Dhaka Edge

fayezurrahman fahad

image_pdfimage_print

ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ

ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ। – আল্লামা ইমাম হায়াত বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেছেন ইন্ডিয়া উপমহাদেশের মুসলিমদের জীবনের সকল সংকট দুর্দশা উচ্ছেদ হত্যাযজ্ঞ এবং মানবতার বিপর্যয়ের মূলহোতা ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদি সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির জনক শয়তান জিন্নাহ ও মুসলিম লীগ নামের কুফরি লীগ শয়তান লীগ। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, মহান খাজাবাবা রঃ এর প্রতিষ্ঠিত সব ধর্মের সব মানুষের ইন্ডিয়াকে বিভক্ত করে খুনি রামরাষ্ট্র ও ইসলামের নামে ধোকার রাষ্ট্র তালেবানি খুনি জালিম পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা অভিশপ্ত কাফের জিন্নাহ। ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ। মুসলিম লীগ বা জিন্নাহদের রাজনীতি ইসলামের নির্দেশিত মানবতার রাজনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত ধর্মের নামে ধোকার রাজনীতি। 1947 এ মুসলিম লীগ নামধারী জারজ মোনাফেক মীরজাফর ওয়াবিলীগের উগ্রবাদি সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির ষড়যন্ত্র সব মানুষের ইন্ডিয়াকে হিংস্র পাশবিক রামরাষ্ট্রে পরিণত করার বিষফল আজ অসহায় নিপীড়িত মুসলিমগণ ভোগ করছেন । আল্লাহতাআলার নুর রাহমাতাল্লিল আলামীন প্রাণাধিক প্রিয়নবীর দেয়া সব ধর্মের সব মত পথের সব মানুষের সমান নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার ভিত্তিক বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীনমানবতার রাষ্ট্র না হলে কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিমগণ সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির খুন জুলুম উৎখাত রাষ্ট্রীয়সন্ত্রাস ধ্বংসযজ্ঞ স্বৈরদস্যুতার শিকার হতে থাকবেন। #আল্লামা ইমাম হায়াতচেয়ারম্যানঃ ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ

ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ Read More »

অবহেলিত গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান হতে চান ফারুক হাসান

অবহেলিত গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান হতে চান ফারুক হাসান আল আমিন হাওলাদার নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম বেশ জোরেশোরেই আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ তাকে আগামী নির্বাচনে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। স্থানীয়দের দাবি, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই নানা দিক থেকে অবহেলিত। তাদের অভিযোগ, বিগত প্রায় ১৭ বছরে ইউনিয়নে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে নানা সমস্যা। এর সঙ্গে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের পানিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়ে। এতে বর্ষা মৌসুমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি ঢল নেমে আসার সময় বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট, বসতভিটা ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোথাও কোথাও ভাঙনের কারণে যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি থাকলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না আসায় ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে জানান তারা। এমন বাস্তবতায় আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন ও কার্যকর নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের একটি অংশ। তাদের মতে, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ, টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা, পাহাড়ি ঢল ও ভাঙন মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ মনে করেন, জনগণের সঙ্গে যার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তৃণমূলের মানুষের সমস্যা যিনি কাছ থেকে বোঝেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়—এমন নেতৃত্বই ইউনিয়নের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম সামনে এসেছে। মোঃ ফারুক হাসান বর্তমানে ভোটে নির্বাচিত ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য। এর আগে তিনি ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তার সমর্থকরা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি কাজ করে আসছেন বলেও দাবি তাদের। সমর্থকদের মতে, ফারুক হাসানের তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাকে চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহও তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে প্রতিবছর সৃষ্ট ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতি রোধ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে তারা অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। মোঃ ফারুক হাসান বলেন, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশাকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভাঙন, যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা এবং শিক্ষা ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতি দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। মানুষের সমর্থন ও আস্থা পেলে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নকে আরও উন্নত, জনবান্ধব ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, দলীয়ভাবে কারা সমর্থন বা মনোনয়ন পাবেন এবং ভোটারদের চূড়ান্ত রায় কার পক্ষে যাবে—তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ঘাটতি, পাহাড়ি ঢলের ভাঙন ও নানা নাগরিক সমস্যায় থাকা গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে এবার পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের বড় একটি অংশ। আর সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের এই আগ্রহ ভোটের মাঠে কতটা প্রভাব ফেলে এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষ কাকে তাদের চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেন—সেদিকেই এখন নজর স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের।

অবহেলিত গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান হতে চান ফারুক হাসান Read More »

পূর্বধলায় রওশন মুন্নির নামে নানা অভিযোগে

পূর্বধলায় রওশন মুন্নির নামে নানা অভিযোগে পূর্বধলা (নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ ​নেত্রকোনার পূর্বধলা সদর উপজেলার রাজপাড়া এলাকায় রওশন মুন্নি নামে এক নারীর বিরুদ্ধে নিজ বাসভবনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। ​তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।​বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় নারী কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ​প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জায়গা দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।​রওশন মুন্নিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই বিষয়ে রৌওশন মুন্নীর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে বলেন, আমার কোন কিছু বলার নেই তবে আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

পূর্বধলায় রওশন মুন্নির নামে নানা অভিযোগে Read More »

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।।কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুরস্থ শ্রীশ্রী রাজ-রাজেশ্বরী কালী মায়ের মন্দিরের ১১তম পুনঃপ্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহানামযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে এ আয়োজন চলছে।এ উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম দিন শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গীতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে গঙ্গা আবাহন ও মঙ্গলঘট প্রতিষ্ঠা এবং শ্রীশ্রী রাজ-রাজেশ্বরী কালী মায়ের পূজা-অর্চনা শেষে রাত ১০টায় শুরু হয় শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন। সংকীর্তন শেষে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা।আয়োজকদের কর্মসূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় দিন রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় বাল্যভোগ, মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ এবং রাতে মায়ের পূজা ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন রয়েছে।তৃতীয় দিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাল্যভোগ, দুপুরে মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ এবং সন্ধ্যায় মায়ের পূজা ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।উৎসবের শেষ দিন মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাল্যভোগ এবং দুপুরে মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় উৎসবে আগত ভক্ত-শ্রোতাদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। রাত ১০টায় হরিনাম সংকীর্তনের পূর্ণাহুতির মধ্য দিয়ে ২৪ প্রহরব্যাপী এ মহানামযজ্ঞের সমাপ্তি হবে।মহানামযজ্ঞে নামসুধা পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার সোনার গৌর সম্প্রদায়, ভোলার বৈষ্ণব নারায়ণ দে সম্প্রদায়, কক্সবাজারের শ্রীশ্রী প্রভু নিতাই চাঁদ সম্প্রদায়, চান্দিনার বাউল সম্প্রদায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহন লাল সম্প্রদায় এবং কুমিল্লার প্রভু প্রাণ গোপাল সম্প্রদায়।আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো আয়োজন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মহানামযজ্ঞের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উপস্থিতি, অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ Read More »

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ মোঃ রফিকুল ইসলাম,ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ হলরুমে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল, বাংলাদেশ-এর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার পরিচিতি, প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, আইনগত সচেতনতা, পেশাগত নৈতিকতা, মানবাধিকার, তথ্যের গোপনীয়তা এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল, বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক। তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের আইনগত সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি। তিনি আরও বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য, অভিযোগ বা বক্তব্য প্রকাশ করলে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম উভয়ই আইনি জটিলতার মুখে পড়তে পারে। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় নথি ও প্রমাণ সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে কারও ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য প্রকাশ না করার পরামর্শ দেন। খায়রুল আলম রফিক বলেন, সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনস্বার্থ জড়িত। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় হামলা, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তথ্য কর্মকর্তার উদ্দেশে তিনি বলেন, “তথ্য কর্মকর্তা সাংবাদিকের বন্ধু।” সাংবাদিক ও সরকারি তথ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। পুলিশ বাহিনী সম্পর্কেও যাচাই ছাড়া কোনো মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়। কোনো অভিযোগ বা ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ এবং ঘটনার বাস্তবতা যাচাইয়ের পরামর্শ দেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য বিভাগের কর্মকর্তা সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, সহনশীলতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ভুল, ভুয়া বা মনগড়া তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মাদক থেকে দূরে থাকা এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম), মোঃআব্দুল্লাহ-আল-মামুন, মোহাম্মদ আলী আবির ও সিয়াম রশিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।এছাড়া কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সম্পাদক ও সংবাদকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা, আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ Read More »

নরসিংদীর শিবপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন

নরসিংদীর শিবপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধনআবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।।নরসিংদীর শিবপুরে মাস ব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলা ৯ইং সেপ্টেম্বর শুক্রবার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।মাহবুবুর রহমান মনিরের সভাপতিত্বে,উক্ত অনুষ্ঠানেপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,নরসিংদী- ৩ শিবপুর আসনের এমপি মনজুর এলাহী।অনুষ্ঠানেউদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাষ্টার,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হারিছ রিকাবদার কালা মিয়া,সাধারণ সম্পাদক,আবু ছালেক রিকাবদার প্রমুখ।এছাড়া মেলায় বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নরসিংদীর শিবপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন Read More »

মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ

মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ নিজস্ব প্রতিবেদক।। জীবনের সবচেয়ে গভীর শূন্যতার নাম মাতৃবিয়োগ। পৃথিবীর কোনো প্রাপ্তি, কোনো সাফল্য কিংবা জীবনের দীর্ঘ পথচলাও মায়ের শূন্যতা পূরণ করতে পারে না। মায়ের স্নেহের পরশ, আঁচলের ছায়া আর মমতার স্মৃতি মানুষের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকে। সেই অমোঘ সত্যেরই এক বেদনাবিধুর প্রতিচ্ছবি কুমিল্লার পরিচিত আইনজীবী ও সামাজিক অঙ্গনের মুখ এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনকাহিনি। শৈশবেই গর্ভধারিণী মাতা স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারকে হারান এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। যে বয়সে একটি শিশু মায়ের আঁচল ধরে পৃথিবীকে চিনতে শেখে, মায়ের কণ্ঠে নিরাপত্তা খুঁজে পায়, মায়ের হাত ধরে জীবনের প্রথম পদক্ষেপ নিতে শেখে—সেই কোমল সময়েই মাতৃস্নেহের ছায়া থেকে বঞ্চিত হতে হয় তাঁকে। মায়ের আদর-স্নেহের স্মৃতি তাঁর শৈশবকে পূর্ণ করে তুলতে না পারলেও জীবনের সেই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর দিদিমা ও একমাত্র মামা। তাঁদের অকৃত্রিম স্নেহ, মমতা, আদর ও ভালোবাসায় ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠেন তিনি। মাতৃহারা শিশুটির জীবনে তাঁরা মায়ের অভাব পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও ভালোবাসা ও আশ্রয়ের যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা আজও গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। জীবনের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আজ তিনি সমাজে প্রতিষ্ঠিত। আইন অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন, মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত থেকেছেন। কিন্তু জীবনের এই অর্জন ও ব্যস্ততার মাঝেও হৃদয়ের এক কোণে মায়ের জন্য রয়ে গেছে এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের স্রোত বয়ে যায়, মানুষ বড় হয়, জীবনের ব্যস্ততা বাড়ে, কত সম্পর্ক আসে-যায়; কিন্তু মায়ের স্মৃতি কখনো পুরোনো হয় না। বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শৈশবের সেই হারিয়ে যাওয়া মায়ের মুখ, স্নেহের স্পর্শ এবং মমতার স্মৃতি যেন আরও গভীরভাবে হৃদয়ে ফিরে আসে। এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাতৃদেবী স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার শান্তি, সৎগতি ও পরম কল্যাণ কামনায় শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইংরেজি, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মধ্যাহ্নে কুমিল্লা নগরীর রাণীর বাজার রোডস্থ শ্রীশ্রী রাসস্থলী (রামঠাকুর) আশ্রমে এক বিশেষ পূজার্চনা, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়। আয়োজনটি ছিল একদিকে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, অন্যদিকে মায়ের প্রতি সন্তানের চিরন্তন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার এক আবেগঘন বহিঃপ্রকাশ। পূজার্চনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত হয়ে প্রার্থনায় অংশ নেন এবং স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের আত্মার শান্তি কামনা করেন। পরে মধ্যাহ্নে অতিথি ও উপস্থিত সবার মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায়, সহ-সভাপতি হারাধন শীল, জেলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, সাবেক জিপি এডভোকেট তপন বিহারী নাগ, মহেশাঙ্গণ লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক, রাণীর বাজার রোডস্থ শ্রীশ্রী রাসস্থলী (রামঠাকুর) আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক ড. দুলাল নন্দী, সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের সদস্য অধ্যাপক নিখিল চন্দ্র রায়, অধ্যাপক অনুকূল চন্দ্র দাশ, সুমন চন্দ্র দেবনাথ, ভূষণ সূত্রধর, ডা. নারায়ণ চন্দ্র পালসহ তাঁর পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্রার্থনাকালে উপস্থিত সবাই স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। মায়ের স্মৃতিকে ঘিরে আয়োজিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যেও ছিল আবেগ ও শ্রদ্ধার আবহ। একজন সন্তানের জীবনে মায়ের স্থান যে কতটা গভীর, তা যেন অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্তে অনুভূত হয়েছে। মাতৃহারা শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার তাঁর দিদিমা ও একমাত্র মামার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের ভালোবাসা ও স্নেহের ঋণ তিনি আজীবন বহন করবেন বলেও অনুভূতি প্রকাশ করেন। কারণ, মাকে হারানোর পর একটি শিশুর বেড়ে ওঠার পথে তাঁরা যে আশ্রয় ও মমতা দিয়েছেন, তা তাঁর জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত এই পূজার্চনা তাই শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন ছিল না; এটি ছিল এক সন্তানের হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও চিরন্তন শ্রদ্ধার প্রকাশ। জীবন মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। সময় মানুষকে অনেক কষ্টের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখায়। কিন্তু মায়ের শূন্যতার সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নেওয়া যেন কখনোই সম্ভব নয়। মায়ের মৃত্যুর বহু বছর পরও তাঁর স্মৃতি সন্তানের হৃদয়ে ঠিক ততটাই জীবন্ত থাকে। কখনো কোনো পুরোনো স্মৃতি, কোনো পরিচিত গন্ধ, কোনো স্নেহময় মুহূর্ত কিংবা জীবনের কোনো বিশেষ দিনে সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষটির কথা আরও বেশি করে মনে পড়ে। এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনেও সেই স্মৃতি আজও অমলিন। শৈশবে হারানো মায়ের জন্য তাঁর হৃদয়ে যে ভালোবাসা জমে আছে, সময়ের ব্যবধান তা মুছে দিতে পারেনি। বরং জীবনের প্রতিটি অর্জন, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মায়ের অনুপস্থিতি তাঁকে নতুন করে অনুভব করিয়ে দেয়—জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদগুলোর একটি হলো মায়ের স্নেহময় উপস্থিতি। স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকার আজ শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি, তাঁর সন্তানকে ঘিরে থাকা মমতার অদৃশ্য বন্ধন এবং তাঁর প্রতি সন্তানের ভালোবাসা আজও অটুট। সেই ভালোবাসাকে হৃদয়ে ধারণ করেই এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার তাঁর মাতৃদেবীর আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনায় এই পূজার্চনা ও প্রসাদের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাই স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার পরম শান্তি ও সৎগতি কামনা করেন। একই সঙ্গে এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার ও তাঁর পরিবারের সকলের মঙ্গল ও শান্তি কামনা করা হয়। মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট দিন নেই, কোনো নির্দিষ্ট সময়ও নেই। মা পৃথিবীতে থাকুন কিংবা না থাকুন সন্তানের হৃদয়ে তিনি বেঁচে থাকেন অনন্তকাল। আর সেই অমর স্মৃতির কাছেই বারবার ফিরে আসে সন্তান, নীরবে প্রার্থনা করে— “মা, তুমি যেখানেই থাকো, শান্তিতে থেকো।”

মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ Read More »

সরিষাবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ ও হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সরিষাবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ ও হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মাসুদ রানা  জামালপুর ​জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিজেদের পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ, প্রাণনাশের হুমকি, বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী জেলে পরিবার। বুধবার দুপুরে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর খুশির ভিটা এলাকায় ঘন্টাব্যাপি মৎসজীবি পরিবারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও  সাদ্দাম হোসেনের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিলো। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে লোকজন নিয়ে জেলে পরিবার শফিকুলের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে এবং পরবর্তীতে আগুন ধরিয়ে দেয়ায় অভিযোগ উঠে। ফলে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শফিকুল। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা জামিনে এসে শফিকুল ইসলাম এর পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ, এলাকা ছাড়ার ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর  পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধনে অংশ নেন। ​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শফিকুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, রওশনারা বেগম, শেফালী আক্তারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। বক্তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সরিষাবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ ও হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন Read More »

