Dhaka Edge

fayezurrahman fahad

image_pdfimage_print

”নববর্ষ উৎসব হিসেবে মহররম উদযাপন ইসলামের আদর্শ বিরোধী ও খারেজী চক্রান্ত”

নববর্ষ উৎসব হিসেবে মহররম উদযাপন ঈমানী অস্তিত্বের উৎস মহান শাহাদাতে কারবালার চেতনা বিরোধী খারেজি চক্রান্ত। বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন (World sunni movement) এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সর্বজনীন মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থার দিকদর্শন বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব এর প্রবর্তক ও বাংলাদেশের একমাত্র মানবতার নিবন্ধিত রাজনৈতিক সংগঠন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত হিংস্র মুলুকিয়তের স্বৈরদস্যুতা থেকে সত্যের মুক্ত প্রবাহ ও স্বাধীন জীবনের মুক্ত দুনিয়া খেলাফতে ইনসানিয়াত রক্ষার শহীদ দিবসের মাস মহররম মাস হিসাবে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সচেতন বিবেকবান মুমিনগণ কোনো নববর্ষ উদযাপন করেনা অর্থাৎ উৎসব হিসেবে উদযাপন করে না, দোয়া হিসেবে পালন করতে পারে। কোনো নববর্ষে উদযাপনের কিছু নেই, তবে সময়ের পরিক্রমায় জীবন ও ইতিহাসের উপলব্ধির বিষয় আছে। ইসলাম সূর্য্য, চন্দ্র বা মাস বর্ষ ভিত্তিক নয়; সত্য ভিত্তিক তথা তাওহীদ রেসালাতের ভিত্তিতে ঈমান, শরীয়ত ওখেলাফতে ইনসানিয়াত ভিত্তিক ।কারবালার রক্ত মোবারকের উপর দিয়ে যারা এই মহরম মাস নববর্ষ বা আনন্দ উদযাপন করে তারা খারেজী কাফের এবং এই হত্যায় শরিক।আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, চন্দ্র নববর্ষ ইসলামের বিকৃতিকারী বাতিল মওদুদিবাদিরা নিজেদেরকে ইসলামিক কালচারাল হিসেবে প্রদর্শণী করার জন্য এবং অন্য ধর্মের সাথে সংঘাত ও বৈশাখের সাথে দ্বন্দ্ব হিসেবে এবং নিছক একটি বর্ষভিত্তিক করে দ্বীন ও মিল্লাতের ক্ষতি করার জন্য প্রদর্শনী করে, অথচ ঈমানের মৌলিক বিষয় ঈদে আজম উদযাপনে কার্পণ্য করে (নাউজুবিল্লাহ)। ঈমান ধ্বংসাত্মক মওদুদিবাদের অনুসরণে ও অন্যান্য বস্তুবাদি মূর্খতার অবান্তর গড্ডালিকা প্রবাহের অংশ না হয়ে ঈমানী দৃষ্টি ও ঈমানী বিবেক উপলব্ধি নিয়ে চলা উচিত আমাদের সুন্নী ভাইবোনদের সবার।ইমাম হায়াত বলেন, মহররম প্রথমতঃ ঈমানী শোকের মাস, মহান কারবালার শাহাদাতের অন্তহীন ব্যথা ও শাহাদাতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জীবনপণ ঈমানী শপথের মাস। এদিকে প্রাণপ্রিয় পবিত্র কেবলাভূমি বাতিলের জবরদখলে রুদ্ধ, দুনিয়ায় বিভিন্ন স্থানে মর্মান্তিক গণহত্যা, অসহায় নিপীড়িত মা বোন শিশুদের আর্তনাদ, সমগ্র মিল্লাত বাতিল ফেরকা ও বস্তুবাদি মতবাদ এবং ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদের হিংস্র অপরাজনীতি ও তাদের স্বৈরদস্যুতন্ত্রের গ্রাসে বিপন্ন, দ্বীন-মিল্লাত-মানবতা তথা সুন্নীয়তের বিরুদ্ধে সর্ব বাতিলের সর্বাত্মক যুদ্ধ চলছে এবং সে যুদ্ধে ঈমানিয়াত ও ইনসানিয়াতের ধারা পরাজিত, মিল্লাত ও মানবতা রক্তের সাগরে ডুবন্ত, এদিকে ইসলাম বা সুন্নীয়তের নামে বাতিল জালিম অপশক্তির সর্বনাশা দালালি অসৎ স্বার্থে বিশ্বাসঘাতকতা, এ অবস্থায় চন্দ্র নববর্ষের শুভেচ্ছা বা উদ্যাপনের কোনো অবস্থা বা অবকাশ নেই ।ঈমানদার মাত্রই মহররমে কারবালায় ঈমানের মহাকেন্দ্র সত্যের প্রাণপ্রদীপ প্রাণপ্রিয় খলিফাতুর রাসুল ইমামে আকবার সাইয়্যেদিনা হজরত ইমাম হোসাইন রাদিআল্লাহু আনহু ও মহামহিম পবিত্র আহলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লামদেরকে কাফের এজিদ বাহিনীর মর্মান্তিক হত্যাকান্ডে অতুলনীয় ব্যাথা ভারাক্রান্ত । শাহাদাতে কারবালার ঈমানী হৃদয়ের অন্তহীন ব্যথা যন্ত্রনা ঈমানী অনুভূতি যাদের নেই তারাই কেবল মহররমের সূচনায় আনন্দ উৎসব পালন করতে পারে। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, কোনো ঈমানদার ঈমানী শোক ও ঈমানী শপথের মহররমকে এজিদবাদি কাফেরদের মত উৎসব হিসেবে পালন করতে পারে না। শাহাদাতে কারবালার শোক সমগ্র মুসলিম মিল্লাত ও সমগ্র মানবতার শোক, এটা ইসলামের বিকৃতিকারী বাতিল শিয়াদের বিষয় নয় । বাতিল #শিয়াবাদ শাহাদাতে কারবালার শোকের বিকৃত প্রদর্শনীর আড়ালে সত্য ও মানবতার প্রতিষ্ঠা এবং মিথ্যা ও জুলুম উৎখাতের লক্ষ্যে মহাত্যাগের এ শাহাদাতের আসল শিক্ষা ও লক্ষ্যের বিপরীতে ইসলামের ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে। মহররম মাস আসলে মহান শাহাদাতে কারবালার ঈমানী শোক আর লক্ষ্য বাস্তবায়নে পবিত্র কলেমার বিপ্লবী শপথের ধারায় যেমন মুমিনদের পরিচয় প্রকাশ পায়, তেমনি অবাঞ্চিত শুভেচ্ছা ও নির্মম উৎসবের মাধ্যমে মোনাফেকদের পরিচয় প্রকাশ পায়। ঈমানী শোক ও শপথ এবং বিপরীতে শাহাদাতে কারবালার শিক্ষা আড়াল করে আনন্দ উদযাপনের মাধ্যমে মাহে মহররমে মুমিন আর মোনাফেকের পরিচয় প্রকাশ পায়। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, মহররম প্রাণপ্রিয় আহলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাহাদাতের ঈমানী শোক ও মহান শাহাদাতে কারবালার লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঈমানী শপথের মাস,আনন্দ উদযাপনের নয়। বর্ষপরিক্রমা প্রাকৃতিক বিষয়, ঈমানী বিষয় নয়। পহেলা মহররম চন্দ্রবর্ষের আবর্তন, এভাবে সৌরবর্ষ ও ঋতুবর্ষ রয়েছে যার সবগুলোই প্রাকৃতিকভাবে মানব জীবনের কল্যাণের জন্য দয়াময় আল্লাহতাআলার ব্যবস্থা। মহররম মুমিন ও বিবেকবান সকল মানুষের হৃদয়ের সীমাহীন শোক ও ঈমানী হৃদয়ের অন্তহীন ব্যাথাভরাক্রান্ত উপলক্ষ, একইসাথে মহররম শাহাদাতে কারবালার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শপথের মাস। শোক আর আনন্দ বিপরীত বিষয়।