্রাজ্যবাদীদের এজেন্ট পুতুল সরকার মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় হয়েছে। ইউনুস মব সন্ত্রাস সৃষ্টিতে শতভাগ সফলতা অর্জন করেছে। গত আঠারো মাসে মব সন্ত্রাসের ভয়ে জনগণ নির্ভয়ে দীর্ঘনিঃশ্বাস নিতে পারেনি। আঠারো মাস পরে জনগণ নির্ভয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। ইউনুস বাংলাদেশকে তালেবান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করেছে। কিন্তু ইউনুসের তালেবানী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সব পরিকল্পনা ভোটের মাধ্যমে বাংলার জনগণ ব্যর্থ করে দিয়েছে। বাংলার জনগণ বেহেস্তের টিকিও প্রত্যাখ্যান করেছে। তবুও বাংলাদেশকে তালেবান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে দেবে না বাংলার জনগণ। ফয়েজ আহমদের মতো কোনো উপদেষ্টা বিদেশে পালাতে না পারে, সেদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি রাখতে হবে। এম এ আলীম সরকার আরও বলেন, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন, এজন্যে মুহাম্মদ ইউনুস ও সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে বাংলাদেশ গণমূক্তি পার্টির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি সকলকে রমজানের শিক্ষা ধারণ করে সংযম, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সহমর্মিতার চর্চা করার আহ্বান জানান। আরও বক্তব্য দেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা প্রভাষক বিজন হালদার, প্রভাষক মহসিন আলমগীর ও সেলিম রেজা প্রমুখ।বিক্ষোভ সমাবেশে সঞ্চালনা করেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক লেখক অমুল্য কুমার বৈদ্য।

রমজানের পবিত্রতা রক্ষা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমানো ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির Read More »

কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলশী কান্তি রাউতের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

হাকিকুল ইসলাম খোকন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলসী কান্তি রাউত(৭১)সড়ক দুর্ঘটনায় পরলোকগমন করেছেন। আইবিএননিউজকে এ সংবাদ দিয়েছেন এএসএম হামিদ হাসান ।গত বৃহস্পতিবার (১৯ফেব্রুয়ারি) রাতে বাড়ি ফেরার পথে ভোগপাড়া এলাকায় একটি দ্রুতগামী কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কটিয়াদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খানের নেতৃত্বে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অফ অনার প্রদানের মাধ্যমে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়। এছাড়াও কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিমা আফরোজ মারলিজ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করেন।এসময় কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট জালাল উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন খাঁন দিলীপ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পপপপপ প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলশী কান্তি রাউতের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও “৮০ দশকের কটিয়াদি সরকারি কলেজ ছাএ সংসদের ভিপি ছিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া ,কটিয়াদি সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দীন,আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা,আওয়ামী লীগ নেতা আবু ঈসা মনজিল, আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম স্বপন এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও সিনিয়র সংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।

কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তুলশী কান্তি রাউতের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় Read More »

