Dhaka Edge

আগস্ট ২৪, ২০২৬

image_pdfimage_print

নরসিংদীর শিবপুরে ডিসি রোডের ময়লার ভাগাড়কে ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

নরসিংদীর শিবপুরে ডিসি রোডের ময়লার ভাগাড়কে ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। আবু নাঈম রিপন: জেলা প্রতিনিধি নরসিংদীঃনরসিংদীর শিবপুরে কয়েক বছর যাবত যেখানে ছিল পৌরসভার ময়লা,আবর্জনার ডিপো, দুর্গন্ধ আর জনদুর্ভোগ সেই স্থানটিই এখন পরিণত হয়েছে ফুল,ফল ও ঔষধি গাছ রোপনের মাধ্যমে পরিছন্ন পরিবেশ বান্ধব রাস্তা।সম্প্রীতি,এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের বদলে গেছে নরসিংদীর শিবপুর বানিয়াদি ডিসি রোডের মোড়ের চিত্র। দীর্ঘ বছর ধরে ওই এলাকা ও পথচারীদের জন্য ছিল ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন । স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, পরিবহনে চলাচলকারী সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ ছিল ভীষণ অতিষ্ট। জনবসতি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দুইটি সড়কের দুই পাশে ফেলা ময়লার ভাগাড় থাকায় পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছিল জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। দীর্ঘ বছরের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি জন্য সর্বস্তরের জনসাধারণের ছিল জোর দাবি। শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন এর মানবিক উদ্যোগে অবশেষে সেই ময়লার ভাগাড় পরিস্কার করে সেখানে লাগানো হয়েছে ফুল,ফল ও ঔষধি গাছের চারা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন ও সাবেক পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মু,আব্দুর রহিম যৌথ ভাবে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগটি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, যেখানে আগে ময়লা,আবর্জনার স্তূপ পড়ে থাকত,সেখানে এখন শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ । ময়লার দুর্গন্ধের পরিবর্তে এখন ওই স্থানটি হয়ে উঠেছে পরিষ্কার পরিছন্ন পরিবেশ বান্ধব রাস্তা।

নরসিংদীর শিবপুরে ডিসি রোডের ময়লার ভাগাড়কে ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। Read More »

কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত

কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত তাপস চন্দ্র সরকার।।কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) সকালে আদালত অঙ্গনের পুকুরে রুই, কারফিউসহ বিভিন্ন জাতের পোনামাছ অবমুক্ত করে এর উদ্বোধন করেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন।আদালত অঙ্গনের সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পুকুরের জলজ পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পোনা অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের নান্দনিক এ পুকুরে মাছের প্রাকৃতিক বিচরণ ও প্রজননের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে আদালতের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন নিজ হাতে পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে উপস্থিত বিচারক ও কর্মকর্তারা পুকুরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য ঘুরে দেখেন।আদালত অঙ্গনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে জলাশয় ও সবুজ পরিবেশ সংরক্ষণের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব আদালত অঙ্গন গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।সংশ্লিষ্টদের মতে, জলাশয় সংরক্ষণ ও সেখানে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলে একদিকে যেমন পুকুরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে, অন্যদিকে আদালত অঙ্গনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে জলজ পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও এটি সহায়ক হবে।এ সময় উপস্থিত বিচারক ও কর্মকর্তারা আদালত অঙ্গনের পরিবেশ আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পুকুরের পানির স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং মাছের নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সংশ্লিষ্টরা জানান।মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই।

কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত Read More »

কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব; মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর

কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব; মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর তাপস চন্দ্র সরকার।।সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লাতেও যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী, নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ব্যাস পূজা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩, ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার তিন দিনব্যাপী এ মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির এবং ঠাকুরপাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এ ধর্মীয় মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির প্রাঙ্গণে আরতি, কীর্তন ও শুভ অধিবাসের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হবে।৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, জন্মাষ্টমীর প্রধান আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টায় রাণীর বাজার রামঠাকুর আশ্রম থেকে জগন্নাথদেবের মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও শোভাযাত্রা বের হবে। বিকেল ৩টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে ভুবনমঙ্গল হরিনাম সংকীর্তন। এরপর শ্রীশ্রী তুলসী আরতি, গৌর আরতি ও নৃসিংহ আরতি শেষে অনুষ্ঠিত হবে ভাগবতীয় আলোচনা। পরে কীর্তনের সহযোগে অনুষ্ঠিত হবে মহা অভিষেক। অভিষেক শেষে ভক্তদের মাঝে অনুকল্প মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।৫ সেপ্টেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ১৩০তম ব্যাস পূজা মহোৎসব। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে মঙ্গল আরতি, জপযজ্ঞ, নন্দ উৎসব, শ্রীল এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মহা অভিষেক ও ব্যাস পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ভোগ আরতি ও কীর্তন শেষে উৎসবে আগত ভক্ত-শ্রোতাদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। সবশেষে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীল প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা।এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে শ্রীল প্রভুপাদ স্মরণ উৎসব ও লীলামৃত আলোচনা। বিকেল সাড়ে ৫টায় ঠাকুরপাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হবে কীর্তন মেলা। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যারতি কীর্তন, নন্দ উৎসবের মহিমা ও প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা। পরে কেক অর্পণ শেষে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।মহোৎসবের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন কুমিল্লা জগন্নাথপুর মন্দিরের সভাপতি সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী।তিনি বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও আনন্দের মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী মহোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ মহতী আয়োজনে সকল সনাতনী ধর্মাবলম্বীকে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।

কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব; মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর Read More »

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন। স্বামী খালাস নিজস্ব প্রতিবেদক।।কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এ মামলার অপর আসামি নিহতের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. শামছুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নিহত মরিয়ম বেগমের শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিন।আদালত সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়- ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক কলহের জেরে নাঙ্গলকোট উপজেলার ছফুয়া গ্রামের গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা মো. সোলেমান বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিন, শ্বশুর আবদুল মমিন, দেবর নিজাম উদ্দিন ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আসামি করা হয়।মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।রায়ে শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকরাম হোসেন এবং নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে মরিয়মের হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন Read More »

মোংলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি

মোংলায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল ( বাগেরহাট) প্রতিনিধিবাগেরহাটের মোংলার মিঠাখালী ইউনিয়নের ২’নং ওয়ার্ডের দওেরমেঠ এলাকায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, একের পর এক আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি’সহ মিথ্যা মামলা মকদ্দমা থেকে নিষ্পত্তি করার জন্য ৩’ লক্ষ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের বিরুদ্ধে। সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী, ফিরোজা বেগমের কাছে জমির সঠিক মালিকানার কোনো দলিল না থাকলেও প্রায়ই তারা ভুক্তভোগী পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা করেন। দখলে ব্যর্থ হয়ে তিনি সোহাগ ব্যাপারী, খালেক ব্যাপারী, ফারুক ব্যাপারী ও মালেক ব্যাপারী’র বিরুদ্ধে বাগেরহাট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় মোংলা এসিল্যান্ড’সহ দওেরমেঠ ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা তদন্ত করে ভুক্তভোগী মোঃ সোহাগ ব্যাপারীর প্রকৃত অর্থে ক্রয় করা জমিটি বলে প্রতিবেদন দেন বা মামলাটির নিষ্পত্তি হয়। এ-র পরেও একই দাগ – খতিয়ান দিয়ে নাম উল্টে পাল্টে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ ব্যাপারী, ফারুক ব্যাপারী জানান,মোংলা উপজেলাধীন জে এস ১৬০ নং দওেরমেঠ মৌজার এস এ ১৫৪ ও ১৫৫ নং খতিয়ানের বি আর এস ৮৪ না খতিয়ানে এস এ ১১০২ ও ১০৪৭ দাগ স্থলে বি আর এস ২০৭৬ সাে খাড়ী ০.১৯ একর জমি তারা দীর্ঘ ২০ – ২৫ বছর ধরে জায়গাটি ভোগদখল করে আসছে। ভোগদখলে থাকা জমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করতে চায়। অথচ আমরা এ জায়গাটির সঠিক দলিলপত্র দেখে আমার ফুপুর কাছ থেকে কিনেছি বরং মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের কোনো বৈধ দলিল নেই। এ ব্যাপারটি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে কয়েকবার বসা হলেও মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগম কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি এবং তারা মানেন না-ই। এবং আমরা যদি তাদের কে ৩’লক্ষ টাকা দেই তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একের পর এক মামলা মকদ্দমা নিষ্পত্তি করবে বলে লোক মুখে জানিয়েছেন। এই একের পর এক মিথ্যা মামলার নিষ্পত্তি’সহ আমরা ন্যায়বিচারের প্রাপ্তি চাই। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ ব্যাপারীর স্ত্রী ময়না খাতুন জানান, আমার স্বামী একজন প্রতিদ্ধী মানুষ রোজগার করতে পারে না। তাই আমি জীবিকা নির্বাহ করার জন্য ইপিজেডে চাকুরি করি, এবং প্রতি মাস শেষে বেতনের যে টাকা পাই তা দিয়ে সংসার খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা বহুদিন ধরে জুগিয়েছি এই বৈধ কাগজ পত্র দেখে এ জায়গাটি আমার ফুপাতো শাশুড়ীর কাছ থেকে ক্রয় করেছি। স্বামী ও আমার ক্রয় করা জমি নিয়ে এখন তারা একের পরে এক মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। তাই দ্রুত আমরা এই মিথ্যা মামলা মকদ্দমা থেকে নিষ্পত্তি চাই বা মুক্তি চাই। এ বিষয়ে ‎অভিযুক্ত মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ‘এই জমিটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এ বিষয়ে আমরা আদালতে মামলা করেছি, এখন আদালতই সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে প্রথম মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া পরবর্তীতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে জান, এবং দ্রুতই ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন।

মোংলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি Read More »