পালন আর উদযাপন পার্থক্য আছে। কোনো কিছু পালন পক্ষে বিপক্ষে দুই ভাবেই হতে পারে। পালন শোক হিসেবেও হতে পারে। উদযাপন এর বিপরীত। শোক উদযাপন হয় না, পালন হয়। প্রতিবাদ হিসেবেও অনেক দিবস উপলক্ষ পালন হয়।আমরা মুসলিম মিল্লাত ২৩ সেপ্টেম্বর কেবলাভূমিকে অবৈধ “সৌদি আরব” নামকরণ ও সৌদি গোত্রবাদি ওহাবিবাদি মুলুকিয়তের প্রতিষ্ঠা দিবসকে প্রতিবাদ হিসেবে ও উদ্ধারের লক্ষ্যে আঁধার দিবস ইয়াওমে জুলুমাত ডার্ক ডে হিসেবে পালন করি, আর বাতিলরা বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে। যে কোনো নতুন সূচনা ও উপলক্ষ দোয়া, এস্তেগফার, নফল নামাজ, সালাতু সালাম ও রহমত কামনা করে পালন করা যায়। তবে ইসলাম কোনো বর্ষ ভিত্তিক নয়, বর্ষ পরিক্রমা প্রাকৃতিক। সব দিন মাস বছর পরিক্রমা সব মানুষের জন্যই আল্লাহতাআলার প্রাকৃতিক দান। ইসলামকে কেবল চন্দ্র বর্ষ ভিত্তিক দেখানোর চেষ্টাও ইসলামের বিরুদ্ধ একটা হীন চক্রান্ত।মহররম দোয়ার সাথে শাহাদাতে কারবালার আমানত রক্ষা ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে পালন করা যায়। বিগত বছরের জন্য ক্ষমা চাওয়া ও আসন্ন বছরের জন্য রহমত হেফাজত রিজিক সুস্থতা সালামাত কামনা করে, বলা মুসিবত থেকে পানাহ চেয়ে, সারা বছর নিরাপদে হকের জন্য কাজের তৌফিক কামনা করে দোয়া সালাতু সালাম মুনাজাতের মাধ্যমে মহররম এবং যে কোনো বছর মাস দিন শুরু করা যায়। ঈমানী হৃদয়ে শাহাদাতে কারবালার অনন্ত মহা কষ্ট ও অসীম বেদনার মহররম আনন্দ উৎসব হিসবে পালন ঈমানের খেলাফ বাতিলের চরিত্র। খারেজি বাতিলরা মহান শাহাদাতে কারবালার শোক- শিক্ষা- চেতনা ও লক্ষ্য আড়াল করে দ্বীন মিল্লাতকে ধ্বংস করার জন্য বিভ্রান্তির হাতিয়ার হিসেবে পহেলা মহররম আনন্দ উৎসব হিসেবে উদযাপন করার ধৃষ্টতা করে। মনে রাখতে হবে, যত ঐতিহাসিক ঘটনাই থাক মহররমের মূল ঈমানী বিষয় কেবলমাত্র কারবালার মহান শাহাদাত। বর্ষ পরিক্রমা ঈমানী বিষয় নয়, প্রাকৃতিক সাধারণ বিষয়; কিন্তু শাহাদাতে কারবালা ঈমান- দ্বীন- মিল্লাত- মানবতার দোজাহানের অস্তিত্বের মহা জরুরী বিষয়।পরিশেষে বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব আয়োজিত আগামী ১০ ই মহরম মুসলিম মিল্লাতের মহান ঈমানী জাতীয় শহীদ দিবস শাহাদাতে কারবালা দিবসের কর্মসুচি পালন সফল করতে সব মুমিন ভাইবোনকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেন।