কিশোরগঞ্জে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিতফরহাদ হোসেন রাজকিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিকিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব প্রশাসনের অধীন ১৫–১৬তম গ্রেডে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কিশোরগঞ্জে আয়োজিত এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের দাপ্তরিক দায়িত্ব, কর্মশৃঙ্খলা, সততা, নিষ্ঠা ও জনসেবার মানসিকতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকবৃন্দ এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।ওরিয়েন্টেশনে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের নতুন কর্মজীবনে দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিক ও সেবামুখী আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এ সময় নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের নতুন কর্মজীবনের অনুভূতি, প্রত্যাশা ও মতামতও শোনা হয়। তাঁদের কর্মজীবনে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়।অনুষ্ঠানের শেষে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের সফল, সুন্দর ও গৌরবময় কর্মজীবন কামনা করা হয়।

কিশোরগঞ্জে নবযোগদানকৃত কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Read More »

কুমিল্লায় নবনির্বাচিত আইনজীবী সমিতির কমিটিকে সংবর্ধনা

কুমিল্লায় আইনজীবী সহকারী সমিতির বার্ষিক সভা নবনির্বাচিত আইনজীবী সমিতির কমিটিকে সংবর্ধনা নিজস্ব প্রতিবেদক।। কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলার ৭ নম্বর হলরুমে জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি আব্দুল বারী সরদার বারেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান, জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ কাইমুল হক রিংকু, জেলা জিপি এডভোকেট মোঃ তারেক আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার, এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। পরে মরহুম আইনজীবী সহকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানানো হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন বলেন, বিচারপ্রার্থী মানুষ যেন আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীর নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়ায় আইনজীবী সহকারীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, মানুষের সবচেয়ে বেশি যাতায়াত হয় হাসপাতাল ও আদালতে। এ দুটি স্থানে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে এর দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। তাই আইনজীবী সহকারীদের নির্ধারিত পোশাক পরিধান করে শৃঙ্খলা ও পেশাগত মর্যাদা বজায় রেখে বিচারিক কাজে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিচারপ্রার্থী মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিচারক, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে বিচারপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে। মোঃ হেমায়েত উদ্দিন বলেন, “আমি আশাবাদী, আপনারা কুমিল্লার সুনাম ধরে রাখবেন।” তিনি আইনজীবী সহকারীদের সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান বলেন, আদালত অঙ্গনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় আইনজীবী সহকারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আদালতের নিয়ম-কানুন মেনে দায়িত্ব পালন, বিচারপ্রার্থীদের যথাযথ সহযোগিতা এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তারা বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ কাইমুল হক রিংকু বলেন, আইন অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রত্যেকের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী সহকারীরা আইনজীবীদের পেশাগত কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। তাই তাদের দায়িত্বশীলতা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জেলা জিপি এডভোকেট মোঃ তারেক আব্দুল্লাহ বলেন, আদালত অঙ্গনে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও পেশাগত সৌহার্দ্য বজায় রাখার মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা সম্ভব। কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটিকে সংবর্ধনা দেওয়ায় আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আইনজীবী সমাজের স্বার্থ রক্ষা ও পেশাগত পরিবেশ উন্নয়নে নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে। পাশাপাশি আইনজীবী সহকারী সমিতির সঙ্গে আইনজীবী সমিতির সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার বলেন, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পেশাগত সম্পর্ক রয়েছে। আদালত অঙ্গনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উচ্চ পরিষদের সদস্য মোঃ এমদাদ হোসেন বলেন, আইনজীবী সহকারীদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সংগঠনকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করতে হবে। সদস্যদের কল্যাণ ও পেশাগত উন্নয়নে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রয়োজন রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও উচ্চ পরিষদের সদস্য মোঃ আবুল খায়ের খোকন বলেন, সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। আইনজীবী সহকারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশাগত মানোন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও উচ্চ পরিষদের সদস্য মোঃ আবু তাহের কালন বলেন, আইনজীবী সহকারী সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিটি সদস্যকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আদালত অঙ্গনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আক্তার হোসেন বলেন, আইনজীবী সহকারীদের ঐক্য ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। তিনি নতুন প্রজন্মের আইনজীবী সহকারীদের অভিজ্ঞতা অর্জন, পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি আব্দুল বারী সরদার বারেক বলেন, আইনজীবী সহকারী সমিতি সদস্যদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি আদালত অঙ্গনে সুন্দর ও সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিচারক, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হলে বিচারপ্রার্থীরা এর সুফল পাবেন। তিনি সংগঠনের সব সদস্যকে ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং নবনির্বাচিত কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়, সদস্যদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা, কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়। অনুষ্ঠানে কুমিল্লা আদালত অঙ্গনে কর্মরত বিচারক, আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবুল আলম উজ্জ্বল।

কুমিল্লায় নবনির্বাচিত আইনজীবী সমিতির কমিটিকে সংবর্ধনা Read More »

ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রয়াসে রামপাল উপজেলাকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত ঘোষণা 

ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রয়াসে রামপাল উপজেলাকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত ঘোষণা  মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রামপাল এরিয়া কো অর্ডিনেশনের প্রয়াসে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলাকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম এবং স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। “আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব, শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রামপাল উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে রামপাল এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে রামপাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ তামান্না ফেরদৌসি-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ফুলি সরকার (সিনিয়র ম্যানেজার, রামপাল কো-অর্ডিনেশন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ), মোঃ জামাল উদ্দিন (ন্যাশনাল এ্যাডভোকেসী কোর্ডিনেটর, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ), শেখ রাজিব আল রশিদ (অফিসার ইনচার্জ, রামপাল থানা), কানিজ ফাতেমা শেফা (উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা), ইনসাদ ইবনে আমিন (রামপাল উপজেলা কৃষি অফিসার), ডাঃ সুকান্ত কুমার পাল (রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা), মোঃ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার (উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার) এবং মোঃ ইমরান হোসেন (উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী)। এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নাথন চৌকিদার (সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার), বিউটি কুইন (চাইল্ড রাইটস ইন এ্যাকশন), লিটন হিউবার্ট কোড়াইয়া (চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার), সুবাস জয়ধর (প্রোগ্রাম অফিসার), পার্থ সারথী দেবে (প্রোগ্রাম অফিসার) ও শিউলি কস্তা (প্রোগ্রাম অফিসার) উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার ঈশিতা বৈরাগী। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত চাইল্ড ফোরাম ও ইয়ুথ ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং ওয়ার্ল্ড ভিশনের আলোয় আলোকিত হওয়া শিশুরা উপস্থিত ছিল।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ গঠনে বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিশুশ্রম প্রতিরোধ এবং ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় স্কুলে ফিরিয়ে আনা অপরিহার্য। রামপাল উপজেলাকে এই সামাজিক সমস্যাগুলো থেকে মুক্ত রাখতে প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এই যৌথ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই সাফল্য ধরে রাখতে শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রয়াসে রামপাল উপজেলাকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত ঘোষণা  Read More »

সাঘাটায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

সাঘাটায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার সাঘাটায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সাঘাটা থানা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রী রতন কুমার দত্তের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(গ) ধারায় দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সাঘাটা থানার মামলা নং-৩৩, তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আসামি রুস্তম আলী (৪৮), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী, সাং-চিনির পটল; মামলা নং-৩৪-এর আসামি মফিজুর (৪৮), পিতা-মকর আকন্দ, সাং-দক্ষিণ ঝাড়াবর্ষা এবং মামলা নং-৩৫-এর আসামি শফিকুল মন্ডল (৬০), পিতা-মৃত [নাম], সাং-দক্ষিণ চিনির পটল। তিনজনেরই বাড়ি সাঘাটা উপজেলায়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য (গাঁজা ও ইয়াবা) সেবনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২১ নম্বর ধারায় প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে যথাযথ পুলিশ এসকটের মাধ্যমে তাদের গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। সাঘাটা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সাঘাটায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড Read More »

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তারফরহাদ হোসেন রাজকিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিকিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুল হক সজীবকে গ্রেপ্তার করেছে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর মডেল থানার একটি অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১৮(০৯)২০২৪। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, অপরাধ নির্মূলে পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। এলাকায় মিছিল, সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার Read More »

জামালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জেলে পরিবারের উপর হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

জামালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জেলে পরিবারের উপর হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ মাসুদ রানা জামালপুর সংবাদদাতা : জামালপুর সরিষাবাড়ীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে নিরীহ জেলে পরিবারের উপর হামলা, ঘরবাড়ী ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত ২ টার দিকে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের কৃষ্টপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন এবং ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাতের বেলায় আকস্মিক এমন হামলায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা দাবি করেছেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ভাটারা ইউনিয়নের কৃষ্টপুর গ্রামের মৃত আব্দুস ছালামের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৫৬) এর সাথে পাশ্ববর্তী মৃত আব্দুল করিম ব্যাপারীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩৫) এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলতেছিলো। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গভীর রাতে লোকজন নিয়ে জেলে পরিবার শফিকুলের বাড়ীতে হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে এবং পরবর্তীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফলে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এসময় জেলে পরিবারের আব্দুল গনি (৬০), রওশনারা (৬৫) এবং মুমতাজ উদ্দিন (৪০) আহত হয়। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে ২১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২৫-৩০ জন উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শফিকুল। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। যা আদালতে মামলায় আমার পক্ষে রায় হয়। এরপর থেকেই আমি এ জমিতে বাড়ী-ঘর নির্মান করে বসবাস করতেছি । শনিবার রাত ২ টার দিকে হঠাৎ আমার বাড়ীতে শতাধিক লোকজন নিয়ে এসে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন ও অন্যান্যদের বাড়িতে এ বিষয়ে জানতে চাইতে গেলে বাড়িতে কাউকে না পাওয়ায় উক্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি । এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই বলেন রাত্রে সাদ্দাম সহ অনেকেই এই হামলা ও লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটায় এবং বলে যায় উক্ত বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিলে তাকে জানে শেষ করে দিবে । এছাড়া আরো একাধিকবার সাদ্দামের বিষয়ে বিভিন্ন অনৈতিক অভিযোগ ও সন্ত্রাসী কায়দায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে । এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি । উক্ত বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জামালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জেলে পরিবারের উপর হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ Read More »

আইএফআরসির মানবিক সহায়তা নেপালে

সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে নেপালের নুয়াকোটের দেবীঘাট ও ত্রিশূলী এলাকায়। বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনেক স্থাপনা কাদা ও বালির নিচে চাপা পড়েছে।এ অবস্থায় দুর্গতদের সহায়তায় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে নেপাল রেড ক্রস সোসাইটি (এনআরসিএস), আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিস ফেডারেশন (আইএফআরসি)। বন্যার ভয়াবহতা বেশি দেখা যায় নুয়াকোটের দেবীঘাট এলাকায়। সেখানকার বহুতল ভবনের ছাদে এখনো বড় বড় গাছের শিকড় আটকে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের ঘরবাড়ি থেকে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরানোর চেষ্টা করছেন।এ ছাড়াও বন্যায় সেখানকার সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ত্রিশূলী বাজার এলাকায় ব্যাংক, বিভিন্ন স্থাপনা ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো নদীর স্রোত তীব্র ও ঝুঁকিপূর্ণ। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন থেকে অনেকে নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।নেপাল সেনাবাহিনীর সদস্য, স্কাউট ও স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিষ্কারে কাজ করছেন। একই সঙ্গে এনআরসিএসের স্বেচ্ছাসেবকরা আইএফআরসির সহায়তায় বন্যাকবলিত মানুষের মধ্যে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করছেন। এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারীদের ডিগনিটি কিট দেওয়া এবং জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রমেও সহায়তা করছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতেও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এনআরসিএসের কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা আইএফআরসির সহায়তায় জরুরি নন-ফুড আইটেম (এনএফআই) দুর্গত এলাকায় পাঠানোর জন্যও পরিবহন করছে

আইএফআরসির মানবিক সহায়তা নেপালে Read More »

সেনা অভিযান বেলুচিস্তানে নিহত ৪৮

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় ভারত-সমর্থিত গোষ্ঠীর ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। তাদের সবাই ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলো বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা (আইএসপিআর)। সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, বেলুচিস্তানের মাস্তুং, কোয়েটা, কালাত এবং সিবিতে ‘ভারতীয় মদদপুষ্টদের’ বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযান চালিয়ে ৩৬ ‘সন্ত্রাসীকে’ হত্যা করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ৪ সেপ্টেম্বর মাস্তুংয়ে একটি অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের গতিবিধি শনাক্ত করে তাদের ওপর হামলা চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তীব্র গোলাগুলির পর ছয় ‘ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসী’ নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, ধ্বংস করা হয়েছে অনেক বিস্ফোরক যন্ত্র।বিবৃতিতে বলা হয়, আরেকটি সংঘর্ষে কোয়েটা জেলার শাবান এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সেনারা ‘খাওয়ারিজদের’ চারটি আস্তানা শনাক্ত করে এবং ২৬ জনকে হত্যা করে। এছাড়া কালাতে নিরাপত্তা বাহিনী একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ‘দুই ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে’ হত্যা করে। সিবি জেলার ভাগ এলাকায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে ভাগ পুলিশ স্টেশনে হামলার একটি সন্ত্রাসী চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়া হয়।এসময় গোলাগুলিতে দুই ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসী নিহত হয় বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। পাক সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আরও জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ পরিকল্পনার অধীনে চলমান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণগতিতে অব্যাহত থাকবে। দেশ থেকে বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদের হুমকি নির্মূলের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি। মূলত বেলুচিস্তানের নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মিকে (বিএলএ) ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ বলে আখ্যায়িত করে থাকে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, এই দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন ও সহযোগিত রয়েছে নয়াদিল্লির।

সেনা অভিযান বেলুচিস্তানে নিহত ৪৮ Read More »

ফিলিস্তিনের আঙুরবাগানে ইসরায়েলিদের চুরি

পশ্চিম তীরে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ফিলিস্তিনি আঙুরবাগান থেকে চুরি করে আঙুর নিয়ে যেতে দেখা গেছে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের একটি পরিবারকে। চুরির এই ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করেন সেখানে উপস্থিত অধিকারকর্মীরা। টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, পশ্চিম তীরের হেবরনের উত্তরে হালহুল এলাকায় ‘রিজার্ভিস্টস অ্যাগেইনস্ট টেরর’ নামে ইসরায়েলি কর্মীদের একটি দল ওই আঙুরবাগানের মালিক ফিলিস্তিনি কৃষকদের সহায়তা করতে সেখানে গিয়েছিল। তাদের ধারণ করা ভিডিওতে শিশুদের নিয়ে একটি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী পরিবারকে বাগান থেকে আঙুর নিতে দেখা যায়। ওই দলের সদস্য আভিয়াদ হোমিনার-রোজেনব্লুম বলেন, আইডিএফ এলাকাটিকে ‘বন্ধ সামরিক অঞ্চল’ ঘোষণা করে সেখানে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি কৃষক ও ইসরায়েলি অধিকারকর্মীদের সরিয়ে দেয়। তাদের সেখানে যেতে আগে থেকে সমন্বয় বা অনুমতির প্রয়োজন ছিল বলে জানানো হয়।পরে অধিকারকর্মীরা তাদের কাছে এগিয়ে গেলে বসতি স্থাপনকারীরা নিজেরাই সেখান থেকে চলে যায় বলে জানান হোমিনার-রোজেনব্লুম। তিনি আরো বলেন, অধিকারকর্মীরা ফিরে যাওয়ার পর দেখতে পান, তাদের যানবাহনের কয়েকটি টায়ার ফুটো করে দেওয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনের আঙুরবাগানে ইসরায়েলিদের চুরি Read More »