শেষ বিদায়ে দীর্ঘশ্বাস: ড. ইউনুসের শাসনকাল ও ধ্বংসস্তূপের খতিয়ান

— মানিক লাল ঘোষ শোষণ আর নির্যাতনের ইউনুস জমানার অবসান হলো। অবশেষে মুক্তিকামী ও দেশপ্রেমিক মানুষের মনে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরেছে। কোনো উৎসবমুখর পরিবেশে নয়, বরং একরাশ হাহাকার, বিশৃঙ্খলা আর অনিশ্চয়তার চাদরে দেশকে ঢেকে দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনুস পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। কারো কারো মতে, যে আশার বেলুন উড়িয়ে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষাসনে বসেছিলেন, গত কয়েক মাসে তা সজোরে ফেটে গিয়ে জনজীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। তার বিদায়ের কয়েক ঘণ্টা পর যখন আমরা পেছনে ফিরে তাকাই, তখন প্রাপ্তির চেয়ে হারানোর ক্ষতগুলোই বেশি যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ধরা দেয়। আইন, বিচার, সংস্কৃতি—সর্বক্ষেত্রে প্রহসন এবং দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পদদলিত করেছে তার সরকার।সাগর-রুনী হত্যার বিচার করার নামে তিনি যে নাটকীয়তার অবতারণা করেছেন, তা জাতির সাথে এক চরম পরিহাস। অথচ এর আড়ালে আমরা কী দেখলাম? আবরার ফাহাদ হত্যার চিহ্নিত খুনিদের মুক্তি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তোফাজ্জলের মতো নিরপরাধ মানুষকে ‘খাইয়ে-দাইয়ে’ পিটিয়ে হত্যার নৃশংসতা। এমনকি দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দিয়ে সংসদ সদস্য বানানোর মতো দুঃসাহসও দেখিয়েছে ইউনুস প্রশাসন। শীর্ষ সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের মুক্ত করে দিয়ে তিনি দেশকে এক ভয়াবহ নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দিয়েছেন। গুমের শিকার হাজারো মানুষের কথা বলে মাত্র ২৮৭ জনের দায়সারা তালিকা দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, সত্যের চেয়ে রাজনৈতিক এজেন্ডাই তার কাছে মুখ্য ছিল।একদার ‘এশিয়ার রাইজিং টাইগার’ বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, কয়েক লাখ মানুষ নতুন করে বেকার হয়েছে। অথচ গ্রামীণ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর অব্যাহতি দিয়ে এবং বিনা টেন্ডারে স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়ে তিনি নিজের স্বার্থ রক্ষা করেছেন। গাজী টায়ার ধ্বংস করে বিদেশের হাতে বাজার তুলে দেওয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি বজায় রাখা—এসবই কি ছিল তার ‘অর্থনৈতিক মডেল’? বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচারের গল্প শুনিয়েও আদতে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে তিনি চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। উল্টো ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ টাকা ছাপিয়ে দেশের মুদ্রাবাজারকে ধ্বংস করেছেন।ড. ইউনুসের শাসনামলে ২৫০০-এর বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। মাজার ও মন্দির গুঁড়িয়ে দেওয়া, এমনকি কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানোর মতো মধ্যযুগীয় বর্বরতা আমরা দেখেছি। দিপু দাসের মতো মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা যখন প্রাত্যহিক ঘটনায় পরিণত হয়, তখন বুঝতে বাকি থাকে না শাসনযন্ত্র কতটা অকেজো ছিল। সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে আমাদের জাতীয় চেতনায়—ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের স্মৃতিচিহ্ন এবং মুক্তিযুদ্ধের অজস্র ভাস্কর্য ধ্বংসের মাধ্যমে তিনি জাতির শেকড় উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন।স্বাধীনতা বিরোধীদের ওপর ভর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে ভারত-বিরোধিতাকে উস্কে দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করেছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সাথে সখ্যতা বৃদ্ধি করে দেশকে আবার পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেশ বিক্রির যে গোপন চুক্তির অভিযোগ উঠেছে, তা দেশের সার্বভৌমত্বের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়া এবং দেশে ঈদ করার সুযোগ করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি দীর্ঘমেয়াদী জনমিতিক সংকট তৈরি করে গেছেন।ড. ইউনুস চলে গেছেন, কিন্তু রেখে গেছেন এক ঋণে জর্জরিত দেশ এবং গড়ে দৈনিক ৪৮টি খুনের পরিসংখ্যান। তার শাসনকালে ৩০০-এর বেশি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রায় ৬০০ মামলা হয়েছে, যার অধিকাংশ ছিল হত্যা মামলা। এই মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তিনি যে কণ্ঠরোধের সংস্কৃতি চালু করেছেন, তা গণতন্ত্রের জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় বা গ্রামীণ ওয়ালেটের মতো ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য বিস্তারের ধান্দায় তিনি রাষ্ট্রকে ব্যবহার করেছেন। আজ জাতি বুঝতে পারছে, সংস্কারের নামে আসলে তিনি দেশকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করে গেছেন। ইতিহাস তাকে ক্ষমা করবে না।( মানিক লাল ঘোষ : সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি।)