”নববর্ষ উৎসব হিসেবে মহররম উদযাপন ইসলামের আদর্শ বিরোধী ও খারেজী চক্রান্ত” Read More »

বিডিআর মার্কেটের পার্কিং স্থান নিয়ে বিরোধ: পুরো মার্কেটকে ঘিরে আদালতে তিন মামলা উত্তেজনা বৃদ্ধি

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ দেলোয়ার হোসেন রাজধানীর উত্তরার বিডিআর মার্কেটের নির্ধারিত গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অতীতে একটি প্রভাবশালী মহল পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা দখল করে সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সম্প্রতি আদালতে বিচারাধীন ওই বিতর্কিত স্থানে পুনরায় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদ জানান এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুধু পার্কিংয়ের জায়গা নয়, পুরো মার্কেটকে ঘিরে বর্তমানে আদালতে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে আদালত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিষয়ে স্ট্যাটাস-কো (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান এবং রুল জারি করেছেন বলে জানা গেছে। আদালতের নির্দেশনা বহাল থাকা অবস্থায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, নির্ধারিত পার্কিং এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ করা হলে বাজারের যানবাহন পার্কিং ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। এতে ক্রেতাদের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় আইনি অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে।কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, “পার্কিংয়ের জায়গাটি শুধু একটি খালি স্থান নয়; এটি পুরো মার্কেটের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ আইন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। আমরা চাই আদালতের রায়ের মাধ্যমে বিষয়টির স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান হোক।”একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। তারা বলেন, “আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমরা চাই বাজারে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকুক, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।”সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, “যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং আদালত স্ট্যাটাস-কো বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, তাই সকল পক্ষের উচিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ, দখলচেষ্টা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।”ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে কোনো পক্ষ একতরফাভাবে নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। এজন্য তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় এ ধরনের বিরোধ ব্যবসায়িক পরিবেশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা প্রশাসন, বাজার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলা এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত স্থানে কোনো ধরনের পরিবর্তন না আনা উচিত। এতে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।”ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, আদালতের রায় ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি সকল পক্ষ শ্রদ্ধাশীল থেকে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করবে এবং বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

বিডিআর মার্কেটের পার্কিং স্থান নিয়ে বিরোধ: পুরো মার্কেটকে ঘিরে আদালতে তিন মামলা উত্তেজনা বৃদ্ধি Read More »

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

কুমিল্লায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাকুমিল্লা প্রতিনিধি :“হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোনজন?কাণ্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার!”জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই অমর বাণীকে সামনে রেখে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তাঁর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় কুমিল্লা কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার সভাপতি মো. আব্দুল মালেক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য কাকন দাশ।অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় সম্মিলিত সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। পরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য অধ্যক্ষ নিখিল চন্দ্র রায়। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবির জীবন, কর্ম ও অসাম্প্রদায়িক দর্শনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও নজরুল গবেষক পীযুষ কুমার ভট্টাচার্য্য, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার সহ-সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, কবি ও প্রাবন্ধিক আহমেদ কবির প্রমুখ।বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও সম্প্রীতির কবি। তাঁর সাহিত্য ও সংগীত আজও বাঙালির প্রেরণার উৎস। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় নজরুলের দর্শন বর্তমান সময়েও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তাঁরা নতুন প্রজন্মের মাঝে নজরুলচর্চা আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় কবির কবিতা আবৃত্তি করেন রুবেল কুদ্দুস। তাঁর আবৃত্তি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে এবং অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।আলোচনা সভার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে দলীয় সঙ্গীত, একক সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় কবির সৃষ্টিকর্ম ও চেতনাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়। শিল্পীদের পরিবেশনায় কবি নজরুলের বিদ্রোহী, প্রেম, সাম্য ও মানবতার বাণী নতুনভাবে ধ্বনিত হয়।অনুষ্ঠানে কুমিল্লার সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষাবিদ, কবি, শিল্পী এবং বিপুলসংখ্যক সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা, আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্যের সমন্বয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাঁর মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এক তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা Read More »

পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপেও অনড় স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজ দলের ভেতর থেকেই পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়েছেন। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর লেবার পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। খবর বিবিসির। দলটির একাধিক এমপি স্টারমারকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা ছাড়াই ক্ষমতা বার্নহ্যামের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে দলীয় বিভক্তি ও দীর্ঘ নেতৃত্ব সংকট এড়ানো সম্ভব হবে। তবে স্টারমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কোনো চ্যালেঞ্জ থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তিনি বলেন, যদি নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হয়, আমি অংশ নেব। আমি দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছি না। বার্নহ্যামের ঘনিষ্ঠরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন সপ্তাহান্তে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, এমপি ও পরিবারের মতামত বিবেচনায় নেন। খবর অনুযায়ী, শুক্রবার স্টারমার মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে ফোনে কথা বলে নিজের প্রতি সমর্থনের মাত্রা যাচাই করেন। এ সময় পরিবহনমন্ত্রী হাইডি আলেকজান্ডার তাকে পদত্যাগের একটি সময়সূচি নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও তার দপ্তর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস প্রধানমন্ত্রীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। গত মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড-সহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীও স্টারমারের পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বার্নহ্যাম ও স্ট্রিটিং, উভয় পক্ষই গণমাধ্যমে কোনো সাক্ষাৎকার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠক স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি দুই বছর আগে সাধারণ নির্বাচনে পাওয়া জনসমর্থনের ভিত্তিতেই দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জন্য তার এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে।

পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপেও অনড় স্টারমার Read More »

বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারত

টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর সত্যি হলো না। গোয়ায় আজ ফাইনালে ভারতের কাছে ৩–১ গোলে হেরে গেছেন মারিয়া–ঋতুপর্ণারা। অন্যদিকে বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল ভারত। বাংলাদেশ গত দুই সাফে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবার শুরু থেকেই ম্রিয়মাণ। গ্রুপ পর্যায়ে ভারতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। ফাইনালেও তিন গোল হজম করেছে। বিপরীতে ঋতুপর্ণা এক গোল পরিশোধ করেছেন। বৃটিশ কোচ পিটার বাটলারের দলে অন্যতম সমস্যা গোলকিপিং ও ডিফেন্স। ফাইনালে সেটিই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। তিনটি গোলের মধ্যে দু’টির পেছনে গোলরক্ষক মিলি আক্তারের ভুল রয়েছে আরেকটি ডিফেন্ডার আফিদা খন্দকারের। ভারতের ফরোয়ার্ডদের চেয়ে বাংলাদেশের ব্যর্থতাই বেশি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ঋতুপর্ণার দারুণ ফিনিশিংয়ে বাংলাদেশ সমতা এনেছিল। নেপাল ম্যাচেও ঋতুপর্ণার অলিম্পিক গোলে বাংলাদেশ প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। ভারত ম্যাচে অবশ্য এমনটা হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভারত লিড নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে বক্সের মধ্যে লাফিয়ে হেড করেন ভারতের সানফিদা। বাংলাদেশরে ডিফেন্ডাররাকে তাকে ব্লক করতে পারেননি। গোলরক্ষক মিলি আক্তার ঝাপিয়ে পড়লেও বল সাইড পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। দ্বিতীয় দফায় পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ সমতা আনার চেষ্টা করে। ঋতুপর্ণার উপর নির্ভর করলেও তিনি এই অর্ধে তেমন কোনো আক্রমণ করতে পারেননি। বাংলাদেশ এই অর্ধে ভালো ফুটবল খেলতে পারেনি। উল্টো ৮২ মিনিটে ডিফেন্ডার আফিদা খন্দকার বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভারতের ফরোয়ার্ডের পায়ে লেগে আরেক ফরোয়ার্ড কম বল পান। তার নেয়া শট জালে জড়ালে ভারতের শিরোপা অনেকটাই নিশ্চিত হয়। এর আগে প্রথমার্ধে ৪২ মিনিটে গোল পায় ভারত। পিয়ারী সাহার কৃতিত্বের চেয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তারের ভুলে ভারত এগিয়ে যায়। একটি সাধারণ আক্রমণে তিনি পোস্ট থেকে সামনে বেরিয়ে যান। পিয়ারী বক্সের বাইরে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মিলির মাথার উপর দিয়ে বল উঠিয়ে দেন। মিলি পেছন ফেরে তাড়া করলেও গোল বাঁচাতে পারেননি। মিনিট পাচেক পর ইনজুরি সময়ে ঋতুপর্ণা দারুণ কোনাকুনি শটে গোল করে খেলায় সমতা আনেন

বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারত Read More »