কুমিল্লায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

কুমিল্লায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, ধর্মীয় সংগীত ও ভক্তদের জয়ধ্বনিতে মুখরিত কুমিল্লা নগরী তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।। “যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত। অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥ পরিত্রাণায় হি সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্। ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে॥” — পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার এই অমর বাণীকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লাতেও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা, আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী মহোৎসব। এ উপলক্ষে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শ্রীশ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটি, কুমিল্লার উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে বিরাজ করে আনন্দঘন পরিবেশ। বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর ও ভক্তদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। সকাল সাড়ে ৮টায় কুমিল্লা নগরীর রাণীর বাজার রোডস্থ শ্রীশ্রী রাসস্থলী ও রামঠাকুর আশ্রমের প্রধান ফটকের সামনে থেকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। নানা সাজসজ্জা, ধর্মীয় প্রতীক, ব্যানার-ফেস্টুন, কীর্তন, ধর্মীয় সংগীত ও ভক্তিমূলক পরিবেশনায় শোভাযাত্রাটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, ধর্মীয় সংগীত ও ভক্তদের জয়ধ্বনিতে শোভাযাত্রাজুড়ে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন ও পবিত্র পরিবেশ। ভক্তদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় ‘জয় শ্রীকৃষ্ণ’, ‘হরে কৃষ্ণ’ সহ নানা ধর্মীয় জয়ধ্বনি। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও প্রাণচাঞ্চল্য। শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি এবং কৃষ্ণ-রাধার সাজে সজ্জিত শিশুদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা শোভাযাত্রায় যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখার আহবায়ক ও শ্রী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটি কুমিল্লা’র আহবায়ক শ্রী শ্যামল কৃষ্ণ সাহা’র সভাপতিত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাজী আমিন-উর রশিদ ইয়াছিন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ ও দর্শনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা সত্য, ন্যায়, মানবতা, কর্তব্যবোধ ও শান্তির পথে চলার অনুপ্রেরণা দেয়। অন্যায়-অসত্যের বিরুদ্ধে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার যে চেতনা শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শনে রয়েছে, তা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ধারণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করে যুগ যুগ ধরে এ দেশের মানুষ পরস্পরের ধর্মীয় উৎসব ও আনন্দে অংশ নিয়ে আসছে। এই সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। জন্মাষ্টমীর এই পবিত্র দিনে তিনি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানুষের কল্যাণ কামনা করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসূফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ রোজী আকতার। ওই শোভাযাত্রায় অংশ নেন- বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী ও আইসিটি সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার আহবায়ক শ্রী কমল চন্দ খোকন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র সরকার, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির কমিটির সভাপতি সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান মৃত্যুঞ্জয় যুধিষ্ঠি দাস ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী অচিন্ত্য দাশ টিটু, সাধারণ সম্পাদক পিংকু চন্দ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশীষ দাস, মহেশাঙ্গণ শ্রীশ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ মধুসূদন রায়, নগরীর ছাতিপট্টি নৃসিংহ বিগ্রহ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রদীপ কুমার সাহা, ত্রিশূল উপদেষ্টা ড. বিশ্বজিৎ দেব ও এডভোকেট স্বর্ণকমল নন্দী পলাশ, রামনবমী উদযাপন কমিটির সভাপতি কিশোর দাস, জাগো হিন্দু পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি সাগর দাস, ত্রিশূল সাধারণ সম্পাদক অনন্য ভৌমিক প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লার সনাতনী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শনের মধ্যে সত্য, ন্যায়, কর্তব্য, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার যে শিক্ষা রয়েছে, তা সর্বজনীন। বর্তমান সমাজে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজন পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার আহ্বান জানান তাঁরা। অতিথিরা আরও বলেন, কুমিল্লা দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে একে অপরের উৎসবে অংশ নিয়ে আসছেন। জন্মাষ্টমীর এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সেই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রীশ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটি কুমিল্লার যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী সঞ্জিত দেবনাথ এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী সুব্রত চৌধুরী তপু। তাঁরা বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সত্য, ন্যায়, প্রেম, মানবতা ও নৈতিকতার পথে চলার অনুপ্রেরণার দিন। শ্রীকৃষ্ণের আদর্শকে ধারণ করে সমাজ থেকে অন্যায়, অসত্য, হিংসা ও বিদ্বেষ দূর করে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে হবে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব দিলীপ কুমার নাগ কানাই। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ভক্তদের অনেকেই বলেন, এই শোভাযাত্রা তাঁদের কাছে শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়; এটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁদের গভীর ভক্তি, ভালোবাসা ও আত্মিক টানের বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিন পর এমন প্রাণবন্ত আয়োজন তাঁদের হৃদয়ে আনন্দের সঞ্চার করেছে। শোভাযাত্রায় নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর ও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। কারও হাতে ছিল শ্রীকৃষ্ণের পতাকা, কারও হাতে ধর্মীয় প্রতীক, আবার অনেকের পরনে ছিল ঐতিহ্যবাহী পোশাক। কীর্তনের তালে তালে ভক্তদের নৃত্য, শঙ্খের ধ্বনি ও উলুধ্বনিতে পুরো নগরী যেন এক ভক্তিময় আবহে আবিষ্ট হয়ে ওঠে। কোথাও কৃষ্ণের বাল্যলীলা, কোথাও রাধা-কৃষ্ণের প্রতীকী উপস্থাপনা, আবার কোথাও ধর্মীয় সংগীত ও কীর্তনের মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণের মহিমা তুলে ধরা হয়। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে নগরবাসীও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপভোগ করেন। অনেকেই মোবাইল ফোনে শোভাযাত্রার দৃশ্য ধারণ করেন। শিশুদের উচ্ছ্বাস, নারীদের উলুধ্বনি এবং ভক্তদের জয়ধ্বনিতে পুরো পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আবেগঘন। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী মূলত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় প্রতিষ্ঠা, অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয় এবং মানবতার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান। তাই এই উৎসবের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও বৃদ্ধি পাক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজক ও ভক্তরা। তাঁরা বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষের মধ্যে বিভেদ ও বিদ্বেষের পরিবর্তে ভালোবাসা ও মানবিকতার চর্চা বাড়ানো জরুরি। শ্রীকৃষ্ণের বাণী ও জীবনাদর্শ সেই মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়। দিনব্যাপী ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিকে ঘিরে কুমিল্লা নগরীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি জন্মাষ্টমীর আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত। একদিকে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, অন্যদিকে উৎসবের আনন্দ—দুইয়ের অপূর্ব সমন্বয়ে কুমিল্লার জন্মাষ্টমী মহোৎসব হয়ে ওঠে সর্বজনীন আনন্দের উপলক্ষ। সবশেষে ভক্তদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় শান্তি ও সম্প্রীতির প্রত্যাশা। তাঁদের বিশ্বাস, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ অনুসরণ করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চললে সমাজ থেকে অন্যায়, হিংসা ও বিদ্বেষ দূর করা সম্ভব। মানুষের মধ্যে গড়ে উঠবে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। শঙ্খধ্বনি,

কুমিল্লায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা Read More »

মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর জেনারেল (অবঃ)এমএজি ওসমানীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর জেনারেল (অবঃ)এমএজি ওসমানীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ বঙ্গবীর এমএজি ওসমানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গত রবিবার,৩০ আগস্ট ২০২৬,বাংলাদেশ সময় ১১টায় এবং নিউইয়র্ক অপরাহ্নে ১টায়।খবর আইবিএননিউজ ।এতে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের আহবায়ক ও গবেষক এডভোকেট এএনএম ঈসা ও পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব এবং সভার স্পীকার এমএ রউফ ।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক,যুক্তরাজ্য এর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষক,অধ্যাপক ড.মনিরুজ্জামান খান।বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) নাজমুল গনী, মেজর ইমরান মিয়া, জাতীয় তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হারুনুর রশিদ খান, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের অন্যতম উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন,ফ্রান্স প্রতিনিধি মির্জা সুমন, গাজীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব রিংকু, ইসমাইল খান, আমিনুর রশিদ ইউকে এবং ফজলুল করিমসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্ত নেতৃবৃন্দ। “বঙ্গবীর ওসমানীর ঐতিহাসিক মর্যাদা রক্ষা করতে হবে” — অ্যাডভোকেট এএনএম ইসা সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এএনএম ইসা বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জেনারেল এমএজি ওসমানীর ভূমিকা স্বতন্ত্র ও ঐতিহাসিক। তাঁর নামের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত “বঙ্গবীর” উপাধি বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং জাতীয় সম্মানের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, ইতিহাসের স্বীকৃত উপাধি ও মর্যাদা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা উচিত নয়। কারও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বা রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের পরিচয় ও মর্যাদাকে অস্পষ্ট করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিভ্রান্ত হবে। তিনি বলেন,”ইতিহাস যার যে মর্যাদা দিয়েছে, সেই মর্যাদা তাকে দিতে হবে। ওসমানীর ঐতিহাসিক অবদানকে ছোট করা যেমন অন্যায়, তেমনি তাঁর স্বীকৃত পরিচয়কে নিয়ে অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করাও সমীচীন নয়।” অ্যাডভোকেট এএনএম ইসা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিলের বহুল আলোচিত বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ শুধু একটি পতাকা বা ভূখণ্ড অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হয়। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে সংসদ, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর করতে হবে।“রাষ্ট্র ব্যর্থ হওয়ার বহু লক্ষণ বাংলাদেশে দৃশ্যমান” — ড. মনিরুজ্জামান খান প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মনিরুজ্জামান খান বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র ধীরে ধীরে দুর্বল বা ব্যর্থ হওয়ার পথে গেলে সাধারণত প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়, আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়, জবাবদিহি কমে যায়, অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ে এবং নাগরিকদের আস্থা নষ্ট হয়। তাঁর মতে, বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এসব বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় প্রবাসী বাংলাদেশিরা অর্থ, জনমত, কূটনৈতিক প্রচার এবং নানাভাবে দেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আজকের বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করতেও প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সংগঠিত ভূমিকা প্রয়োজন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি পাঁচটি পর্যায়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার একটি ধারণা তুলে ধরেন। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) নাজমুল গনী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতীয় নেতৃত্বের মূল্যায়ন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতিহাসকে রাজনৈতিক সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন না করে গবেষণা, দলিল, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। “আশা হারালে চলবে না” — হারুনুর রশিদ খান বাংলাদেশ আজাদ পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হারুনুর রশিদ খান বলেন, দেশের বর্তমান সমস্যা যত কঠিনই হোক, আশা ছেড়ে দিলে চলবে না। তিনি বলেন,“স্বাধীনতার যে স্বপ্ন নিয়ে মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। হতাশা কোনো জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে না।” “স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ছিল অনেক বড়” — বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সময় তাঁদের প্রত্যাশা ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। তিনি ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও তুলে ধরে বলেন, মানুষ অনেক আশা নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনের লক্ষ্য ও সুফল জনগণের কাছে কতটা পৌঁছেছে, তা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা দরকার। তিনি বলেন, কোনো আন্দোলনের প্রকৃত সাফল্য শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনে নয়; বরং রাষ্ট্রীয় কাঠামো, সুশাসন, জবাবদিহি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যে নিহিত। “ওসমানীকে যথাযথ মূল্যায়ন না করায় জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে” — ফজলুল হক জাতীয় তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফজলুল হক বলেন, জেনারেল এম এ জি ওসমানীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ তাঁর হয়েছিল। তিনি বলেন, ওসমানীর নেতৃত্ব, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলাবোধ এবং রাষ্ট্রচিন্তা থেকে নতুন প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর ওসমানীকে তাঁর অবদানের তুলনায় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। ফজলুল হক অ্যাডভোকেট এএনএম ইসার দীর্ঘদিনের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার ও সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বিবেক ও নির্বাচনী এলাকার মানুষের স্বার্থ অনুযায়ী কথা বলার সুযোগ থাকতে হবে। তিনি সবাইকে সংসদকে আরও স্বাধীন, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।বিশেষ অতিথি সংগঠনের উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন,মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর জেনারেল (অবঃ)এমএজি ওসমানীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে ।তিনি আরো বলেন,“ইতিহাসের যথাযথ মূল্যায়ন, স্বাধীন সংসদ ও প্রবাসীদের অধিকার নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়”।“ভারতকে বন্ধু চাই, প্রভু বা শত্রু নয়” — এমএ রউফ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব এমএ রউফ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “ভারতকে আমরা বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই; প্রভু হিসেবে নয়, আবার শত্রু হিসেবেও নয়।” তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রয়োজন, তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সার্বভৌমত্ব, ন্যায্যতা, পারস্পরিক সম্মান ও উভয় দেশের জনগণের স্বার্থের ভিত্তিতে। “ওসমানীর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে যথেষ্টভাবে পৌঁছাচ্ছে না” — মির্জা সুমন ফ্রান্স থেকে যুক্ত মির্জা সুমন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে জেনারেল ওসমানীর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলেও তাঁর কর্ম, চিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে প্রয়োজনীয় মাত্রায় তুলে ধরা হচ্ছে না। তিনি বলেন, এমনকি তাঁর ঐতিহাসিক উপাধি ও পরিচয় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হওয়া দুঃখজনক। “যে জাতি কৃতজ্ঞতা জানে না, সে জাতি এগোতে পারে না” — জালাল উদ্দিন জালাল উদ্দিন বলেন, একটি জাতির নৈতিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে তার ইতিহাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি বলেন,“যে জাতি তার ত্যাগী মানুষ, মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় বীরদের অবদান স্বীকার করতে জানে না, সেই জাতির পক্ষে স্থায়ী উন্নতি অর্জন করা কঠিন।” তিনি ইতিহাসের সঠিক সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের নির্ভরযোগ্য ইতিহাস শেখানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবির প্রতি সমর্থনের আহ্বান আলোচনায় আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের চলমান ছয় দফা দাবি নিয়েও আলোচনা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান শুধু বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর জেনারেল (অবঃ)এমএজি ওসমানীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে Read More »

নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের উদ্বোধন শুক্রবার

নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের উদ্বোধন শুক্রবার,৪ সেপ্টেম্বর হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ ঐতিহাসিক ৪০তম ফোবানা সম্মেলন শুক্রবার,৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,উদ্বোধন করা হবে নিউইর্য়কের কুইন্স এর লংআইল‍্যান্ড সিটির ইভানজেল ক্রিশ্চিয়ান সেন্টারে ।লেবার ডে উইক এন্ড ডে অনুষ্ঠিতব্য ৪০তম ফোবানা সম্মেলন তিন দিনব্যাপী শুক্রবার,শনিবার ও রবিবার,৪,৫ এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,চলবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালা চুরান্ত করেছে আয়োজকগন।এবারের ঐতিহাসিক ফোবানার প্রশংসনীয় দিক হচ্ছে এই প্রথম স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে উৎসর্গ করে এবারের সম্মেলন করা হচ্ছে ।আয়োজক হিসেবে রয়েছে এনআরবি অ্যাসোসিয়েশন, ইউএসএ। ফোবানা (Federation of Bangladeshi Associations in North America) উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর বৃহত্তম ফেডারেশন। চার দশকের এই ঐতিহ্যবাহী সম্মেলনে হোস্ট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সঙ্গে যারা দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার আরেকটি মাইলফলক স্থাপন করলেন এবারের সম্মেলনের আয়োজক গন।নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিনিয়র উপদেষ্টা নির্বাচিত হওয়ায় ।তারা মনে করেন“সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকনের ৪০তম ফোবানা সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করতে তার সহযোগিতা এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের স্বার্থ আরও সুরক্ষিত হবে। আমরা তার এই দায়িত্ব পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সাফল্য কামনা করি।”খবর আইবিএননিউজ ।ফোবানার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলা একাডেমি একুশে পদক বিজয়ী অথর ড.নূরান নবী,ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান ও কমিউনিটি অ্যাকটিভিস্ট জাকারিয়া চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি দেওয়ান মনিরুজ্জামান, উপ এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ও সাংবাদিক সুব্রত তালুকদার,৪০তম ফোবানার কনভেনার নুরুল আমিন বাবু, মেম্বার সেক্রেটারি ও কবি মনজুর কাদের এবং চিফ প্যাট্রন শফিকুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে সম্মেলনটি আয়োজিত হচ্ছে।তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি । বাপসনিউজ জানিয়েছে শুক্রবার বিকাল ৭টায় ঐতিহাসিক ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা,বাংলা একাডেমির একুশে পদকপ্রাপ্ত অথর,লেখক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.নুরান নবী।ঐতিহাসিক ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের আয়োজকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশ ও প্রবাসের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক,পেশাজীবী,কবি,লেখক, শিল্পী-কলাকুশলী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক এবং সর্ব স্তরের মানুষ এই সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেছেন ।এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ।

নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের উদ্বোধন শুক্রবার Read More »

শিবপুরে তৃনমুল শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত আবু নাঈম রিপন :নরসিংদী প্রতিনিধি।।নরসিংদীর শিবপুরে,তৃনমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় চিন্হিতকরন ও বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য আনয়নের লক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী শিবপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলতাফ হোসেন প্রমুখ। এছাড়া বিদ্যালয়ের ক্রিড়া শিক্ষক রা উপস্থিত ছিলেন।

শিবপুরে তৃনমুল শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত Read More »

কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের পর হত্যা আসামির যাবজ্জীবন

কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা আসামির যাবজ্জীবন নিজস্ব প্রতিবেদক।।কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিয়া সুলতানা ইমু (১০) কে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে মো. জসিম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আব্দুল হান্নান এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জসিম উদ্দিন বরুড়া উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মৃত মনোহর আলীর ছেলে। আদালত সূত্রে ও মামলার নথি থেকে জানা যায়- ঘটনার দুই দিন আগে নাদিয়া সুলতানা ইমু তার মায়ের খালা বাড়ি বরুড়া উপজেলার গজারিয়ায় বেড়াতে যায়। ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে নাদিয়াকে তাজু মিয়ার মুদি দোকানে পাঠানো হয়। কিন্তু দোকান থেকে বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করতে থাকেন। পরে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বরুড়া উপজেলার রাড়ী গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির উত্তর পাশে আব্দুল লতিফের বাঁশ বাগানে নাদিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের মা মঞ্জুমা বেগম (৪০) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বরুড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (২) ধারায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ মো. জসিম উদ্দিনকে শনাক্ত করে আটক করে। পরে তদন্তে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পর তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে এলে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায়ে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের পর হত্যা আসামির যাবজ্জীবন Read More »

সরিষাবাড়ীতে পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  

সরিষাবাড়ীতে পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত   মাসুদ রানা  জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুর সরিষাবাড়ীতে বৃহস্পতিবার বিকালে পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উক্ত স্কুলের মাঠ প্রাঙ্গনে অভিভাবক সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে । উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম অপু  সদস্য ম্যানেজিং কমিটি পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় । অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন পিংনা  বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আবু হানিফা হানিফ । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আফরোজা আফসানা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরিষাবাড়ী ।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ , টি , এম রুহুল আমিন বেগ , মোঃ আব্দুর রশিদ  সভাপতি ম্যানেজিং কমিটি শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয় বাশুরিয়া, সরিষাবাড়ী  । এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন পিংনা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ তালুকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ , ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া , ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমাল ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব সহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী উক্ত বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ অভিভাবকবৃন্দ  ।