শেষ বিদায়ে দীর্ঘশ্বাস: ড. ইউনুসের শাসনকাল ও ধ্বংসস্তূপের খতিয়ান Read More »

—নতুন বই— মাটি ও মানুষের টানে এবিএম সালেহ উদ্দীন-এর ‘দেশাত্ববোধ,মানবপ্রেম ও স্বকীয়তানির্ভর রচনা ‘

আলোচনাঃহাকিকুল ইসলাম খোকন মাটি ও মানুষের টানে(প্রবন্ধ বিচিত্রা) এবিএম সালেহ উদ্দীনের তৃতীয় প্রবন্ধের বই ।প্রবন্ধ লেখার প্রকৃত কৌশল রক্ষা করে যিনি সাহিত্যকর্মে সচল । আমাদের বাহিতজীবনের নানাবিধ সংকট এবং গতিমন্থরতার মধ্যেও যিনি সর্বদা শিল্প-সংস্কৃতি ও সাহিত্য কর্মে নিস্ত রয়েছেন ,তিনি হলেন কবি ও লেখক এবিএম সালেহ উদ্দীন ।তাঁর রচিত অসংখ্য লেখার ভেতর থেকে বাছাইকৃত প্রবন্ধসমূহ নিয়ে এবার প্রকাশিত হলো ‘মাটি ও মানুষের টানে’।অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ উপলক্ষ‍্যে প্রকাশিত গ্রন্থটির পরতে পরতে লেখকের ভেতররার সংস্কৃতি মনস্কতা,দেশাত্ববোধ,শিল্প-সাহিত‍্যনির্ভর প্রবন্ধমালায় ফুটে উঠেছে । উল্লেখিত গ্রন্থটি মূলত লেখকের শিকড় সন্ধানী মনের একান্ত অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ।শব্দবুননের অখন্ড নিজস্বতায় সমুজ্জ্বল গ্রন্থটিতে পাঠকের মনের খোরাক পাওয়া যাবে । উল্লেখিত বইয়ের প্রতিটি প্রবন্ধের বিষয়াবলী অনুসন্ধানীমূলক ও গবেষণাধর্মী । একথা নির্দ্ধিধায় বলা যায় যে, উক্ত (প্রবন্ধ বিচিত্রা-২) বইটির যথার্থতা ও প্রাসঙ্গিকতা পাঠকের জন্য উপজীব্য হবে এবং তাঁদেরকে উপকৃত করবে ।ঐতিহ্যের নিরিখে সৃজনশৈলী, মননশীলতা,শিল্পবোধ ,সাহিত্যাদর্শ ,স্বাধীনতা,দেশপ্রেম, মানবতাবোধ দর্শন,সমাজচিন্তা,রাজনীতি,রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মজীবনে বহুমুখি প্রতিভা এবং অনন্য বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল ।বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিসৃত অবদানকারী ব‍্যক্তিদের প্রতি অকুন্ঠ শ্রদ্ধাবোধ এবং তাঁদের অবদান সম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্বেও সময়ের ঘূর্ণায়নে অনেকেই সঠিক মূল্যায়নে ইচ্ছুক নন । এক্ষেত্রে লেখকের আবেগ,অনুভূতি অত‍্যন্ত স্পষ্ট ও সত‍্যগ্রাহী । এখানে কোন স্পর্শ কাতরতা ও গোঁজামিল নেই । নিজের বুদ্ধি-বিবেচনায় সত‍্যবোধই হচ্ছে তাঁর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট‍্য । এবিএম সালেহ উদ্দীন রচিত এবারের গ্রন্থে— ‘মহান স্বাধীনতা দিবস ও কিছু বেদনার কথা,ধ্বংস মানুষের কাজ নয়,মহান বিজয় দিবস এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী,আরব‍্য সাহিত‍্যের সমৃদ্ধি এবং আরব‍্য রজনী,ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্বরতা,দালাল সাংবাদিক এবং সুবিধাবাদীদের অবস্থান,স্মৃতির মণিকোঠায় চিত্তরঞ্জন সাহা,রবীন্দ্রনাথের ধর্মবোধ ও সাহিত‍্য মানস,নজরুল সাহিত‍্যে শ্রমিকের অধিকার,স্বাধীনতা দিবসের পটভূমি এবং আজকের প্রত‍্যাশা,বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ভাওইয়া গানের