ব্রাজিলের আশা ভিনিসিয়াস

ব্রাজিলের আশা-ভরসার পুরোটাই নির্ভর করছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ওপর। আর সেই ভরসার প্রতিদান তিনি দিয়ে চলেছেন। মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও আবারও সেই একই পারফরম্যান্স। এই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় গোল পেয়েছেন আজ। বাঁ প্রান্ত দিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন। ভিতরে ঢুকেছেন। দলের আক্রমণ একাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন। নিচে নেমে লেফট ব্যাকে ডিফেন্সের দায়িত্বও সামলেছেন। হাইতির বিপক্ষে তিন গোলের জয়ে তিনটা গোলেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের নাম। দুটো অ্যাসিস্ট করেছেন। তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বলেই ম্যাথিউস কুনহার পক্ষে গোল করা সহজ হয়েছে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল জয়ে ফিরল দ্বিতীয় ম্যাচে। ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন ভিনিসিয়াস। হাইতি গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রথম দফায় বল ঠেকালেও ফিরতি বলে নিখুঁত শটে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কুনহা। এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্রাজিলের আক্রমণভাগের চিরচেনা ছন্দ ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ভিনিসিয়াসের বাড়ানো দুর্দান্ত এক ডিফেন্সচেরা থ্রু পাস ধরে বাঁ পায়ের কোণাকুণি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনহা। দুই গোলের পরই কুনিয়ার ‘হ্যাং টেন’ সার্ফিং উদযাপনে গ্যালারিতে তখন সাম্বার ঢেউ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে হাইতির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকে দেন খোদ ভিনিসিয়াস। বাঁ প্রান্ত দিয়ে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে ‘ক্লিনিক্যাল’ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন ব্রাজিলের এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে সেলেসাওরা। প্রথমার্ধের দাপটের পর বিরতির পর ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডদের এই ঝিমিয়ে পড়া রূপ কিছুটা খটকা জাগালেও, এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান ঠিকই দিয়ে রাখল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ব্রাজিলের আশা ভিনিসিয়াস Read More »

সাবমেরিন দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে ভারত

ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি পাকিস্তান এবং চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ঠেকাতে নিজেদের সাবমেরিন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইকে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির নৌবাহিনী-প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে. ত্রিপাঠী। পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের নৌবাহিনী-প্রধান বলেন, “ভারত মহাসাগর এলাকায় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বৃহত্তর বহিঃআঞ্চলিক উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে এবং এ ব্যাপারে আমরা পুরেপুরি সজাগ ও সচেতন। ওই অঞ্চলে বাইরের শক্তির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি আমাদের ‘সহযোগিতার যুগ’ থেকে ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে’ নিয়ে যাচ্ছে।” উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্দো-প্রশান্ত সমুদ্র অঞ্চলে চীন এবং পাকিস্তানের সহযোগিতা ও যৌথ তৎপরতা বাড়ছে। সম্প্রতি চীনের তৈরি চারটি ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে। গত মাসে চীন এবং পাকিস্তান— উভয় দেশের সেনাবাহিনী এক যৌথ বিবৃতিতে দিয়েছে এ ঘোষণা। এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন, ‘একটি পেশাদার সামুদ্রিক বাহিনী হিসেবে ভারতীয় নৌবাহিনী তার আশপাশের সমস্ত আঞ্চলিক ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। আমাদের কর্মপন্থা কঠোরভাবে সক্ষমতাভিত্তিক এবং হুমকি-সচেতন।’ ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে সরকারিভাবে প্রজেক্ট ৭৫ ইন্ডিয়া (পি ৭৫-আই) নামে নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে পিটিআইকে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন, ‘এই প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনীতে শিগগিরই অত্যাধুনিক স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন ৬টি সাবমেরিন এবং ২ শতাধিক যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে এসব সাবমেরিন এবং যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবে নৌবাহিনীর প্রকৌশলী টিম। আমরা আত্মনির্ভরতা নীতির ভিত্তিতে ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগকে শক্তিশালী করতে আমরা ‘আত্মনির্ভরতা’ নীতির ওপর জোর দিচ্ছি।’

সাবমেরিন দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে ভারত Read More »

যুদ্ধে নতুন কৌশলী ইরান

ইরানি জনগণের অধিকার সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত না হলে কোনো চুক্তি অনুমোদন পাবে না। ইরান ইতোমধ্যে তার শত্রুদের একটি বড় ও ঐতিহাসিক সংঘাতে পিছু হটতে বাধ্য করছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য ও জনগণের দৃঢ় অবস্থানই সাম্প্রতিক সাফল্যের মূল কারণ। খবর, তাসনিম নিউজ এজেন্সি’র।রবিবার (৩১ মে) ভার্চুয়াল সংসদ অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। গালিবাফ বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌযুদ্ধের ময়দান থেকে শুরু করে দেশজুড়ে জনসমাবেশ, সব ক্ষেত্রেই ইরানের নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার ইতিবাচক ফলাফল প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শত্রুরা সামরিক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন অর্থনৈতিক চাপ ও গণমাধ্যম প্রচারণার মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করে ইরানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।সামরিক শক্তি, জনসমর্থন, কূটনীতি এবং জনগণের সেবা, এই চারটি ক্ষেত্রকে এই সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে জানিয়েছেন গালিবাফ। পাশাপাশি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যকে কূটনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক ও আইনি অর্জনে রূপান্তর করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিপক্ষের বক্তব্য বা প্রতিশ্রুতির ওপর ইরান আস্থা রাখে না। বাস্তব ও স্পষ্ট অর্জনই তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড।