সরিষাবাড়ীতে পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত   Read More »

মহাদেবপুরে মাদ্রাসার পথ অবরোধের অভিযোগ, ইউএনও বরাবর আবেদন

মহাদেবপুরে মাদ্রাসার পথ অবরোধের অভিযোগ, ইউএনও বরাবর আবেদন সুমন কুমার বুলেট নওগাঁ জেলাঃ নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় একটি কাওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের চলাচলের পথ অবরোধ করে গাছ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসার সেক্রেটারি ও পরিচালক।আবেদনে বলা হয়েছে, মোঃ ইমরান আলী মহাদেবপুর সদর, থানা-মহাদেবপুর, জেলা-নওগাঁ। তিনি বর্তমানে উপজেলার ০১ নং সদর ইউনিয়নের অন্তর্গত নাটশাল গ্রামস্থ নবীনগর এমদাদুল উলুম মাহমুদিয়া কাওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার সেক্রেটারি ও পরিচালক হিসেবে কর্মরত। মাদ্রাসাটি ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাদ্রাসা থেকে মেইন রাস্তায় ওঠার জন্য একটি পায়ে চলাচলের রাস্তা রয়েছে। কিন্তু বিবাদীরা ওই রাস্তায় গাছ লাগিয়ে মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষকদের চলাচল ব্যাহত করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন—শ্রী নীলু কুমারশ্রী সুনত কুমারউভয়ে মৃত সুধীরের ছেলে। তাঁদের ঠিকানা উপজেলার সদর ইউনিয়ন নাটশালআবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিবাদীদের এমন পথরোধের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা বিভিন্ন তালবাহানা করেন। তালবাহানা করতে নিষেধ করলে তাঁরা হুমকি প্রদান করেন। এ কারণে কোনো ধরনের হট্টগোল না করে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।অভিযোগকারী মোঃ ইমরান আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েছে। বিবাদি নীলুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,“তার জায়গাটি সম্পূর্ণ কিনে নিতে হবে, সিঙ্গেল ভাবে রাস্তার জন্য জায়গা সে বিক্রয় করবে না বা ওইভাবে রাস্তাটিতে যাওয়া আসার জন্য ছেড়ে দিয়ে রাখবেন না৷”

মহাদেবপুরে মাদ্রাসার পথ অবরোধের অভিযোগ, ইউএনও বরাবর আবেদন Read More »

সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা

সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা ফরহাদ হোসেন রাজকিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি মায়ের চোখে জল, বুকভরা আকুতি—‘আমার সন্তানকে বাঁচান।’মাত্র ৪ মাস ৬ দিনের ছোট্ট ফুয়াদ। পৃথিবীর আলো দেখার পর যে বয়সে মায়ের কোলে নিশ্চিন্তে থাকার কথা, সেই বয়সেই জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছে শিশুটি।শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে পেট। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন লিভার প্রতিস্থাপন। আর সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতেও প্রস্তুত মা ভূবন আক্তার বীথি।কিন্তু সন্তানের চিকিৎসার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শিশু ফুয়াদের শরীরে সম্প্রতি ধরা পড়ে জটিল রোগ ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’। চিকিৎসকের পরামর্শে তার অস্ত্রোপচার করা হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে পরিবার জানিয়েছে।চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। এজন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। সেখানে চিকিৎসা ও লিভার প্রতিস্থাপনে আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে।এই বিপুল অর্থের কথা শুনে দিশেহারা পরিবারটি। ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ঋণ নেওয়া এবং জমি বন্ধক রেখে পাওয়া অর্থের বড় অংশ ব্যয় হয়ে গেছে। এখন নতুন করে এত টাকা সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়েট্রিক সার্জারি ও পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে ফুয়াদের।ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বর্গাচাষি মো. রতন মিয়ার ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে সাত মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন। দেশে থাকাকালে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।অন্যদিকে ফুয়াদের মা ভূবন আক্তার বীথি শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। একদিকে সন্তানের অসুস্থতা, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল ব্যয়—সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাঁর।সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে বীথি বলেন,“সন্তানকে বাঁচাতে আমি নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকেরা বলেছেন, লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সবাই সামান্য করে সহযোগিতা করলে হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারব।”মায়ের এই আকুতি এখন পৌঁছাতে চায় দেশের মানুষের কাছে। কারও সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট একটি সহযোগিতাও হতে পারে ফুয়াদের চিকিৎসার পথে বড় সহায়তা।একটি শিশুর জীবন, একটি মায়ের স্বপ্ন, একটি পরিবারের শেষ আশা—মানবিক মানুষের সহযোগিতায় হয়তো বেঁচে উঠতে পারে ছোট্ট ফুয়াদ।ফুয়াদের চিকিৎসায় সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমনাম: মোছা. ভূবন আক্তার বীথিসঞ্চয়ী হিসাব নম্বর: ৬২০৮৩০১০১২২৯৪ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক পিএলসিশাখা: সূর্যদী বাজার, শেরপুরবিকাশ (পার্সোনাল): ০১৯৪৮০৮৭০৩৬নগদ ও রকেট: ০১৩৫১০২৮২৭৭

সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা Read More »

“স্বার্থান্বেষী ও নিজস্বার্থে কাজ করা নেতা কর্মীদের হুশিয়ারী”

স্বার্থান্বেষী ও নিজস্বার্থে কাজ করা নেতা কর্মীদের হুশিয়ারী, ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম শাহীন। মাহবুব আলম, অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ): কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহিনের কার্যালয় থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা হাতে অংশ নেন। এ সময় তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দলীয় ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ছাত্রদলের আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেল, যুবদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনা, শ্রমিক দলের সভাপতি মীর রাজীব হোসেন তাপস, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি জাকির হোসেন শফি, মৎসজীবী দলের সভাপতি মাহফুজ আলম খান দানা, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি এস এম জাবেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহিন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে লালন করে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশনায়ক তারেক রহমান দেশ পরিচালনা করছেন।”তিনি দেশের উন্নয়নে বিএনপির লক্ষ্য ও অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দলের মধ্যে স্বার্থান্বেষী ও নিজস্বার্থে কাজ করা ব্যক্তিদের সতর্ক করে দেন। সভায় বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দলের ভূমিকা এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দলের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। আগামী দিনে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা। এ সময় উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

“স্বার্থান্বেষী ও নিজস্বার্থে কাজ করা নেতা কর্মীদের হুশিয়ারী” Read More »

নরসিংদীর রায়পুরায় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার এক

নরসিংদীর রায়পুরায় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার এক। নরসিংদীর রায়পুরা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, রায়পুরা থানার চরাঞ্চলের চর মধূয়া ইউনিয়ন এর সমীবাদ বাজারে একদল সন্ত্রাসী অবৈধ অস্ত্রসহ অবস্থান করছে, এবং পাহারারত অবস্থায়, আগ্নেয়াস্ত্র তৈরী করছে। উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে নরসিংদীর পুলিশ সুপার এর দিক-নির্দেশনায়, রায়পুরা সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর-এর নেতৃত্বে রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমানসহ রায়পুরা থানা ও বাঁশগাড়ী তদন্তকেন্দ্র এর অফিসার-ফোর্স সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করে ৩১-৮-২৬ ইং রাত অনুমান ১২.০৫টায়, চরমধূয়া ইউনিয়ন এর সমীবাদ বাজারস্থ জনৈক খায়রুল এর মাছের খাবারের দোকানের সামনে হতে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় আসামী মোঃ সাব্বির হোসেন(৩০), পিতা- মোঃ হেলাল মিয়া, মাতা- হেনা বেগম, সাং-বড়িকান্দি (মোল্লাবাড়ী),থানা- নবীনগর, জেলা-বি-বাড়ীয়া এ/পি- সাং-সমীবাদ(মামার বাড়ী), থানা-রায়পুরা,জেলা-নরসিংদীকে আটক করে তার হেফাজত হতে নিম্ন উল্লেখিত আগ্নেয়াস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার করতে সক্ষম হন।উল্লেখিত আলামতের বিবরণঃ০১। ১টি লোহার পাইপ, লম্বা ২৬ ইঞ্চি,০২। ১টি লোহার পাইপ, লম্বা ৬ ইঞ্চি, ০৩। ১টি লোহার পাইপ, লম্বা ৩ ইঞ্চি ০৪। ১টি চ্যাপ্টা লোহার পাইপ, লম্বা ৯ ইঞ্চি ০৫। লোহার স্প্রিং ৪টি, যথাক্রমে-১টি ১৮ইঞ্চি, ১টি ১৫ইঞ্চি ও অপর ২টি ১.৭৫ ইঞ্চি লম্বা ০৬। হেক্সো ব্লেড ৩টি, প্রতিটি লম্বা ১২ ইঞ্চি ০৭। লোহার পাত ২টি, যথাক্রমে-১টি ৩.৫ ইঞ্চি এবং অপরটি ২.৭৫ ইঞ্চি লম্বা।০৮। বিভিন্ন আকৃতির লোহার টুকরা ১৭টি ০৯। বিভিন্ন সাইজের ড্রিল মেশিনের মাথা ৬টি ১০। ট্রিগার সদৃশ লোহা ২টি ১১। ১টি ফায়ারকৃত কালো রংয়ের শট গানের কার্তুজ ১২। একটি পুরাতন স্মার্টফোন। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের নজরদারি অব্যাহত আছে। উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

নরসিংদীর রায়পুরায় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার এক Read More »

নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীআবু নাঈম রিপন :নরসিংদী প্রতিনিধি।।নরসিংদীতে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) নরসিংদী সার্কিট হাউসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরিফুল আলম এমপি। নরসিংদী সফরে সার্কিট হাউসে পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত জানান পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক।এ সময় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল প্রতিমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করে।পরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায়, নরসিংদী জেলা প্রশাসক,ইসরাত জাহান কেয়ার সভাপতিত্বে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন এবং জনসেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় নরসিংদী জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী Read More »

কুমিল্লার চান্দিনায় কাকী হত্যা: স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন

কুমিল্লার চান্দিনায় কাকী হত্যা: স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন নিজস্ব প্রতিবেদক।। কুমিল্লার চান্দিনায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শিল্পী রাণী দাশ নামে এক নারীকে হত্যার দায়ে স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বকুল রাণী দাশ নামে অপর এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মিথিলা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল বারইপাড়া এলাকার মৃত ক্ষিতিশ দাশের ছেলে সমির চন্দ্র দাশ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী রূপালী রাণী দাশ (৩৭)। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন না। অপর আসামি বকুল রাণী দাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত সূত্রে জানা যায়- ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চান্দিনার মহিচাইল এলাকায় জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রনজিৎ চন্দ্র দাশ ও তাঁর স্ত্রী শিল্পী রাণী দাশের সঙ্গে আসামিদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামিরা ধারালো দা দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। তাঁদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দুজনকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিল্পী রাণী দাশকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রনজিৎ চন্দ্র দাশকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার দিনই নিহত শিল্পী রাণী দাশের ভাসুর নিতাই চন্দ্র দাশ বাদী হয়ে সমির চন্দ্র দাশ, রূপালী রাণী দাশ ও বকুল রাণী দাশকে আসামি করে চান্দিনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্থানীয় লোকজন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহজাহান তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে আদালত সমির চন্দ্র দাশ ও রূপালী রাণী দাশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। আদালত সমির চন্দ্র দাশ ও রূপালী রাণী দাশকে দণ্ডবিধির ৩০৪ (১ম) ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় তাঁদের প্রত্যেককে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অপর আসামি বকুল রাণী দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল মিয়া রতন।

কুমিল্লার চান্দিনায় কাকী হত্যা: স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন Read More »

নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে ২৩৭ গ্রেফতার,বিপুল অস্ত্র-মাদক ও অবৈধ পণ্য উদ্ধার

নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে ২৩৭ গ্রেফতার, বিপুল অস্ত্র-মাদক ও অবৈধ পণ্য উদ্ধার” আবু নাঈম রিপন: নরসিংদী প্রতিনিধি।।নরসিংদী জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, ওয়ারেন্টভুক্ত ও পলাতক আসামি গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে গত ১৮ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে নরসিংদী জেলা পুলিশ। র‍্যাব, এপিবিএন ও আরআরএফ পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত এ অভিযানে মোট ২৩৭ জনকে গ্রেফতার ও আটক করা হয়েছে। একই সময়ে ৩০৫টি ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি এবং ৮৮টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২৫ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখ বিকেলে নরসিংদী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার নরসিংদী আবদুল্লাহ আল ফারুক এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি গত সাত দিনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানের সাফল্য ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, মাদক ও অবৈধ পণ্যের বিবরণ তুলে ধরেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৮ হাজার ৬৩৩ পিস ইয়াবা, প্রায় ২৪৯ কেজি গাঁজা, ৪৯ বোতল ফেনসিডিল, ৮ বোতল ESKUF কফ সিরাপ ও বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল (Made in USA), একটি এলজি, ১৫ রাউন্ড গুলি/কার্তুজ এবং বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো ও আঘাতকারী অস্ত্র। এছাড়া দুটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, একটি ঢাল, ১৪টি পটকা ও আনুমানিক ২০০টি মার্বেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ১ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্য জব্দ করা হয়। এসব পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের উল্লেখযোগ্য অভিযানের মধ্যে রায়পুরার উত্তর বাখরনগর, চর আড়ালিয়া, আমিরগঞ্জ ও মেঘনা নদীবক্ষের দুর্গম চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান অন্যতম। এসব অভিযানে ২২৪ কেজি গাঁজা, বিদেশি পিস্তল, এলজি, গুলি,কার্তুজ, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) শিবপুরের দক্ষিণ কারারচর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় পণ্যসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করে এবং এর চালককে আটক করে। পৃথক অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে মনোহরদীর কীর্তিবাসদী গ্রামে এক যুবক হত্যার ঘটনায় পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের বাবা আতাউর রহমান মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় হত্যায় ব্যবহৃত একটি কুড়ালও উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। ট্রাফিক বিভাগ জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা করে ১ হাজার ৮৬৬টি যানবাহন তল্লাশি, ৩৫টি মোটরসাইকেল আটক এবং যানবাহন সংক্রান্ত ৩০১টি মামলা করেছে। এসব মামলায় মোট ৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে নরসিংদী জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি, অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তা ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতেও আরও ব্যাপক সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে ২৩৭ গ্রেফতার,বিপুল অস্ত্র-মাদক ও অবৈধ পণ্য উদ্ধার Read More »

কুমিল্লায় কথা-কবিতা-গানে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ অনুষ্ঠান

কুমিল্লায় কথা-কবিতা-গানে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ অনুষ্ঠান তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।। “তুমি কি কেবলই ছবি শুধু পটে লিখা” এবং “ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি”— দুই কবির দু’টি বাণী সামনে রেখে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কথা-কবিতা-গানে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ’ অনুষ্ঠান। জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ কুমিল্লার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর লাকসাম রোডস্থ গ্র্যান্ড দেশপ্রিয় রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে এ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও সৃষ্টিশীলতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাঁদের কালজয়ী সৃষ্টির প্রাসঙ্গিকতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই ছিল অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। আলোচনা, কবিতা পাঠ ও সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দুই মহান কবির জীবন, দর্শন, সাহিত্যকর্ম ও মানবতাবাদী চেতনা স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি আঃ মালেক। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁদের সাহিত্য ও সংগীত কেবল একটি নির্দিষ্ট সময় বা প্রজন্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবতা, সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা, প্রেম, দ্রোহ ও মুক্তির চেতনায় সমৃদ্ধ তাঁদের সৃষ্টি আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের সৃষ্টিকে আরও ব্যাপকভাবে পৌঁছে দিতে সাংস্কৃতিক চর্চা ও এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব রয়েছে। আলোচনা পর্বে বক্তারা রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শন, প্রকৃতি ও প্রেমের চেতনা এবং নজরুলের সাম্য, দ্রোহ ও অসাম্প্রদায়িকতার বাণী নিয়ে আলোকপাত করেন। তাঁদের সাহিত্য ও সংগীত কীভাবে বাঙালির সাংস্কৃতিক ও মানসিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলেছে, সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়। রবীন্দ্রনাথের অন্তিম সময়ের কিছু লেখা পাঠ করেন- সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সদস্য প্রফেসর নিখিল চন্দ্র রায়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কুমিল্লার স্থানীয় শিল্পীদের সংগীত পরিবেশনা। শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীত ও নজরুলসংগীত পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। গান ও কবিতার আবহে পুরো অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আবেগঘন। দুই কবির কালজয়ী সৃষ্টির পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে ভিন্নমাত্রার অনুভূতির সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মশিউর রহমান ভূইয়া। তাঁর সাবলীল সঞ্চালনায় আলোচনা, কবিতা ও সংগীত পরিবেশনের বিভিন্ন পর্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, সদস্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্মরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও দর্শক-শ্রোতারা মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে নিয়মিত এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন সমাজে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক মানবিক মূল্যবোধের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আরও বেশি আয়োজন করা প্রয়োজন। কথা, কবিতা ও গানের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ স্মরণ অনুষ্ঠান শেষ হয় রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে।