ঐতিহ‍্য,মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার,শহীদ বুদ্ধিজীবী ও এবং আমাদের দায়,বৈশাখের স্মৃতি:ভাড়াক্রান্ত মন, শিশুদের জন‍্য সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান ফিলিস্তিন,গাজায় গণহত‍্যা এবং পশ্চিমা বিশ্ব এবং ‘মাটি ও মানুষের টানে’—প্রবন্ধসমূহ স্থান পেয়েছে । ‘প্রবন্ধ বিচিত্রা-২’ গ্রন্থে বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যের হাজার বছরের ঐতিহ্য এবং ব্যক্তিত্বশীল মানুষের জীবনাচার ও বর্ণাঢ্য বিষয়াদি নিয়ে লেখক এবিএম সালেহ উদ্দীন অত‍্যন্ত সাবলীলভাবে বর্ণনা করেছেন ।প্রকাশিত গ্রন্থটির দীপ্তি নি:সন্দেহে আমাদের পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীকে আলোর পথ দেখাতে সহায়ক হবে ।সমাজের নানারকম বৈপরীত্য নিয়ে বর্তমান সমাজে ইতিহাসে দেশ-মাতৃকা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবোধ বিশ্লেষণের দিকে খুব একটা এগুতে দেখা যায় না । অনেকে জনজীবনের প্রাণশক্তির উন্মেষ ও বুদ্ধিবৃত্তির বিষয় সম্পর্কে ঔদাসিন্য প্রকাশ করেন । আস্তে আস্তে কেন যেন আমরা বড় মানুষদের অবদানের কথা ভুলে যেতেবসেছি ।বুদ্ধিবৃত্তির সবচেয়ে বড় ঘাটতি হচ্ছে , জাগ্রতচিত্তের মানুষের ভেতরকার অনৈক্য এবং দৃষ্টিভঙ্গির অসামনন্জস্যতার বহিঃপ্রকাশ । আবার অনেকে সমাজ ও রাষ্ট্রগত সুবিধার দিকে ঝুঁকে গিয়ে বুদ্ধিবৃত্তির আসল সত্তাকে আড়াল করে ফেলেন এবং অতীতের ঐতিহ্যগাঁথা ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতে চান না ! এধরণের অমনোযোগিতা কারো কাম্য নয় ।আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের দিক-দর্শনের আলোকে সমাজ,দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধক সংস্কৃতি সম্পর্কে আমরা বিস্মৃত থাকতে পারি না । কবি এবিএম সালেহ উদ্দীনের সদ্য প্রকাশিত’প্রবন্ধ বিচিত্রা-২’ বইটি পাঠকের আশাবোধ শতভাগ আশা পূরণ করতে পারবে; তা নয় । তবে,এই বইটি প্রকাশের মধ্যদিয়ে আমাদের কৃতিমান মানুষদের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও জীবনের আদর্শ থেকে অনাগত প্রজন্ম এবং আমরা উপকৃত হতে পারব । বইটি পড়ার মাধ্যমে আমাদের মনোজগতের অরুদ্ধ দ্বার উন্মোচনের পথ কিছুটা হলেও খুলে যেতে পারে ।সবদিক বিচার করলে নি:সন্দেহে বলা যায় যে, বইটির আবেদন কখনই ফুরাবে না এবং পাঠক উপকৃত হবেন । বইটি প্রকাশ করেছে ঢাকার প্রকাশনা সংস্থা হাওলাদার প্রকাশনী । ঢাকার জি জি আর্ট প্রেস থেকে উন্নতমানের কাগজে ঝকঝকে ছাপাকৃত গ্রন্থটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ,মোস্তাফিজ কারিগর । দামি কাগজের পুস্তানি ও টেকসই বাধাইকৃত বইটির মূল্যঃ ৪০০টা $২০ ডলার । বইটি অমর একুশে বইমেলা এবং নিউইয়র্ক বইমেলায় পাওয়া যাবে । এছাড়া রকমারি ডট কম থেকেও সংগ্রহ করা যাবে ॥লেখকঃহাকিকুল ইসলাম খোকনসিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবংসম্পাদক, বাপসনিউজ ।