যুদ্ধে নতুন কৌশলী ইরান Read More »

নরসিংদীতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট,আসামী গ্রেপ্তার

নরসিংদী জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্টজেল, ও জরিমানা আদায় নরসিংদী জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,-এর সমন্বয়ে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান ১২ইং এপ্রিল রবিবার, অভিযানের অংশ হিসেবে নরসিংদী সদর উপজেলার নরসিংদী মডেল থানাধীন জিরো পয়েন্ট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদান করেন নরসিংদী সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,আসমা জাহান সরকার।সার্বিক সহযোগিতা করেন নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ।উক্ত অভিযানে,মোবাইল কোর্টে মামলার সংখ্যা: ০৪টিআসামির সংখ্যা: ০৪ জনগ্রেফতার: ০৪ জনআলামত জব্দ:গাঁজা: মোট ৪০০ (চারশত) গ্রাম (১০০+১০০+১০০+১০০ গ্রাম)কলকি: ০৪ (চার)টিআসামিদের পরিচয়: ১) মোঃ ইমরান (৩২)২) মোঃ মোশারফ (৪২)৩) মোঃ ইসমাইল (৩০)৪) মোঃ হামিদুর (২৯)অভিযানকালে আসামিদেরকে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টে তাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনে বিচার কার্য সম্পন্ন করা হয়।বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,আসমা জাহান সরকার প্রত্যেক আসামিকে ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ (দুইশত) টাকা করে মোট ৮০০ (আটশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের নরসিংদী জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।প্রসিকিউশন ও সহযোগিতা: অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাহিদা বেগম এবং উপপরিদর্শক মোঃ ছানাউল্লাহ মিয়া। এছাড়াও জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এ ধরনের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযান মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নরসিংদীতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট,আসামী গ্রেপ্তার Read More »

নিউইয়র্কে বর্ষবরণের আয়োজন

নিউইয়র্কে বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান রবিবার,১২ এপ্রিল ২০২৬ হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃবাংলা নতুন বছর ১৪৩৩ কে প্রাণের আমেজ আর হৃদয়ের উষ্ণতায় বরণের প্রাক্কালে ১৪৩২কে বিদায় জানানোর বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘আনন্দধ্বনি’। নিউইয়র্কস্থ ‘কুইন্স সোস্যাল এডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার’র সার্বিক সহযোগিতায় ‘আনন্দধ্বনি’র ‘বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হবে রবিবার,১২ এপ্রিল বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কুইন্স বরো পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে (২২২-০৫ ৫৬ এভিনিউ, বেসাইড, এনওয়াই১১৩৬৪)। এতে বাঙালি ইতিহাস-ঐতিহ্য আলোকে মতামত-মন্তব্য-বক্তব্য উপস্থাপনের পাশাপাশি নৃত্য-গীতে অংশ নেবেন ডা. সেজান মাহমুদ, অনুপ বড়ুয়া, নকুল কুমার বিশ্বাসসহ প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা।খবর আইবিএননিউজ । এ উপলক্ষে প্রকৌশলী মাহফুজুল হককে চেয়ারম্যান এবং ডা. মুুনমুনকে কো-চেয়ারপারসন, মিথুন আহমেদকে প্রধান সৃজনশীল সুহৃদ, আরপিদত্ত স্বপনকে মুখ্য সমন্বয়কারি এবং অর্ঘ্য সারথী সিকদারকে সদস্য-সচিব ও মেহের কবিরকে যুগ্ম সদস্য-সচিব করে ‘বর্ষবরণ উদযাপন পর্যদ’ গঠিত হয়েছে।

নিউইয়র্কে বর্ষবরণের আয়োজন Read More »