কুমিল্লায় কথা-কবিতা-গানে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ অনুষ্ঠান Read More »

সরিষাবাড়ীতে বেষ্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স পিএলসির স্বাস্থ্য বীমা দাবির চেক প্রদান

সরিষাবাড়ীতে বেষ্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স পিএলসির স্বাস্থ্য বীমা দাবির চেক প্রদান মাসুদ রানা জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সাত নং ওয়ার্ডের ঝিংগার ভিটা গ্রামে বুধবার বিকেল ৫ টায় দিকপাইত সরিষাবাড়ী জোনের উদ্দোগে একজন বীমা গ্রাহক মোছাঃ জ্যোতি আক্তারকে চিকিৎসা সহায়তার স্বাস্থ্য বীমা দাবির ১৬,২০০/- টাকার চেক প্রদান করেন। উক্ত চেক প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিকপাইত সরিষাবাড়ী জোনের ইনচার্জ মোঃ মোমিনুল ইসলাম মুন্না।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এজেন্সি ডিরেক্টর বেষ্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স পিএলসি মোঃ আমিনুল ইসলাম হাসান। বীমা গ্রাহকদের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।ইউনিট ম্যানেজার মারুফা আক্তার, ইউনিট ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ, ইউনিট ম্যানেজার রেনুরা আক্তার।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাদান সাত নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ হারুনর রশীদ, মহাদান ইউনিয়ন বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির রঞ্জু,তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নাজমুল ইসলাম,শেখ খলিলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি আব্দুর রাজ্জাক, মির ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মোঃ হানিফ উদ্দিন মীর,শেখ খলিলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শরীফ আহাম্মেদ,দলীল লেখক লোকমান আলী মহুরী সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য বীমা দাবির বীমা গ্রাহক মোছাঃ এর হাতে ১৬,২০০/টাকার চেকটি হাতে তুলে দেন।স্বাস্থ্য বীমা দাবির চেক পেয়ে মোছাঃ জ্যোতি আক্তার বলেন যে আমার এই দুঃসময়ে বেষ্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স পিএলসি পক্ষ থেকে আমাকে যে অর্থ সহায়তা করেছেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ,এবং ধন্যবাদ জানাই।অনুষ্ঠানটি সরিষাবাড়ী শিমলাবাজার জোন অফিস আয়োজন করে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন্না।

সরিষাবাড়ীতে বেষ্ট ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স পিএলসির স্বাস্থ্য বীমা দাবির চেক প্রদান Read More »

পীরগঞ্জে সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

পীরগঞ্জে সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ডিলার পয়েন্ট এক জায়গায়, গুদাম অন্যত্র, কৃষক চরম ভোগান্তিতে মোঃ মাহফুজুর রহমান , ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় সার সংকট ও অতিরিক্ত মুল্যে সার বিক্রির পিছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিয়োগ উঠছে। সরকারি নিয়ম অনুয়ায়ী ডিলারদের নির্ধারিত এলাকায় সার বিক্রি ও সংরক্ষণের কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নসিবগঞ্জ এলাকায় ডিলার পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও নালু নামের এক ডিলারের একাধিক সার গুদাম পরিচালিত হচ্ছে পীরগঞ্জ স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। এরই মধ্যে ৮ নম্বর এলাকার ডিলার পয়েন্ট না থাকলেও শাহিনের সার ব্যবসার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মাইক্রোস্ট্যান্ডে এলাকায়। আবার ১১ নম্বর ইউনিয়ন বৈরচুনায় ডিলার পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও জীবনের সার গুদাম রয়েছে ঢাকাইয়া পড়িতে। এসব কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। সার গুদাম পীরগঞ্জ স্টেশন সংলগ্ন নানুর একটি সার গুদামে মজুদকৃত সারের বস্তা। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কুক্রিম সার সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। অনেক লাইন্দেধাবী ডিলার নিজেরা সার উত্তোলন না করে কমিশনের ভিত্তিক অন্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। প্রশ্ন উঠেেছ নানুর ডিলার পয়েন্ট নসিবগঞ্জ, তাহলে পীরগঞ্জ স্টেশন সংলগ্ন এতগুলো গুদাম কেন? শাহিনের ডিলার পয়েন্ট ৮ নারে নয়, তবু মাইক্রোস্ট্যাডে কেন? জীবনের ডিলার পয়েন্ট ১১ নং ইউনিয়ন বৈরচুনা, গুদাম ঢাকাইয়া পত্তিতে কেন? ইউনিয়নে ইউনিয়নে সার সংকট তৈরি করা হচ্ছে কেন? ডিলার নিয়োগ দিয়ে সার তোলে না, কমিশন সিস্টেমে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কারা?

পীরগঞ্জে সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য Read More »

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কারাগারে

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কারাগারে হাকিকুল ইসলাম খোকন, রাজধানীর বারিধারায় ফ্ল্যাট বিক্রির নামে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ২৬ আগস্ট (বুধবার) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন।খবর আইবিএননিউজ । এর আগে গত ২০ মে বিদিশার অনুপস্থিতিতে এই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন আদালত। রায়ে প্রতারণার দায়ে তাকে দুই বছরের সাজার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার রাতে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা-পুলিশ। বুধবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ বিদিশাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানায়। শুনানিকালে তাকে এজলাসে না তুলে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানিতে বিদিশার আইনজীবী আতিকুর রহমান উচ্চ আদালতে আপিলের শর্তে বিশেষ বিবেচনায় জামিন প্রার্থনা করে বলেন, পূর্বে মামলাটিতে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল, যা পরবর্তী সময়ে প্রত্যাহার হয়। তার মক্কেলের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম শেষ করে রায় দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জামিন আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান এবং রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সৈয়দ গোলাম মর্তুজা ইবনে ইসলাম। বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতে যুক্তি দেখান যে, প্রায় আড়াই দশকের পুরোনো এই মামলায় বিদিশা আদালতের প্রতি চরম অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন এবং সমন ও কার্যক্রমের বিষয়ে অবগত হয়েও দিনের পর দিন আদালতে অনুপস্থিত থেকেছেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রাজধানীর বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে ২০০৮ সালে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন সিকদার। এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ফ্ল্যাট কেনার সূত্রে পরিচয় হলে ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা তাকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখিয়ে ৮০ লাখ টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দেন। এরপর একই বছরের ১০ জুলাই বনানীর রজনীগন্ধা কার্যালয়ে বাদীকে ডেকে তার মনোনীত প্রতিনিধি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার গ্রহণ করেন বিদিশা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের পর তাদের মধ্যে একটি বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন সাপেক্ষে বাকি অর্থ পরিশোধ করে ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করে কালক্ষেপণ করতে থাকেন বিদিশা। পরবর্তীতে বাদী অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিলে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদিশা তাকে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত (বাউন্স) হয়। এরপর বিদিশা ফ্ল্যাট বা টাকা কোনোটিই ফেরত না দিয়ে উল্টো বাদীকে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কারাগারে Read More »

বদলে যাওয়া সময় আর থমকে থাকা বিচার: আইভি রহমানের রক্তভেজা স্মৃতির মিনার ও আমাদের মানবিক দায়

বদলে যাওয়া সময় আর থমকে থাকা বিচার: আইভি রহমানের রক্তভেজা স্মৃতির মিনার ও আমাদের মানবিক দায় ​—- মানিক লাল ঘোষ—–​সময় বয়ে চলে নিজস্ব গতিতে, কিন্তু কিছু ক্ষত সময়ের প্রলেপেও শুকোয় না। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ভয়াবহতা আজও তাড়া করে বেড়ায় বাংলাদেশের বিবেকবান মানুষকে। সেই নারকীয় হামলায় ২৪ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল এবং আহত হয়েছিলেন তিন শতাধিক নেতাকর্মী। এই হামলার শিকার হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নারী আন্দোলনের অগ্রপথিক, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমান। ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২৪ আগস্ট তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। তাঁর সেই মর্মান্তিক বিদায় এবং পরিবারের ওপর নেমে আসা নির্মম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ইতিহাস আজ দীর্ঘ ২২ বছরের এক নতুন বাস্তবতায় এসে দাঁড়িয়েছে।​বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী আইভি রহমানের আসল নাম জেবুন্নাহার আইভি হলেও তিনি ‘আইভি রহমান’ নামেই দেশজুড়ে পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর একটি আদুরে ডাক নাম ছিল—’আইভি’ (অনেকে তাঁকে স্নেহভরে ‘আইভি আপা’ বলেও ডাকতেন)। ১৯৩৪ সালের ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার চণ্ডীবের গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আট বোন ও চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা জালাল উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ এবং মা হাসিনা বেগম ছিলেন গৃহিণী।​আইভি রহমানের রাজনৈতিক জীবন ছিল বর্ণাঢ্য, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে সমৃদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া এই নেত্রী ১৯৬৯ সালে মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতে গিয়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৮ সালে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং ১৯৮০ সালে মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হন। বাংলাদেশ মহিলা সমিতি ও জাতীয় মহিলা সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে ও তাঁদের কল্যাণেও রাখেন ইতিবাচক ভূমিকা। জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন এই মহীয়সী নেত্রী। তবে সামাজিক সংগঠনের বাইরে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ই ছিল মুখ্য।​রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগে থাকা সত্ত্বেও তিনি কখনো বড় পদে থেকে ক্ষমতার অহংকার দেখاননি; বরং সবসময় সাধারণ নেতাকর্মীদের সাথেই মিশে থাকতেন। অথচ সেই নেত্রীর ওপর নেমে এসেছিল ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত হামলা, আর মৃত্যুর পরও তাঁর পরিবারকে সহ্য করতে হয়েছিল অমানবিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।​শহীদ আইভি রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান পাপণের কণ্ঠে তাঁর মায়ের মৃত্যুর স্মৃতিচারণা আজও যেকোনো বিবেকবান মানুষের চোখে অশ্রু ঝরায়। তাঁর বর্ণনা মতে, ঘটনার দিন খবর পেয়ে তিনি যখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান, সেখানে গিয়ে কোনো ডাক্তার বা নার্সকে দেখতে পাননি। এ সময় মাকে অন্য হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরবর্তীতে অনেকটা জোর করে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে চিকিৎসা দিতে বিলম্ব করা হয়। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাঁর বাবা মরহুম জিল্লুর রহমানকে পর্যন্ত দু’দিন মাকে দেখতে দেওয়া হয়নি। তৎকালীন সরকারের এই নির্মম ও নিষ্ঠুর আচরণ মানবতার সব সীমানা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।​এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার দিকে দীর্ঘ দুই দশক ধরে তাকিয়ে ছিল শহীদ পরিবারগুলো। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার একটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এই মামলায় রায় ঘোষণা করেছিলেন। সে সময় বিচারিক আদালতের রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়াও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছিল আরও ১১ জনকে।​কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশী ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের মোড় নেয়। এই ধারায় ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল মঞ্জুর করে বিচারিক আদালতের পূর্বের রায় বাতিল ঘোষণা করেন এবং মামলার সব আসামিকে খালাস দেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের এই রায় বহাল রাখেন। ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে চলে আসা এই আলোচিত মামলার বিচারিক পরিণতি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক খাতে প্রবাহিত হয়।​ভৈরবের মাটি আর মানুষের সঙ্গে আইভি রহমানের সম্পর্ক ছিল আত্মার। ভৈরবের ‘আইভি ভবন’ আজও তাঁর স্মৃতি বহন করে চলছে। ভৈরববাসী আজও অশ্রু ও শ্রদ্ধায় তাঁদের প্রিয় নেত্রীকে স্মরণ করেন। কিন্তু আইনি মারপ্যাঁচ, আদালতের রায়ের পরিবর্তন কিংবা রাজনৈতিক পালাবদলের দোলাচল কি কখনো মুছে ফেলতে পারে একটি মায়ের বুক খালি হওয়ার বেদনা বা স্বজন হারানোর আর্তনাদ?​রাজনীতি আসে, সরকার বদলায়, মতাদর্শের সংঘাত ও আইনি প্রক্রিয়া নিজের গতিতে চলে; কিন্তু রক্তের দাগ ও মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রশ্নগুলো অমীমাংসিত থেকে যায়। একুশে আগস্টের এই দীর্ঘ ২২ বছর পর দাঁড়িয়ে আজ আমাদের উপলব্ধি করা উচিত যে, রাজনৈতিক সংকীর্ণতা বা ক্ষমতার পালাবদলের ঊর্ধ্বে ওঠে প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং মানবতাকে সমুন্নত রাখাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শহীদ আইভি রহমানের রক্তে ভেজা স্মৃতি আজ আমাদের এই শিক্ষাই দেয় যে—রাষ্ট্র ও সমাজের রাজনীতি যেন আর কখনো এতটা নির্মম ও নিষ্ঠুর হয়ে না ওঠে। ​(মানিক লাল ঘোষ: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি)

বদলে যাওয়া সময় আর থমকে থাকা বিচার: আইভি রহমানের রক্তভেজা স্মৃতির মিনার ও আমাদের মানবিক দায় Read More »

রামপাল প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন: সভাপতি শাহজালাল গাজী

রামপাল প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন: সভাপতি শাহজালাল গাজী মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল ( বাগেরহাট) প্রতিনিধি রামপাল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির নির্দেশনায় সর্বসম্মতিক্রমে ২৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২৫ শে আগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় রামপাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রেসক্লাবের মূল নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। সভাপতি পদে মোঃ শাহজালাল গাজীর নাম প্রস্তাব করেন মোঃ রাকিবুল ইসলাম সুমন এবং মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ, যা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ সাগর আহম্মেদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শেখ মাসুম বিল্লাহর নাম প্রস্তাব করেন মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ এবং মোঃ আরিফ হাসান গজনবী। সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয় এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উপস্থিত সকল সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাকি পদগুলো দেওয়া হয়। সভা শেষে রামপাল প্রেসক্লাবের ২৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করেন দপ্তর সম্পাদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম সুমন।২৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা:পদাধিকারীবৃন্দ:সভাপতি: মোঃ শাহজালাল গাজী, সিনিয়র সহ-সভাপতি: মোঃ খৈয়াম হোসেন খিজির, সহ-সভাপতি: মোঃ মুনাওয়ার হোসেন রনি, সহ-সভাপতি: মোঃ আরিফ হাসান গজনবী, সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সাগর আহম্মেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোঃ জিল্লুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ, সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোঃ রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক: শেখ মাসুম বিল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক: মোঃ রাকিবুল ইসলাম সুমন, ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক: আরাফাত হোসেন সবুজ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মোঃ সোহেল আহম্মেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: মোঃ সোহানুর রহমান, গ্রন্থগার ও পাঠাগার সম্পাদক: মোঃ আকাশউজ্জামান, প্রচার সম্পাদক: মোঃ নুরুজ্জামান শেখ। কার্যনির্বাহী ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ:কার্যনির্বাহী সদস্য: মোঃ বজলুর রহমান, সদস্য: মোঃ সাইফুল ইসলাম বখতিয়ার, সদস্য: মোঃ বাকি বিল্লাহ, সদস্য: মোঃ ইমরান হোসেন (জনি), সদস্য: আব্দুল্লাহ আল হেলাল, সাধারণ সদস্য: মোঃ আব্দুল হাদী, সাধারণ সদস্য: সুব্রত ঢালী, সাধারণ সদস্য: মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সদস্য: মোঃ তায়েব নূর, সাধারণ সদস্য মোঃ হাসান তালুকদার,সাধারণ সদস্য নূর-নবী ফকির,সাধারণ সদস্য: মোঃ মাসুদ রানা। দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ শাহজালাল গাজী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাকে পুনরায় নির্বাচিত করে যে আস্থা ও ভালোবাসার প্রকাশ আপনারা ঘটিয়েছেন, তার জন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। রামপাল প্রেসক্লাবের সকল সদস্যকে সাথে নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা, সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং প্রেসক্লাবের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।” নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাগর আহম্মেদ বলেন, “রামপাল প্রেসক্লাবের উন্নয়ন ও সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রম সুসংগঠিতভাবে পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা কাম্য।” নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “প্রেসক্লাবকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাব।” অনুষ্ঠানে নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, “একটি সুসংগঠিত প্রেস ক্লাব সবসময় সমাজের বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরতে ভূমিকা রাখে। নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃত্বে রামপাল প্রেস ক্লাব আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। নতুন কমিটির সকল সম্পাদক ও সদস্যকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।” কমিটি প্রকাশ শেষে উপস্থিত সকল সদস্য ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

রামপাল প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন: সভাপতি শাহজালাল গাজী Read More »

নরসিংদীতে গ্যাসের সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে মতবিনিময় সভা

নরসিংদীতে গ্যাসের সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতআবু নাঈম রিপন :নরসিংদী থেকে :নরসিংদীতে গ্যাসের বর্তমান সমস্যা ও সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ইং আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলার ব্যবসায়ী, সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতি, তিতাস ও পল্লী বিদ্যুৎ এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, গ‍্যাস সংকটের এই সময়ে নরসিংদী জেলার গ‍্যাসের চাহিদা পূরণের পর অন‍্য জেলার চাহিদা পূরণ করতে হবে। কারণ শিল্প সমৃদ্ধ জেলা নরসিংদী । এখানকার উৎপাদিত কাপড় দেশের ৭০ভাগ চাহিদা পূরণ করে। যদি উৎপাদন ব‍্যহত হয় তবে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিবে এবং ব‍্যবসায়ীরা দেওলিয়া হয়ে যাবে। এমনভাবে চলতে থাকলে একটাসময় দেশ অচল হয়ে যাবে।এই সংকটময় সময়ে নরসিংদী জেলার শিল্প কারখানা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে গ‍্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের কাছে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে দাবি জানান। নরসিংদী জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান কেয়ার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রাশেদুল হাসান রিন্টু, আমানত শাহ্ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া, নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মাখন দাস প্রমুখ ।