—নতুন বই— মাটি ও মানুষের টানে এবিএম সালেহ উদ্দীন-এর ‘দেশাত্ববোধ,মানবপ্রেম ও স্বকীয়তানির্ভর রচনা ‘ Read More »

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাইতে গেলে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কিশোরী আমেনা বেগমকে গনধর্ষণের পর হত্যা

আবুনাঈমরিপন:স্টাফ রিপোর্টার : নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে প্রায় ১৫ দিন পর কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে জোর পূর্বক তুুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহিষাশুড়া ইউনিয়ন এর বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান,তার ছেলে ইমরান দেওয়ান,ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব,এবায়দুল্লাহ এবং মোঃ গাফ্ফার মিয়া। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং রাতে নিহত কিশোরী আমেনা বেগম (১৫) এর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের পর হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাতেই নরসিংদীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেন। উল্লেখ্য,গত ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ৫/ ৬ জন বখাটে ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে আর্থিক রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন এবং ধর্ষিতার বাবা ও তার পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ধর্ষণের ঘটনা ১০/২/২৬ ইং ঘটনার পর বখাটে চক্রটি ভিকটিম কিশোরীকে তার অসহায় বাবার কাছ থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে। মহিষাশুরা ইউনিয়ন এর কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেত্রে ধর্ষিতা কিশোরী আমিনা বেগম(১৫)কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রভাবশালী এই অপরাধী চক্রটি টাকার বিনিময়ে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, নিজেদের রক্ষা করতে তদবির বানিজ্য করছে। যাতে কোনভাবে অপরাধীরা রক্ষা না পায়,সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী। উক্ত ঘটনা সরজমিনে তদন্ত করতে আসেন,ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও নরসিংদীর পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ নরসিংদীর মাধবদীতে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এবং সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দেন।

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাইতে গেলে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কিশোরী আমেনা বেগমকে গনধর্ষণের পর হত্যা Read More »

একাধিক মামলায় জড়িত ইউপি সদস্য জামাল ভূইয়া গ্রেফতার, এলাকায় চাঞ্চল্য।

মাহবুব আলম (অষ্টগ্রাম), কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় প্রবাসী গৃহবধূ নির্যাতন মামলায় আলোচিত ইউপি সদস্য জামাল ভূইয়া (৪৮), ওরফে জামাল মেম্বারকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ওপর হামলাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পূর্ব অষ্টগ্রামের পুকুরপাড় এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালায় অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ। এসআই মো. হানিফ মিয়া ও এসআই গাফফারসহ সঙ্গীয় ফোর্স তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে প্রবাসী গৃহবধূ নির্যাতন মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী গৃহবধূ মিনারা বেগম (২৫)-এর ওপর মারধর, শ্লীলতাহানি, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, চুরি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর শ্বশুর মো. কুতুব মিয়া (৬৫), পিতা গেদু মিয়া, সাং কাস্তুল শেখের হাটি, বাদী হয়ে অষ্টগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং–১৩, তারিখ ১৩/১২/২০২৫ ইং।উক্ত মামলায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩৭৯/৩৮০/৪২৭/৫০৬/১১৪ ধারায় মামলা রুজু রয়েছে।এছাড়া, গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সরকারি জমি দখলের খবর সংগ্রহ করতে গেলে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দৈনিক ইনকিলাব-এর অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক নাদিরুজ্জামান বাদী হয়ে অষ্টগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং–১৫, তারিখ ১৭/১১/২০২৫ ইং। এ মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।অন্যদিকে কাস্তুল ব্রক্ষ্মপুরা এলাকার বাসিন্দা আঙ্গুর ভূইয়া (৬৫), পিতা মৃত আ. কাদির, ১৬/১১/২০২৫ ইং তারিখে জামাল ভূইয়ার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেব খান জানান, “জামাল ভূইয়া ওরফে জামাল মেম্বারকে প্রবাসী গৃহবধূ নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”একাধিক মামলার আসামি হিসেবে তার গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

