Dhaka Edge

মার্চ ২৮, ২০২৬

image_pdfimage_print

ভাঙ্গুড়ায় সুলতানপুরের লাল দিঘী থেকে মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

রিপোর্টার: মোঃ শামীম আহমেদ, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে লাল দিঘী থেকে উদ্ধার হলো একটি মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তি। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় শিশুদের খেলার সময় মূর্তিটি পানির কিনারায় থাকতে দেখে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেমি পারভীন (১২), পিতা জব্বার শেখ (৫৪)—মেহেদি পাতা তুলতে গিয়ে পুকুরের পূর্বপাশে মাটির নিচে কালো পাথরের অদ্ভুত আকৃতির বস্তু দেখতে পায়। একই সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিল জেসিকা (৮), পিতা আব্দুল জলিল এবং মুত্তাকিম (৮), পিতা আরিফ শেখ। তারা প্রথমে বিষয়টি জেমির মাকে জানায়। পরে খবর পৌঁছায় স্থানীয় গ্রাম সভাপতি মজাহার ইসলাম লাল্টু সরকারের কাছে।ঘটনার গুরুত্ব বুঝতে পেরে লাল্টু সরকার দ্রুত চেয়ারম্যান কে এম মনোয়ার হোসেনকে বিষয়টি জানান। চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন। রাত আটটার দিকে এসআই আল-আমিন চার সদস্যের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারকৃত মূর্তিটি সংগ্রহ করেন।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি কালো পাথরের এবং আংশিক ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর উচ্চতা প্রায় ১২ ইঞ্চি এবং ওজন ৯ কেজি ৬৪০ গ্রাম। উপরের অংশ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকলেও নিচের অংশ অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। মূর্তিটি প্রাথমিক ভাবে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে এর বয়স, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও মূল্য যাচাই করা হবে।স্থানীয় প্রবীণদের দাবি, অতীতে সুলতানপুর এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বসতি ছিল। এখানে সতিস এবং জতিস পরিবারের বসতভিটা ও নানা প্রত্নচিহ্ন পাওয়া যেত। সম্ভবত সেই সময়কার কোনো দেবদেবীর মূর্তি এটি—এমনটিই ধারণা করছেন এলাকাবাসী।উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে সারা এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয়রা মূর্তিটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে এলাকার ঐতিহ্য তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—মূর্তিটির প্রাথমিক তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো অনুমান ভিত্তিক তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় সুলতানপুরের লাল দিঘী থেকে মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার Read More »

রামপাল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখ রামপাল( বাগেরহাট) প্রতিনিধি রামপাল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায়, সর্ব সম্মতিক্রমে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) রামপাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায়, সভাপতিত্ব করেন আরিফ হোসেন গজনবী, সভায় প্রেসক্লাবের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভায় আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থিত সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে রামপাল প্রেসক্লাবের লোগো পরিবর্তন করে নতুন লোগো তৈরি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন – মোঃ শাহজালাল গাজী, শেখ সাগর আহম্মেদ, আরিফ হাসান গজনবী, রাকিবুল ইসলাম, শেখ সোহেল আহম্মেদ, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ সোহানুর রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ এবং মোঃ ইমরান হোসেনসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রামপাল প্রেসক্লাব দীর্ঘদিন ধরে সুনাম ও সাফল্যের সাথে সাংবাদিকতা ও সামাজিক কাজে দায়িত্ব পালন করে আসছে।নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

রামপাল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত Read More »

লালমনিরহাটে সংবাদ সম্মেলন: ইউএনও ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগচয়ন কুমার রায়