নরসিংদীতে গ্যাসের সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে মতবিনিময় সভা Read More »

রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিহত: শোক ও বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় এক মিনিট নীরবতা

রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিহত: শোক ও বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় এক মিনিট নীরবতা নিজস্ব প্রতিবেদক।।বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা সিটি পার্কের সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।নির্মম এই হত্যাকাণ্ডে নিহত চারজনের আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) প্রতিদিনের মতো ব্যায়াম ও হাঁটা শেষে কুমিল্লা সিটি পার্কের সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে দাঁড়িয়ে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।একই পরিবারের চারজন মানুষের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে উপস্থিতদের মধ্যে নেমে আসে শোকের আবহ। বিশেষ করে একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের দুই সন্তানের একসঙ্গে প্রাণহানির ঘটনায় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। স্বজন হারানোর বেদনা যে কতটা গভীর ও অসহনীয়, সেই অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতার মাধ্যমে নিহতদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন সুপ্রভাত মঞ্চের সদস্যরা।নীরবতা পালনের আগে ও পরে বক্তারা বলেন, একটি পরিবারের চারজন সদস্যের এমন করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের পরিচয় ও প্রভাব বিবেচনা না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।বক্তারা আরও বলেন, একজন শিক্ষক শুধু একটি পরিবারের অভিভাবক নন, তিনি সমাজেরও একজন আলোকবর্তিকা। গণপতি চক্রবর্তীর মতো একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের পরিবারের এমন পরিণতি সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যুতে একটি পরিবার যেমন নিঃস্ব হয়েছে, তেমনি এই ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যেও নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।তাঁরা বলেন, শোককে শক্তিতে পরিণত করে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো প্রকৃত অপরাধী যেন আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে উপস্থিত সদস্যরা বলেন, প্রীয়ম ও আগামী চক্রবর্তীর মতো কোমলমতি ও তরুণ প্রাণের অকালমৃত্যু কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার মতো নয়। তাঁদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নির্মমভাবে থেমে গেছে। আর সেই শোক শুধু পরিবারের নয়—মানবিক বিবেকসম্পন্ন প্রতিটি মানুষের।এক মিনিট নীরবতা পালনকালে উপস্থিত সদস্যদের অনেকের চোখেমুখে ছিল গভীর বেদনার ছাপ। কেউ কেউ বুকে হাত রেখে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। এ সময় পুরো পরিবেশে নেমে আসে এক হৃদয়বিদারক নীরবতা। সেই নীরবতায় যেন প্রতিধ্বনিত হয় একটি পরিবারের হারিয়ে যাওয়া চারটি প্রাণের স্মৃতি এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি পার্কের সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, প্রফেসর অনুকূল চন্দ্র দাশ, প্রফেসর মৃণাল কান্তি গোস্বামী, অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, নেপাল চন্দ্র দাশ ও সুজন চন্দ্র সরকারসহ সুপ্রভাত মঞ্চের অন্যান্য সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।এ সময় বক্তারা নিহতদের আত্মার সৎগতি কামনা করে শোকসন্তপ্ত স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, প্রকৃত খুনিদের শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান।তাঁদের প্রত্যাশা—এই হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য দ্রুত সামনে আসবে, প্রকৃত অপরাধীরা বিচারের মুখোমুখি হবে এবং নিহতদের স্বজনরা অন্তত ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়ে কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাবেন।নীরবতা পালন শেষে নিহত চারজনের আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনা এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের এই অসহনীয় শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি কামনা করে কর্মসূচি শেষ করা হয়।

রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিহত: শোক ও বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় এক মিনিট নীরবতা Read More »

কুমিল্লায় ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী

কুমিল্লায় ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন তাপস চন্দ্র সরকার কুমিল্লা।।পরমেশ্বর ভগবান শ্রীশ্রী কৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথি পবিত্র জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ নাটমন্দির প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কুমিল্লা শ্রীশ্রী কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সকাল ৮টায় নগরীর রাণীর বাজার রোডস্থ শ্রীশ্রী রাসস্থলী @ রামঠাকুর আশ্রমের প্রধান ফটকের সামনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা ও অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দিরে যাবে। পরবর্তীতে শোভাযাত্রাটি নগরীর কান্দিরপাড়-লাকসাম রোডস্থ মহেশাঙ্গণ নাটমন্দির প্রাঙ্গণে এসে শেষ হবে।এদিন বিকেল ৫টা থেকে মহেশাঙ্গণ নাট মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে গীতা পাঠ, ধর্মসভা, ভক্তিমূলক সংগীতানুষ্ঠান, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজা ও প্রসাদ বিতরণসহ নানা ধর্মীয় আয়োজন।আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক শ্রী শ্যামল কৃষ্ণ সাহা ও সদস্য সচিব দীলিপ কুমার নাগ কানাই পবিত্র জন্মাষ্টমীর এ মহতী অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।

কুমিল্লায় ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী Read More »

নরসিংদীর শিবপুরে ডিসি রোডের ময়লার ভাগাড়কে ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

নরসিংদীর শিবপুরে ডিসি রোডের ময়লার ভাগাড়কে ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। আবু নাঈম রিপন: জেলা প্রতিনিধি নরসিংদীঃনরসিংদীর শিবপুরে কয়েক বছর যাবত যেখানে ছিল পৌরসভার ময়লা,আবর্জনার ডিপো, দুর্গন্ধ আর জনদুর্ভোগ সেই স্থানটিই এখন পরিণত হয়েছে ফুল,ফল ও ঔষধি গাছ রোপনের মাধ্যমে পরিছন্ন পরিবেশ বান্ধব রাস্তা।সম্প্রীতি,এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের বদলে গেছে নরসিংদীর শিবপুর বানিয়াদি ডিসি রোডের মোড়ের চিত্র। দীর্ঘ বছর ধরে ওই এলাকা ও পথচারীদের জন্য ছিল ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন । স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, পরিবহনে চলাচলকারী সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ ছিল ভীষণ অতিষ্ট। জনবসতি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দুইটি সড়কের দুই পাশে ফেলা ময়লার ভাগাড় থাকায় পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছিল জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। দীর্ঘ বছরের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি জন্য সর্বস্তরের জনসাধারণের ছিল জোর দাবি। শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন এর মানবিক উদ্যোগে অবশেষে সেই ময়লার ভাগাড় পরিস্কার করে সেখানে লাগানো হয়েছে ফুল,ফল ও ঔষধি গাছের চারা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন ও সাবেক পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মু,আব্দুর রহিম যৌথ ভাবে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগটি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, যেখানে আগে ময়লা,আবর্জনার স্তূপ পড়ে থাকত,সেখানে এখন শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ । ময়লার দুর্গন্ধের পরিবর্তে এখন ওই স্থানটি হয়ে উঠেছে পরিষ্কার পরিছন্ন পরিবেশ বান্ধব রাস্তা।

নরসিংদীর শিবপুরে ডিসি রোডের ময়লার ভাগাড়কে ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। Read More »

কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত

কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত তাপস চন্দ্র সরকার।।কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) সকালে আদালত অঙ্গনের পুকুরে রুই, কারফিউসহ বিভিন্ন জাতের পোনামাছ অবমুক্ত করে এর উদ্বোধন করেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন।আদালত অঙ্গনের সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পুকুরের জলজ পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পোনা অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের নান্দনিক এ পুকুরে মাছের প্রাকৃতিক বিচরণ ও প্রজননের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে আদালতের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেমায়েত উদ্দিন নিজ হাতে পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে উপস্থিত বিচারক ও কর্মকর্তারা পুকুরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য ঘুরে দেখেন।আদালত অঙ্গনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে জলাশয় ও সবুজ পরিবেশ সংরক্ষণের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব আদালত অঙ্গন গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।সংশ্লিষ্টদের মতে, জলাশয় সংরক্ষণ ও সেখানে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলে একদিকে যেমন পুকুরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে, অন্যদিকে আদালত অঙ্গনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে জলজ পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও এটি সহায়ক হবে।এ সময় উপস্থিত বিচারক ও কর্মকর্তারা আদালত অঙ্গনের পরিবেশ আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পুকুরের পানির স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং মাছের নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সংশ্লিষ্টরা জানান।মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই।

কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের নান্দনিক পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত Read More »

কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব; মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর

কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব; মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর তাপস চন্দ্র সরকার।।সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লাতেও যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী, নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ব্যাস পূজা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩, ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার তিন দিনব্যাপী এ মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির এবং ঠাকুরপাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এ ধর্মীয় মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির প্রাঙ্গণে আরতি, কীর্তন ও শুভ অধিবাসের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হবে।৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, জন্মাষ্টমীর প্রধান আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টায় রাণীর বাজার রামঠাকুর আশ্রম থেকে জগন্নাথদেবের মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও শোভাযাত্রা বের হবে। বিকেল ৩টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে ভুবনমঙ্গল হরিনাম সংকীর্তন। এরপর শ্রীশ্রী তুলসী আরতি, গৌর আরতি ও নৃসিংহ আরতি শেষে অনুষ্ঠিত হবে ভাগবতীয় আলোচনা। পরে কীর্তনের সহযোগে অনুষ্ঠিত হবে মহা অভিষেক। অভিষেক শেষে ভক্তদের মাঝে অনুকল্প মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।৫ সেপ্টেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ১৩০তম ব্যাস পূজা মহোৎসব। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে মঙ্গল আরতি, জপযজ্ঞ, নন্দ উৎসব, শ্রীল এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মহা অভিষেক ও ব্যাস পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ভোগ আরতি ও কীর্তন শেষে উৎসবে আগত ভক্ত-শ্রোতাদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। সবশেষে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীল প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা।এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে শ্রীল প্রভুপাদ স্মরণ উৎসব ও লীলামৃত আলোচনা। বিকেল সাড়ে ৫টায় ঠাকুরপাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হবে কীর্তন মেলা। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যারতি কীর্তন, নন্দ উৎসবের মহিমা ও প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা। পরে কেক অর্পণ শেষে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।মহোৎসবের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন কুমিল্লা জগন্নাথপুর মন্দিরের সভাপতি সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী।তিনি বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও আনন্দের মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী মহোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ মহতী আয়োজনে সকল সনাতনী ধর্মাবলম্বীকে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।

কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব; মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর Read More »

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন। স্বামী খালাস নিজস্ব প্রতিবেদক।।কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এ মামলার অপর আসামি নিহতের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. শামছুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নিহত মরিয়ম বেগমের শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিন।আদালত সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়- ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক কলহের জেরে নাঙ্গলকোট উপজেলার ছফুয়া গ্রামের গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা মো. সোলেমান বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিন, শ্বশুর আবদুল মমিন, দেবর নিজাম উদ্দিন ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আসামি করা হয়।মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।রায়ে শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকরাম হোসেন এবং নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে মরিয়মের হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন Read More »

মোংলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি

মোংলায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ মোঃ আকাশ উজ্জামান শেখরামপাল ( বাগেরহাট) প্রতিনিধিবাগেরহাটের মোংলার মিঠাখালী ইউনিয়নের ২’নং ওয়ার্ডের দওেরমেঠ এলাকায় বৈধ কাগজপত্র ও দখল থাকার পরও জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, একের পর এক আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি’সহ মিথ্যা মামলা মকদ্দমা থেকে নিষ্পত্তি করার জন্য ৩’ লক্ষ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের বিরুদ্ধে। সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী, ফিরোজা বেগমের কাছে জমির সঠিক মালিকানার কোনো দলিল না থাকলেও প্রায়ই তারা ভুক্তভোগী পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা করেন। দখলে ব্যর্থ হয়ে তিনি সোহাগ ব্যাপারী, খালেক ব্যাপারী, ফারুক ব্যাপারী ও মালেক ব্যাপারী’র বিরুদ্ধে বাগেরহাট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় মোংলা এসিল্যান্ড’সহ দওেরমেঠ ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা তদন্ত করে ভুক্তভোগী মোঃ সোহাগ ব্যাপারীর প্রকৃত অর্থে ক্রয় করা জমিটি বলে প্রতিবেদন দেন বা মামলাটির নিষ্পত্তি হয়। এ-র পরেও একই দাগ – খতিয়ান দিয়ে নাম উল্টে পাল্টে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ ব্যাপারী, ফারুক ব্যাপারী জানান,মোংলা উপজেলাধীন জে এস ১৬০ নং দওেরমেঠ মৌজার এস এ ১৫৪ ও ১৫৫ নং খতিয়ানের বি আর এস ৮৪ না খতিয়ানে এস এ ১১০২ ও ১০৪৭ দাগ স্থলে বি আর এস ২০৭৬ সাে খাড়ী ০.১৯ একর জমি তারা দীর্ঘ ২০ – ২৫ বছর ধরে জায়গাটি ভোগদখল করে আসছে। ভোগদখলে থাকা জমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করতে চায়। অথচ আমরা এ জায়গাটির সঠিক দলিলপত্র দেখে আমার ফুপুর কাছ থেকে কিনেছি বরং মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের কোনো বৈধ দলিল নেই। এ ব্যাপারটি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে কয়েকবার বসা হলেও মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগম কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি এবং তারা মানেন না-ই। এবং আমরা যদি তাদের কে ৩’লক্ষ টাকা দেই তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একের পর এক মামলা মকদ্দমা নিষ্পত্তি করবে বলে লোক মুখে জানিয়েছেন। এই একের পর এক মিথ্যা মামলার নিষ্পত্তি’সহ আমরা ন্যায়বিচারের প্রাপ্তি চাই। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ ব্যাপারীর স্ত্রী ময়না খাতুন জানান, আমার স্বামী একজন প্রতিদ্ধী মানুষ রোজগার করতে পারে না। তাই আমি জীবিকা নির্বাহ করার জন্য ইপিজেডে চাকুরি করি, এবং প্রতি মাস শেষে বেতনের যে টাকা পাই তা দিয়ে সংসার খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা বহুদিন ধরে জুগিয়েছি এই বৈধ কাগজ পত্র দেখে এ জায়গাটি আমার ফুপাতো শাশুড়ীর কাছ থেকে ক্রয় করেছি। স্বামী ও আমার ক্রয় করা জমি নিয়ে এখন তারা একের পরে এক মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। তাই দ্রুত আমরা এই মিথ্যা মামলা মকদ্দমা থেকে নিষ্পত্তি চাই বা মুক্তি চাই। এ বিষয়ে ‎অভিযুক্ত মোঃ বারেক ব্যাপারী, কবির ব্যাপারী ও ফিরোজা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ‘এই জমিটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এ বিষয়ে আমরা আদালতে মামলা করেছি, এখন আদালতই সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে প্রথম মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া পরবর্তীতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে জান, এবং দ্রুতই ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন।

মোংলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি Read More »

”নববর্ষ উৎসব হিসেবে মহররম উদযাপন ইসলামের আদর্শ বিরোধী ও খারেজী চক্রান্ত”