একাধিক মামলায় জড়িত ইউপি সদস্য জামাল ভূইয়া গ্রেফতার, এলাকায় চাঞ্চল্য। Read More »

সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থা (SUS)-এর ঢাকাস্থ স্বেচ্ছাসেবকদের জরুরি সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় মানুষের সহযোগিতা কার্যক্রম জোরদার করা এবং ঢাকা জেলায় রক্তদাতা স্বেচ্ছাসেবক বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থা (SUS)-এর ঢাকাস্থ স্বেচ্ছাসেবকদের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় অফিসার্স ক্লাব ঢাকা-এ।সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পরিচালক মোঃ ফাহমিদুল ইসলাম মোল্লা রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যবৃন্দ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বলেন, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সমাজের দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সংগঠনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ, আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি ঢাকা জেলায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতা স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা বৃদ্ধি, সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং নিয়মিত রক্তদান কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভা শেষে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ইফতার মাহফিলে দেশ ও জাতির কল্যাণ, সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য এবং সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।সভাপতির বক্তব্যে মোঃ ফাহমিদুল ইসলাম মোল্লা রানা বলেন, মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই সংগঠনের মূল শক্তি। তিনি সকল স্বেচ্ছাসেবককে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং আগামীর কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সাঘাটা উন্নয়ন সংস্থা (SUS)-এর ঢাকাস্থ স্বেচ্ছাসেবকদের জরুরি সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Read More »

কুমিল্লায় তিন জেলার সকল বৌদ্ধ বিহারে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের চেক বিতরণ

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।। কুমিল্লা-নোয়াখালী-ফেনী জেলার সকল বৌদ্ধ বিহার, শ্মশান এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দুঃস্থ, অসহায় ও গরিব মেধাবী শিক্ষার্থী ও মানুষের মাঝে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার কুমিল্লা ঠাকুরপাড়াস্থ কনকস্তুপ বৌদ্ধবিহার প্রাঙ্গণে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে এ চেক বিতরণ করা হয়। ওই চেক বিতরণ করেন- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব কান্তি বড়ুয়া। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা কোটবাড়িস্থ নব শালবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ শীলভদ্র মহাথেরো।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- কুমিল্লা কনকস্তুপ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মপাল মহাথেরো। এসময় উপস্থিত ছিলেন- মজলিসপুর ধর্মাংপুর বিহারের অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ প্রজ্ঞাজ্যোতিঃ মহাথের, ছোট চাঁদপুর বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ সুরেশ্বর থেরো, কুমিল্লা-নোয়াখালী-ফেনীর সকল বিহারের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক এবং সদস্যগণ। অনুষ্ঠানে এধরনের মহৎ কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ, সভাপতি ও সম্পাদকবৃন্দ।অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব কান্তি বড়ুয়া বলেন- বর্তমান সরকার সকল ধর্মের প্রতি সমান অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সকলকে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ও বর্তমান সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আমার (ট্রাস্টি রাজীব কান্তি বড়ুয়া) মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

কুমিল্লায় তিন জেলার সকল বৌদ্ধ বিহারে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের চেক বিতরণ Read More »