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট সদর উপজেলায় কোনো প্রকার আইনি নোটিশ বা পুলিশি উপস্থিতি ছাড়াই এক সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গোবিন্দ চন্দ্র সরকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ তোলেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লালমনিরহাট গল্পকথা মৃধাবাড়িতে আজ বিকাল ৫টায় মৃত গঙ্গামোহন সরকারের পুত্র গোবিন্দ চন্দ্র সরকার জানান, গতকাল বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনিতা দাস কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তার মালিকানাধীন জমিতে আকস্মিকভাবে প্রবেশ করেন। এসময় তার সাথে মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন এবং স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শুকুরউদ্দীনসহ প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল ছিল।অভিযোগ করা হয় যে, কোনো আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই সেখানে ‘মব’ সৃষ্টি করে বসতবাড়ির সাইনবোর্ড ও স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। ভুক্তভোগী ও তার সন্তানদের জোরপূর্বক জমি থেকে বের করে দিয়ে নির্মাণাধীন মার্কেটের প্রায় ১০ হাজার ইট, ১০০ বস্তা সিমেন্ট এবং প্রায় ২ লক্ষ টাকার রড লুটপাট করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।গোবিন্দ চন্দ্র সরকার তার বক্তব্যে জানান, এই জমি কোনো সরকারি খাস বা কলোনির জায়গা নয়। ১৯৪৩ সালে তার পিতা প্রায় ১৭.৫ একর জমি ক্রয় করেন, যার মধ্যে বড় একটি অংশ পরবর্তীতে সরকার অধিগ্রহণ করে। অবশিষ্ট ২ একর ১৭ শতাংশ জমি ১৯৬২ সালে তার পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এই জমির একটি অংশ ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরে দান করা হয়েছে। বর্তমানে অবশিষ্ট জমিতে তিনি বৈধভাবে মার্কেট নির্মাণের কাজ করছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে আবেগপ্লুত কণ্ঠে গোবিন্দ চন্দ্র সরকার বলেন, “আমি একজন আইন মান্যকারী নাগরিক। আমার যদি কোনো ত্রুটি থাকতো, তবে আমাকে কাগজপত্র দেখানোর সুযোগ দেওয়া কিংবা আইনি নোটিশ দেওয়া যেতো। কিন্তু ইউএনও মহোদয় কোনো পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় একদল ব্যক্তিকে নিয়ে যেভাবে হামলা ও মারধর চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও বেআইনি।” তিনি আরও জানান, তাকে টেনে-হিঁচড়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। একইসঙ্গে দখলকৃত সম্পত্তি দ্রুত ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ১৯৪০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত জমির সকল বৈধ দলিল ও কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত আছেন বলেও জানান।এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহলে এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

লালমনিরহাটে সংবাদ সম্মেলন: ইউএনও ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগচয়ন কুমার রায় Read More »

প্রেসক্লাব সভাপতি’র উপর হামলা: আসামী গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সাংবাদিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ১১টায় মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তারা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ও ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করেন।মানববন্ধনে প্রধান ভুক্তভোগী ও বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম তার বক্তব্যে বলেন, “আমি শুধু একজন ব্যক্তি নই, আমি সাংবাদিক সমাজের একজন প্রতিনিধি। আমার ওপর হামলা মানে পুরো সাংবাদিক সমাজকে ভয় দেখানোর চেষ্টা। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র চাঁদা দাবি করে আসছিল। আমরা তা প্রত্যাখ্যান করায় তারা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তারা অস্ত্র নিয়ে ক্লাবে ঢুকেছিল।”তিনি আরও বলেন,“হামলার সময় আমার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে আমি প্রতিহত করি, এতে আমি গুরুতর আহত হই। আজও আমি চিকিৎসাধীন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এতদিন পেরিয়ে গেলেও প্রধান আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা শুধু হতাশাজনক নয়, বরং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যও উদ্বেগজনক।”রেজাউল করিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“আমি প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় আমরা সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। কোনো সন্ত্রাসী চক্রের কাছে আমরা মাথা নত করবো না।”মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শেখ রহমতুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ মামুনুর রশীদসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা। তারা বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাইক্রোবাস ভাড়া করে এ হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।মানববন্ধনে রিভিরসিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা রাব্বানী বলেন, ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রধান অভিযুক্ত নূরে ইসলাম মিলন ও সুরুজ আলী এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। বরং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি জানান তিনি। এদিকে, রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানান বক্তারা। এছাড়াও তাদের ক্লাব থেকে স্থানীয়ভাবে বহিষ্কারের জোর দাবি তুলেন বক্তারা। এ ঘটনায় বোয়ালিয়া মডেল থানায় নূরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।সাংবাদিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দ্রুত গ্রেপ্তার নিশ্চিত না হলে রাজশাহীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।প্রসঙ্গত, রাজশাহীর শিরোইল কাঁচা বাজার এলাকায় অবস্থিত বরেন্দ্র প্রেসক্লাব পরিচালনার নামে বেশ কিছু দিন ধরে নুরে ইসলাম মিলন ও তার সহযোগীরা ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। এরই জেরে শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে একদল সন্ত্রাসী ক্লাবে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় প্রধান অভিযুক্ত নুরে ইসলাম মিলন পিস্তল বের করে সভাপতির মাথায় ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখায়।​হামলার একপর্যায়ে সুরুজ আলী নামের এক সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউল করিমের পেটে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে তা প্রতিহত করেন। এতে তার উরুতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং মোট ১৩টি সেলাই দিতে হয়েছে।এ বিষয়ে জানতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. জিললুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়।৷ কথা বললে আরএমপি পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র গাজিউর রহমান (উপ-পুলিশ কমিশবার) বলেন, নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর। আসামীদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা টিম কাজ করছে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হবে।

প্রেসক্লাব সভাপতি’র উপর হামলা: আসামী গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন Read More »

অষ্টগ্রাম উপজেলা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রতিনিধিদের প্রতি সতর্কবার্তা ও সহযোগিতা আহ্বান

অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: অষ্টগ্রাম উপজেলা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রতিনিধিদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা এবং সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। উপজেলা সাংবাদিকরা বলেছেন, কেউ জেলা থেকে এসে সাংবাদিকতার নামে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর সংবাদ বা অন্য অনৈতিক কর্মকাণ্ড করলে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। এবং জেলা প্রতিনিধিরা এসব বিষয়ে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও আশা করছেন স্থানীয় সাংবাদিক মহল।স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি কিছু জেলা প্রতিনিধি অষ্টগ্রামে এসে অসত্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার ও অপ-সাংবাদিকতার চেষ্টা করেছে। এতে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।অষ্টগ্রাম উপজেলা সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা আমরা সর্বদা সম্মান করি। কিন্তু সাংবাদিকতার আড়ালে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিভ্রান্তি বা অপপ্রচার আমরা মেনে নেব না। এজন্য জেলার সকল প্রতিনিধি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন।”বক্তারা আরও বলেন, জনগণের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি। ভবিষ্যতে সাংবাদিকতার নামে কেউ অপপ্রচার বা অনিয়মে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক আইনগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ আশা করছে, জেলা প্রতিনিধিরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে হাওরে স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল এবং বিশ্বাসযোগ্য সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবেন।

অষ্টগ্রাম উপজেলা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রতিনিধিদের প্রতি সতর্কবার্তা ও সহযোগিতা আহ্বান Read More »

কুমিল্লা ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয়ের গৌরবের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উৎসব ৩ এপ্রিল

তাপস চন্দ্র সরকার।। ধর্মীয় শিক্ষার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয়ের গৌরবের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আসছে ৩রা এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টায় কুমিল্লা মহেশাঙ্গণে নাট মন্দির প্রাঙ্গণে এ পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় বৈদিক মন্ত্র, গীতা পাঠ, শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় এর শিক্ষার্থী মৃত্তিকা নন্দী পূজা ও অপরাজিতা অধিকারীর উপস্থাপনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- কুমিল্লার ধর্মীয় তত্ত্ববেত্তা অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য্য।উক্ত মহতী অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতনী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন তীর্থ দর্শন ও সেবামূলক সংগঠন “ত্রিশূল” এর সভাপতি আশিষ দাস ও সাধারণ সম্পাদক অনন্য ভৌমিক।

কুমিল্লা ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয়ের গৌরবের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উৎসব ৩ এপ্রিল Read More »

কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের ঈদ আড্ডা ও পহেলা বৈশাখের প্রস্তুতি সভা ২৮ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে “ঈদ আড্ডা ও বাঙলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা”। আসছে শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যায় কুমিল্লা গ্র্যান্ড দেশপ্রিয় রেস্টুরেন্ট (লিফটের-৫) এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।উক্ত সভায় কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট এরসাথে জড়িত সব্বাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এডভোকেট মোঃ শহীদুল হক স্বপন।

কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের ঈদ আড্ডা ও পহেলা বৈশাখের প্রস্তুতি সভা ২৮ মার্চ Read More »

মতলব কোয়রকান্দিতে বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।। অশুভ শক্তির বিনাশ আর জগতের মঙ্গল কামনায় চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলাধীন কোয়রকান্দি বায়েন বাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয় শ্রীশ্রী বাসন্তী মায়ের পূজা।জানা যায়- গেলো ২৪ মার্চ মঙ্গলবার বোধন (মহাষ্টমী) এর মধ্যদিয়ে শুরু হয় শ্রীশ্রী বাসন্তী মায়ের পূজা আর শেষ হবে ২৮ মার্চ শনিবার বিজয়াদশমীর পর প্রতিমা বিসর্জ্জনের মাধ্যমে। আরও জানা যায়- শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা হলো হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী দেবী দুর্গার আদি পূজা, যা বসন্তকালে অর্থাৎ চৈত্র মাসে অনুষ্ঠিত হয়।মার্কণ্ডেয় পুরাণ মতে, রাজা সুরথ নিজের হারানো রাজ্য ফিরে পেতে ঋষি মেধসের পরামর্শে বসন্তকালে দেবীর আরাধনা করেছিলেন। শরৎকালের দুর্গাপূজা ‘অকালবোধন’ হলেও, এটিই দেবীর মূল আরাধনা হিসেবে গণ্য করা হয়, যা বসন্তের নবরাত্রিতে পালিত হয়। তাদের কঠোর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে দেবী দুর্গা আবির্ভূত হন এবং তাদের রাজ্য ও ঐশ্বর্য ফিরিয়ে দেন। বসন্তকালে অর্থাৎ চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে দেবী দুর্গার প্রথম পূজা হয়েছিল বলে একে বাসন্তী পূজা বলা হয়। বসন্তকালে রাজা সুরথ প্রথম এই পূজা শুরু করেছিলেন।নবমীদিন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মতলব উত্তর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল চন্দ্র দাস প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন- কোয়রকান্দি শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

মতলব কোয়রকান্দিতে বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত Read More »