নববর্ষ উৎসব হিসেবে মহররম উদযাপন ঈমানী অস্তিত্বের উৎস মহান শাহাদাতে কারবালার চেতনা বিরোধী খারেজি চক্রান্ত। বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন (World sunni movement) এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সর্বজনীন মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থার দিকদর্শন বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব এর প্রবর্তক ও বাংলাদেশের একমাত্র মানবতার নিবন্ধিত রাজনৈতিক সংগঠন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত হিংস্র মুলুকিয়তের স্বৈরদস্যুতা থেকে সত্যের মুক্ত প্রবাহ ও স্বাধীন জীবনের মুক্ত দুনিয়া খেলাফতে ইনসানিয়াত রক্ষার শহীদ দিবসের মাস মহররম মাস হিসাবে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সচেতন বিবেকবান মুমিনগণ কোনো নববর্ষ উদযাপন করেনা অর্থাৎ উৎসব হিসেবে উদযাপন করে না, দোয়া হিসেবে পালন করতে পারে। কোনো নববর্ষে উদযাপনের কিছু নেই, তবে সময়ের পরিক্রমায় জীবন ও ইতিহাসের উপলব্ধির বিষয় আছে। ইসলাম সূর্য্য, চন্দ্র বা মাস বর্ষ ভিত্তিক নয়; সত্য ভিত্তিক তথা তাওহীদ রেসালাতের ভিত্তিতে ঈমান, শরীয়ত ওখেলাফতে ইনসানিয়াত ভিত্তিক ।কারবালার রক্ত মোবারকের উপর দিয়ে যারা এই মহরম মাস নববর্ষ বা আনন্দ উদযাপন করে তারা খারেজী কাফের এবং এই হত্যায় শরিক।আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, চন্দ্র নববর্ষ ইসলামের বিকৃতিকারী বাতিল মওদুদিবাদিরা নিজেদেরকে ইসলামিক কালচারাল হিসেবে প্রদর্শণী করার জন্য এবং অন্য ধর্মের সাথে সংঘাত ও বৈশাখের সাথে দ্বন্দ্ব হিসেবে এবং নিছক একটি বর্ষভিত্তিক করে দ্বীন ও মিল্লাতের ক্ষতি করার জন্য প্রদর্শনী করে, অথচ ঈমানের মৌলিক বিষয় ঈদে আজম উদযাপনে কার্পণ্য করে (নাউজুবিল্লাহ)। ঈমান ধ্বংসাত্মক মওদুদিবাদের অনুসরণে ও অন্যান্য বস্তুবাদি মূর্খতার অবান্তর গড্ডালিকা প্রবাহের অংশ না হয়ে ঈমানী দৃষ্টি ও ঈমানী বিবেক উপলব্ধি নিয়ে চলা উচিত আমাদের সুন্নী ভাইবোনদের সবার।ইমাম হায়াত বলেন, মহররম প্রথমতঃ ঈমানী শোকের মাস, মহান কারবালার শাহাদাতের অন্তহীন ব্যথা ও শাহাদাতের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জীবনপণ ঈমানী শপথের মাস। এদিকে প্রাণপ্রিয় পবিত্র কেবলাভূমি বাতিলের জবরদখলে রুদ্ধ, দুনিয়ায় বিভিন্ন স্থানে মর্মান্তিক গণহত্যা, অসহায় নিপীড়িত মা বোন শিশুদের আর্তনাদ, সমগ্র মিল্লাত বাতিল ফেরকা ও বস্তুবাদি মতবাদ এবং ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদের হিংস্র অপরাজনীতি ও তাদের স্বৈরদস্যুতন্ত্রের গ্রাসে বিপন্ন, দ্বীন-মিল্লাত-মানবতা তথা সুন্নীয়তের বিরুদ্ধে সর্ব বাতিলের সর্বাত্মক যুদ্ধ চলছে এবং সে যুদ্ধে ঈমানিয়াত ও ইনসানিয়াতের ধারা পরাজিত, মিল্লাত ও মানবতা রক্তের সাগরে ডুবন্ত, এদিকে ইসলাম বা সুন্নীয়তের নামে বাতিল জালিম অপশক্তির সর্বনাশা দালালি অসৎ স্বার্থে বিশ্বাসঘাতকতা, এ অবস্থায় চন্দ্র নববর্ষের শুভেচ্ছা বা উদ্যাপনের কোনো অবস্থা বা অবকাশ নেই ।ঈমানদার মাত্রই মহররমে কারবালায় ঈমানের মহাকেন্দ্র সত্যের প্রাণপ্রদীপ প্রাণপ্রিয় খলিফাতুর রাসুল ইমামে আকবার সাইয়্যেদিনা হজরত ইমাম হোসাইন রাদিআল্লাহু আনহু ও মহামহিম পবিত্র আহলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লামদেরকে কাফের এজিদ বাহিনীর মর্মান্তিক হত্যাকান্ডে অতুলনীয় ব্যাথা ভারাক্রান্ত । শাহাদাতে কারবালার ঈমানী হৃদয়ের অন্তহীন ব্যথা যন্ত্রনা ঈমানী অনুভূতি যাদের নেই তারাই কেবল মহররমের সূচনায় আনন্দ উৎসব পালন করতে পারে। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, কোনো ঈমানদার ঈমানী শোক ও ঈমানী শপথের মহররমকে এজিদবাদি কাফেরদের মত উৎসব হিসেবে পালন করতে পারে না। শাহাদাতে কারবালার শোক সমগ্র মুসলিম মিল্লাত ও সমগ্র মানবতার শোক, এটা ইসলামের বিকৃতিকারী বাতিল শিয়াদের বিষয় নয় । বাতিল #শিয়াবাদ শাহাদাতে কারবালার শোকের বিকৃত প্রদর্শনীর আড়ালে সত্য ও মানবতার প্রতিষ্ঠা এবং মিথ্যা ও জুলুম উৎখাতের লক্ষ্যে মহাত্যাগের এ শাহাদাতের আসল শিক্ষা ও লক্ষ্যের বিপরীতে ইসলামের ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে। মহররম মাস আসলে মহান শাহাদাতে কারবালার ঈমানী শোক আর লক্ষ্য বাস্তবায়নে পবিত্র কলেমার বিপ্লবী শপথের ধারায় যেমন মুমিনদের পরিচয় প্রকাশ পায়, তেমনি অবাঞ্চিত শুভেচ্ছা ও নির্মম উৎসবের মাধ্যমে মোনাফেকদের পরিচয় প্রকাশ পায়। ঈমানী শোক ও শপথ এবং বিপরীতে শাহাদাতে কারবালার শিক্ষা আড়াল করে আনন্দ উদযাপনের মাধ্যমে মাহে মহররমে মুমিন আর মোনাফেকের পরিচয় প্রকাশ পায়। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, মহররম প্রাণপ্রিয় আহলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাহাদাতের ঈমানী শোক ও মহান শাহাদাতে কারবালার লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঈমানী শপথের মাস,আনন্দ উদযাপনের নয়। বর্ষপরিক্রমা প্রাকৃতিক বিষয়, ঈমানী বিষয় নয়। পহেলা মহররম চন্দ্রবর্ষের আবর্তন, এভাবে সৌরবর্ষ ও ঋতুবর্ষ রয়েছে যার সবগুলোই প্রাকৃতিকভাবে মানব জীবনের কল্যাণের জন্য দয়াময় আল্লাহতাআলার ব্যবস্থা। মহররম মুমিন ও বিবেকবান সকল মানুষের হৃদয়ের সীমাহীন শোক ও ঈমানী হৃদয়ের অন্তহীন ব্যাথাভরাক্রান্ত উপলক্ষ, একইসাথে মহররম শাহাদাতে কারবালার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শপথের মাস। শোক আর আনন্দ বিপরীত বিষয়।পালন আর উদযাপন পার্থক্য আছে। কোনো কিছু পালন পক্ষে বিপক্ষে দুই ভাবেই হতে পারে। পালন শোক হিসেবেও হতে পারে। উদযাপন এর বিপরীত। শোক উদযাপন হয় না, পালন হয়। প্রতিবাদ হিসেবেও অনেক দিবস উপলক্ষ পালন হয়।আমরা মুসলিম মিল্লাত ২৩ সেপ্টেম্বর কেবলাভূমিকে অবৈধ “সৌদি আরব” নামকরণ ও সৌদি গোত্রবাদি ওহাবিবাদি মুলুকিয়তের প্রতিষ্ঠা দিবসকে প্রতিবাদ হিসেবে ও উদ্ধারের লক্ষ্যে আঁধার দিবস ইয়াওমে জুলুমাত ডার্ক ডে হিসেবে পালন করি, আর বাতিলরা বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে। যে কোনো নতুন সূচনা ও উপলক্ষ দোয়া, এস্তেগফার, নফল নামাজ, সালাতু সালাম ও রহমত কামনা করে পালন করা যায়। তবে ইসলাম কোনো বর্ষ ভিত্তিক নয়, বর্ষ পরিক্রমা প্রাকৃতিক। সব দিন মাস বছর পরিক্রমা সব মানুষের জন্যই আল্লাহতাআলার প্রাকৃতিক দান। ইসলামকে কেবল চন্দ্র বর্ষ ভিত্তিক দেখানোর চেষ্টাও ইসলামের বিরুদ্ধ একটা হীন চক্রান্ত।মহররম দোয়ার সাথে শাহাদাতে কারবালার আমানত রক্ষা ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে পালন করা যায়। বিগত বছরের জন্য ক্ষমা চাওয়া ও আসন্ন বছরের জন্য রহমত হেফাজত রিজিক সুস্থতা সালামাত কামনা করে, বলা মুসিবত থেকে পানাহ চেয়ে, সারা বছর নিরাপদে হকের জন্য কাজের তৌফিক কামনা করে দোয়া সালাতু সালাম মুনাজাতের মাধ্যমে মহররম এবং যে কোনো বছর মাস দিন শুরু করা যায়। ঈমানী হৃদয়ে শাহাদাতে কারবালার অনন্ত মহা কষ্ট ও অসীম বেদনার মহররম আনন্দ উৎসব হিসবে পালন ঈমানের খেলাফ বাতিলের চরিত্র। খারেজি বাতিলরা মহান শাহাদাতে কারবালার শোক- শিক্ষা- চেতনা ও লক্ষ্য আড়াল করে দ্বীন মিল্লাতকে ধ্বংস করার জন্য বিভ্রান্তির হাতিয়ার হিসেবে পহেলা মহররম আনন্দ উৎসব হিসেবে উদযাপন করার ধৃষ্টতা করে। মনে রাখতে হবে, যত ঐতিহাসিক ঘটনাই থাক মহররমের মূল ঈমানী বিষয় কেবলমাত্র কারবালার মহান শাহাদাত। বর্ষ পরিক্রমা ঈমানী বিষয় নয়, প্রাকৃতিক সাধারণ বিষয়; কিন্তু শাহাদাতে কারবালা ঈমান- দ্বীন- মিল্লাত- মানবতার দোজাহানের অস্তিত্বের মহা জরুরী বিষয়।পরিশেষে বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব আয়োজিত আগামী ১০ ই মহরম মুসলিম মিল্লাতের মহান ঈমানী জাতীয় শহীদ দিবস শাহাদাতে কারবালা দিবসের কর্মসুচি পালন সফল করতে সব মুমিন ভাইবোনকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেন।

”নববর্ষ উৎসব হিসেবে মহররম উদযাপন ইসলামের আদর্শ বিরোধী ও খারেজী চক্রান্ত” Read More »

বিডিআর মার্কেটের পার্কিং স্থান নিয়ে বিরোধ: পুরো মার্কেটকে ঘিরে আদালতে তিন মামলা উত্তেজনা বৃদ্ধি

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ দেলোয়ার হোসেন রাজধানীর উত্তরার বিডিআর মার্কেটের নির্ধারিত গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অতীতে একটি প্রভাবশালী মহল পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা দখল করে সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সম্প্রতি আদালতে বিচারাধীন ওই বিতর্কিত স্থানে পুনরায় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদ জানান এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুধু পার্কিংয়ের জায়গা নয়, পুরো মার্কেটকে ঘিরে বর্তমানে আদালতে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে আদালত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিষয়ে স্ট্যাটাস-কো (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান এবং রুল জারি করেছেন বলে জানা গেছে। আদালতের নির্দেশনা বহাল থাকা অবস্থায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, নির্ধারিত পার্কিং এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ করা হলে বাজারের যানবাহন পার্কিং ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। এতে ক্রেতাদের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় আইনি অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে।কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, “পার্কিংয়ের জায়গাটি শুধু একটি খালি স্থান নয়; এটি পুরো মার্কেটের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ আইন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। আমরা চাই আদালতের রায়ের মাধ্যমে বিষয়টির স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান হোক।”একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। তারা বলেন, “আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমরা চাই বাজারে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকুক, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।”সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, “যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং আদালত স্ট্যাটাস-কো বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, তাই সকল পক্ষের উচিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ, দখলচেষ্টা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।”ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে কোনো পক্ষ একতরফাভাবে নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। এজন্য তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় এ ধরনের বিরোধ ব্যবসায়িক পরিবেশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা প্রশাসন, বাজার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলা এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত স্থানে কোনো ধরনের পরিবর্তন না আনা উচিত। এতে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।”ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, আদালতের রায় ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি সকল পক্ষ শ্রদ্ধাশীল থেকে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করবে এবং বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

বিডিআর মার্কেটের পার্কিং স্থান নিয়ে বিরোধ: পুরো মার্কেটকে ঘিরে আদালতে তিন মামলা উত্তেজনা বৃদ্ধি Read More »

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

কুমিল্লায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাকুমিল্লা প্রতিনিধি :“হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোনজন?কাণ্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার!”জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই অমর বাণীকে সামনে রেখে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তাঁর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় কুমিল্লা কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার সভাপতি মো. আব্দুল মালেক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য কাকন দাশ।অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় সম্মিলিত সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। পরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য অধ্যক্ষ নিখিল চন্দ্র রায়। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবির জীবন, কর্ম ও অসাম্প্রদায়িক দর্শনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও নজরুল গবেষক পীযুষ কুমার ভট্টাচার্য্য, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, কুমিল্লা শাখার সহ-সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, কবি ও প্রাবন্ধিক আহমেদ কবির প্রমুখ।বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও সম্প্রীতির কবি। তাঁর সাহিত্য ও সংগীত আজও বাঙালির প্রেরণার উৎস। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় নজরুলের দর্শন বর্তমান সময়েও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তাঁরা নতুন প্রজন্মের মাঝে নজরুলচর্চা আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় কবির কবিতা আবৃত্তি করেন রুবেল কুদ্দুস। তাঁর আবৃত্তি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে এবং অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।আলোচনা সভার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে দলীয় সঙ্গীত, একক সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় কবির সৃষ্টিকর্ম ও চেতনাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়। শিল্পীদের পরিবেশনায় কবি নজরুলের বিদ্রোহী, প্রেম, সাম্য ও মানবতার বাণী নতুনভাবে ধ্বনিত হয়।অনুষ্ঠানে কুমিল্লার সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষাবিদ, কবি, শিল্পী এবং বিপুলসংখ্যক সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা, আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্যের সমন্বয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাঁর মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এক তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা Read More »

পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপেও অনড় স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজ দলের ভেতর থেকেই পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়েছেন। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর লেবার পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। খবর বিবিসির। দলটির একাধিক এমপি স্টারমারকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা ছাড়াই ক্ষমতা বার্নহ্যামের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে দলীয় বিভক্তি ও দীর্ঘ নেতৃত্ব সংকট এড়ানো সম্ভব হবে। তবে স্টারমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কোনো চ্যালেঞ্জ থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তিনি বলেন, যদি নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হয়, আমি অংশ নেব। আমি দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছি না। বার্নহ্যামের ঘনিষ্ঠরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন সপ্তাহান্তে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, এমপি ও পরিবারের মতামত বিবেচনায় নেন। খবর অনুযায়ী, শুক্রবার স্টারমার মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে ফোনে কথা বলে নিজের প্রতি সমর্থনের মাত্রা যাচাই করেন। এ সময় পরিবহনমন্ত্রী হাইডি আলেকজান্ডার তাকে পদত্যাগের একটি সময়সূচি নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও তার দপ্তর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস প্রধানমন্ত্রীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। গত মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড-সহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীও স্টারমারের পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বার্নহ্যাম ও স্ট্রিটিং, উভয় পক্ষই গণমাধ্যমে কোনো সাক্ষাৎকার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠক স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি দুই বছর আগে সাধারণ নির্বাচনে পাওয়া জনসমর্থনের ভিত্তিতেই দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জন্য তার এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে।

পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপেও অনড় স্টারমার Read More »

বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারত

টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর সত্যি হলো না। গোয়ায় আজ ফাইনালে ভারতের কাছে ৩–১ গোলে হেরে গেছেন মারিয়া–ঋতুপর্ণারা। অন্যদিকে বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল ভারত। বাংলাদেশ গত দুই সাফে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবার শুরু থেকেই ম্রিয়মাণ। গ্রুপ পর্যায়ে ভারতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। ফাইনালেও তিন গোল হজম করেছে। বিপরীতে ঋতুপর্ণা এক গোল পরিশোধ করেছেন। বৃটিশ কোচ পিটার বাটলারের দলে অন্যতম সমস্যা গোলকিপিং ও ডিফেন্স। ফাইনালে সেটিই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। তিনটি গোলের মধ্যে দু’টির পেছনে গোলরক্ষক মিলি আক্তারের ভুল রয়েছে আরেকটি ডিফেন্ডার আফিদা খন্দকারের। ভারতের ফরোয়ার্ডদের চেয়ে বাংলাদেশের ব্যর্থতাই বেশি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ঋতুপর্ণার দারুণ ফিনিশিংয়ে বাংলাদেশ সমতা এনেছিল। নেপাল ম্যাচেও ঋতুপর্ণার অলিম্পিক গোলে বাংলাদেশ প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। ভারত ম্যাচে অবশ্য এমনটা হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভারত লিড নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে বক্সের মধ্যে লাফিয়ে হেড করেন ভারতের সানফিদা। বাংলাদেশরে ডিফেন্ডাররাকে তাকে ব্লক করতে পারেননি। গোলরক্ষক মিলি আক্তার ঝাপিয়ে পড়লেও বল সাইড পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। দ্বিতীয় দফায় পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ সমতা আনার চেষ্টা করে। ঋতুপর্ণার উপর নির্ভর করলেও তিনি এই অর্ধে তেমন কোনো আক্রমণ করতে পারেননি। বাংলাদেশ এই অর্ধে ভালো ফুটবল খেলতে পারেনি। উল্টো ৮২ মিনিটে ডিফেন্ডার আফিদা খন্দকার বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভারতের ফরোয়ার্ডের পায়ে লেগে আরেক ফরোয়ার্ড কম বল পান। তার নেয়া শট জালে জড়ালে ভারতের শিরোপা অনেকটাই নিশ্চিত হয়। এর আগে প্রথমার্ধে ৪২ মিনিটে গোল পায় ভারত। পিয়ারী সাহার কৃতিত্বের চেয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তারের ভুলে ভারত এগিয়ে যায়। একটি সাধারণ আক্রমণে তিনি পোস্ট থেকে সামনে বেরিয়ে যান। পিয়ারী বক্সের বাইরে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মিলির মাথার উপর দিয়ে বল উঠিয়ে দেন। মিলি পেছন ফেরে তাড়া করলেও গোল বাঁচাতে পারেননি। মিনিট পাচেক পর ইনজুরি সময়ে ঋতুপর্ণা দারুণ কোনাকুনি শটে গোল করে খেলায় সমতা আনেন

বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ভারত Read More »

ব্রাজিলের আশা ভিনিসিয়াস

ব্রাজিলের আশা-ভরসার পুরোটাই নির্ভর করছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ওপর। আর সেই ভরসার প্রতিদান তিনি দিয়ে চলেছেন। মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও আবারও সেই একই পারফরম্যান্স। এই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় গোল পেয়েছেন আজ। বাঁ প্রান্ত দিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন। ভিতরে ঢুকেছেন। দলের আক্রমণ একাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন। নিচে নেমে লেফট ব্যাকে ডিফেন্সের দায়িত্বও সামলেছেন। হাইতির বিপক্ষে তিন গোলের জয়ে তিনটা গোলেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের নাম। দুটো অ্যাসিস্ট করেছেন। তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বলেই ম্যাথিউস কুনহার পক্ষে গোল করা সহজ হয়েছে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল জয়ে ফিরল দ্বিতীয় ম্যাচে। ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন ভিনিসিয়াস। হাইতি গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রথম দফায় বল ঠেকালেও ফিরতি বলে নিখুঁত শটে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কুনহা। এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্রাজিলের আক্রমণভাগের চিরচেনা ছন্দ ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ভিনিসিয়াসের বাড়ানো দুর্দান্ত এক ডিফেন্সচেরা থ্রু পাস ধরে বাঁ পায়ের কোণাকুণি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনহা। দুই গোলের পরই কুনিয়ার ‘হ্যাং টেন’ সার্ফিং উদযাপনে গ্যালারিতে তখন সাম্বার ঢেউ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে হাইতির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকে দেন খোদ ভিনিসিয়াস। বাঁ প্রান্ত দিয়ে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে ‘ক্লিনিক্যাল’ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন ব্রাজিলের এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে সেলেসাওরা। প্রথমার্ধের দাপটের পর বিরতির পর ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডদের এই ঝিমিয়ে পড়া রূপ কিছুটা খটকা জাগালেও, এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান ঠিকই দিয়ে রাখল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ব্রাজিলের আশা ভিনিসিয়াস Read More »

সাবমেরিন দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে ভারত

ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি পাকিস্তান এবং চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ঠেকাতে নিজেদের সাবমেরিন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইকে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির নৌবাহিনী-প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে. ত্রিপাঠী। পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের নৌবাহিনী-প্রধান বলেন, “ভারত মহাসাগর এলাকায় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বৃহত্তর বহিঃআঞ্চলিক উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে এবং এ ব্যাপারে আমরা পুরেপুরি সজাগ ও সচেতন। ওই অঞ্চলে বাইরের শক্তির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি আমাদের ‘সহযোগিতার যুগ’ থেকে ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে’ নিয়ে যাচ্ছে।” উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্দো-প্রশান্ত সমুদ্র অঞ্চলে চীন এবং পাকিস্তানের সহযোগিতা ও যৌথ তৎপরতা বাড়ছে। সম্প্রতি চীনের তৈরি চারটি ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে। গত মাসে চীন এবং পাকিস্তান— উভয় দেশের সেনাবাহিনী এক যৌথ বিবৃতিতে দিয়েছে এ ঘোষণা। এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন, ‘একটি পেশাদার সামুদ্রিক বাহিনী হিসেবে ভারতীয় নৌবাহিনী তার আশপাশের সমস্ত আঞ্চলিক ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। আমাদের কর্মপন্থা কঠোরভাবে সক্ষমতাভিত্তিক এবং হুমকি-সচেতন।’ ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে সরকারিভাবে প্রজেক্ট ৭৫ ইন্ডিয়া (পি ৭৫-আই) নামে নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে পিটিআইকে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন, ‘এই প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনীতে শিগগিরই অত্যাধুনিক স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন ৬টি সাবমেরিন এবং ২ শতাধিক যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে এসব সাবমেরিন এবং যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবে নৌবাহিনীর প্রকৌশলী টিম। আমরা আত্মনির্ভরতা নীতির ভিত্তিতে ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগকে শক্তিশালী করতে আমরা ‘আত্মনির্ভরতা’ নীতির ওপর জোর দিচ্ছি।’

সাবমেরিন দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে ভারত Read More »

যুদ্ধে নতুন কৌশলী ইরান

ইরানি জনগণের অধিকার সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত না হলে কোনো চুক্তি অনুমোদন পাবে না। ইরান ইতোমধ্যে তার শত্রুদের একটি বড় ও ঐতিহাসিক সংঘাতে পিছু হটতে বাধ্য করছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য ও জনগণের দৃঢ় অবস্থানই সাম্প্রতিক সাফল্যের মূল কারণ। খবর, তাসনিম নিউজ এজেন্সি’র।রবিবার (৩১ মে) ভার্চুয়াল সংসদ অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। গালিবাফ বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌযুদ্ধের ময়দান থেকে শুরু করে দেশজুড়ে জনসমাবেশ, সব ক্ষেত্রেই ইরানের নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার ইতিবাচক ফলাফল প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শত্রুরা সামরিক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন অর্থনৈতিক চাপ ও গণমাধ্যম প্রচারণার মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করে ইরানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।সামরিক শক্তি, জনসমর্থন, কূটনীতি এবং জনগণের সেবা, এই চারটি ক্ষেত্রকে এই সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে জানিয়েছেন গালিবাফ। পাশাপাশি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যকে কূটনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক ও আইনি অর্জনে রূপান্তর করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিপক্ষের বক্তব্য বা প্রতিশ্রুতির ওপর ইরান আস্থা রাখে না। বাস্তব ও স্পষ্ট অর্জনই তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড।

যুদ্ধে নতুন কৌশলী ইরান Read More »

নরসিংদীতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট,আসামী গ্রেপ্তার

নরসিংদী জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্টজেল, ও জরিমানা আদায় নরসিংদী জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,-এর সমন্বয়ে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান ১২ইং এপ্রিল রবিবার, অভিযানের অংশ হিসেবে নরসিংদী সদর উপজেলার নরসিংদী মডেল থানাধীন জিরো পয়েন্ট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদান করেন নরসিংদী সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,আসমা জাহান সরকার।সার্বিক সহযোগিতা করেন নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ।উক্ত অভিযানে,মোবাইল কোর্টে মামলার সংখ্যা: ০৪টিআসামির সংখ্যা: ০৪ জনগ্রেফতার: ০৪ জনআলামত জব্দ:গাঁজা: মোট ৪০০ (চারশত) গ্রাম (১০০+১০০+১০০+১০০ গ্রাম)কলকি: ০৪ (চার)টিআসামিদের পরিচয়: ১) মোঃ ইমরান (৩২)২) মোঃ মোশারফ (৪২)৩) মোঃ ইসমাইল (৩০)৪) মোঃ হামিদুর (২৯)অভিযানকালে আসামিদেরকে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টে তাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনে বিচার কার্য সম্পন্ন করা হয়।বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,আসমা জাহান সরকার প্রত্যেক আসামিকে ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ (দুইশত) টাকা করে মোট ৮০০ (আটশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের নরসিংদী জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।প্রসিকিউশন ও সহযোগিতা: অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাহিদা বেগম এবং উপপরিদর্শক মোঃ ছানাউল্লাহ মিয়া। এছাড়াও জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এ ধরনের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযান মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নরসিংদীতে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট,আসামী গ্রেপ্তার Read More »

নিউইয়র্কে বর্ষবরণের আয়োজন

নিউইয়র্কে বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান রবিবার,১২ এপ্রিল ২০২৬ হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃবাংলা নতুন বছর ১৪৩৩ কে প্রাণের আমেজ আর হৃদয়ের উষ্ণতায় বরণের প্রাক্কালে ১৪৩২কে বিদায় জানানোর বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘আনন্দধ্বনি’। নিউইয়র্কস্থ ‘কুইন্স সোস্যাল এডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার’র সার্বিক সহযোগিতায় ‘আনন্দধ্বনি’র ‘বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হবে রবিবার,১২ এপ্রিল বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কুইন্স বরো পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে (২২২-০৫ ৫৬ এভিনিউ, বেসাইড, এনওয়াই১১৩৬৪)। এতে বাঙালি ইতিহাস-ঐতিহ্য আলোকে মতামত-মন্তব্য-বক্তব্য উপস্থাপনের পাশাপাশি নৃত্য-গীতে অংশ নেবেন ডা. সেজান মাহমুদ, অনুপ বড়ুয়া, নকুল কুমার বিশ্বাসসহ প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা।খবর আইবিএননিউজ । এ উপলক্ষে প্রকৌশলী মাহফুজুল হককে চেয়ারম্যান এবং ডা. মুুনমুনকে কো-চেয়ারপারসন, মিথুন আহমেদকে প্রধান সৃজনশীল সুহৃদ, আরপিদত্ত স্বপনকে মুখ্য সমন্বয়কারি এবং অর্ঘ্য সারথী সিকদারকে সদস্য-সচিব ও মেহের কবিরকে যুগ্ম সদস্য-সচিব করে ‘বর্ষবরণ উদযাপন পর্যদ’ গঠিত হয়েছে।

নিউইয়র্কে বর্ষবরণের আয়োজন Read More »

ফোবানায় বঙ্গবন্ধুর স্মরণ

নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে ৪০তম ফোবানা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজঃনিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ।“চেতনায় ৭১, হৃদয়ে বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের গর্বের ফেডারেশন অব বাংলাদেশি এসোসিয়েশন্স ইন নর্থ আমেরিকা- ফোবানার ৪০তম কনভেনশন এবার অনুষ্ঠিত হবে নিউইর্য়কে। এ উপলক্ষে গত বুধবার,১ এপ্রিল ২০২৬,সন্ধ্যায় জ‍্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টের হলরুমে মিট দ‍্যা প্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আপন মহিমায় সমুজ্জ্বল শক্তিমান আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিস্বজন শারমিন সোনিয়া সিরাজের সাবলিল উপস্থাপনায় ৪০তম ফোবানার সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।এতে মঞ্চে আসন গ্রহল করেন ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটি এবং ৪০তম কনভেনশনের আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ মাঝে উপস্থিত ছিলেন ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী,এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারিদেওয়ান মনিরুজ্জামান এবং হোষ্ট কমিটির কনভেনর নুরুল আমিন বাবু ও সদস‍্য সচিব মঞ্জুর কাদের ,ফোবানা ৪০তম ফোবানা কমিটির যুগ্ম এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি সুব্রত তালুকদার,উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম‍্যান সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, উপদেষ্টা ও আপন মহিমায় সমুজ্জ্বল শক্তিমান অভিনেত্রী,আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিস্বজন লুৎফুন নাহার লতা,প্রধান সমন্বযরারী আব্দুল হামিদ,হোস্ট কমিটির কো-কনভেনর, সুব্রত তালুকদার. কো কনভেনার পিনাকী তালুকদার,সেমিনার কমিটির চেয়ারম্যান ও কবি ফকির ইলিয়াস,আপ্যায়ন কমিটির চেয়ারম্যান আলী খবির চান,মিডিয়া কমিটির প্রধান আসলাম খান ও শিবলু সাদেক শিবলী প্রমুখ।আগামি ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, লেবার ডে উইকেন্ডে নিউইয়র্কের এস্টোরিয়ার ইভাঞ্জেল ক্রিস্টিয়ান সেন্টারে এবারের কনভেশন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। কনভেনশনের আয়োজক সংগঠন এনআরবি এসোসিয়েশনের আয়োজনে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন কনভেনশনের হোস্ট কমিটির কনভেনর নুরুল আমিন বাবু। লিখিত বক্তব্য রাখেন হোস্ট কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি মনজুর কাদের। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি দেওয়ান মনিরুজ্জামান, এডভাইজার অভিনেত্রী লুৎফুন নাহার লতা।স্বাগত বক্তব্যে নুরুল আমিন বাবু বলেন- বাঙালীর সবচে বড় অর্জন হচ্ছে স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ। সেই মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে সবাইকে একত্রিত করে আমরা যদি কিছু করতে পারি তাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম বুঝবে, গর্ব করবে। আমরা সবাই মিলে এবারের ফোবানাকে সফল করতে চাই। আমি হিন্দু না মুসলিম সেটা জানতে চাইনা, আমি জাতে বাঙালী। আমার প্রচেষ্টা হবে যেনো আমার পরবর্তী প্রজন্ম যেনো আমাকে ভুলে না যায়।লিখিত বক্তব্যে মনজুর কাদের বলেন- এবারের কনভেশন আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলা সংস্কৃতির বিকাশ, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে আমাদের শিকড়ের সংযোগ স্থাপন, বাংলাদেশের মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরা এবং প্রবাসীদের মধ্য পারস্পরিক সহযোগিত বৃদ্ধি করা। ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটি এবং হোস্ট কমিটির কো-কনভেনর, কো-অর্ডিনেটর, এডভাইজর, সাব-কমিটির কনভেনর, কো-কনভেনরসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুব্রত তালুকদার. ফোবানা হোস্ট কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল হামিদ,সেমিনার কমিটির চেয়ারম্যান ও কবি ফকির ইলিয়াস,আপ্যায়ন কমিটির চেয়ারম্যান আলী খবির চান,হোস্ট কমিটির কো কনভেনার পিনাকী তালুকদার,শিবলু ছাদেক শিবলী। মিডিয়া কো কমিটির প্রধান আসলাম খান প্রমুখ। অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে না পেরে মুঠোফোনে শুভেচ্ছা জানান কনভেনশনের চীফ পেট্রন শফিক আলম। প্রশ্নোত্তর পর্বে ফোবানার সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান ও সংগঠক জাকারিয়া চৌধুরী বলেন,ফোবানার বিভক্তি মূলত আদর্শভিত্তিক বিভক্তি। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করি, বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, ৭২’র সংবিধান এবং অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ এই চার মূলনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের সাথে একাত্মতা পোষণ করে চেয়ারম‍্যান জাকারিয়া চৌধুরী বলেন- আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির পোস্টারে ব্যাবহার করা উচিৎ নয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক। তিনি বলেন, ফোবানা একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। এটি একইসাথে একটি মানবিক সংগঠনও। ফোবানা উত্তর আমেরিকা এবং বাংলাদেশে প্রবাসী এবং দেশের মানুষের পাশে থাকতে চায়। ইতোমধ্যে মেধাবীদের মাঝে বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করছে ফোবানা।কানাডার মন্ট্রিয়াল থেকে আগত দেওয়ান মনিরুজ্জামান বলেন- আমদের লক্ষ্য হচ্ছে ৪০তম ফোবানাকে সফল করা। সবচে বড় লক্ষ্য হচ্ছে- রাজনীতি নয়, ইতিহাসকে সংরক্ষণ করা। আমরা ইতিহাসকে আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে বলিষ্টভাবে রোপন করতে চাই। আমাদের ইতিহাস রয়েছে আমরা সবাইকে সেটা জানাতে চাই। আমাদের ইতিহাসে বারবার ছোবল মারা হয়েছে, তাই আমরা সঠিক ইতিহাস জানাতে চাই। লুৎফুন নাহার লতা বলেন,বাংলার মাটি যেই সন্তানকে জন্ম দিয়েছে সেই সন্তান পৃথিবীর যেই প্রান্তেই যাবে তিনি একজন এম্বাসেডার, বাংলার এম্বাসেডার। বাংলাদেশ এবং বাঙালীর হাজার বছরের সভ্যতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাংস্কৃতি রয়েছে প্রতিটি বিষয়কে জাজ্বল্যমান রাখতে হবে সূর্য্যের মতো। বক্তারা বলেন- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি,প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠাসহ নানান উদ্যাগে বাংলাদেশর পক্ষে কাজ করেছে ফোবানা। ৪০তম কনভেশনে তিন দিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বক্তারা উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসীদের আহবান জানান। শেষে সবাইকে নৈশ ভোজে আপ‍্যায়ন করা হয় ।

ফোবানায় বঙ্গবন্ধুর স্মরণ Read More »

কুমিল্লায় বর্ষবরণ প্রস্তুতি সম্পন্ন

কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে বাঙলা বর্ষবরণ উৎসব ১ ও ২ বৈশাখ তাপস চন্দ্র সরকার।। “আঁধার ছিঁড়ে আলোর ধারা-নবালোকে প্রাণের সাড়া”- এ শ্লোগান সামনে রেখে বাঙলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে মু ক্তি যু দ্ধে র চে ত না য় দী প্ত আ মা দে র সং স্কৃ তি কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে আসছে ১ ও ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ মঙ্গল ও বুধবার কুমিল্লা নগর উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে বর্ষবরণ উৎসব । এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সার্বিক যোগাযোগ ও সমন্বয় এডভোকেট শহীদুল হক স্বপন।ওই দু’দিনের কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বর্ষবরণ শোভাযাত্রা/আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, লোকজ ক্রীড়া, রক্তের গ্রুপ সনাক্তকরণ, প্রদর্শনী স্টল, নববর্ষের মিষ্টান্ন আপ্যায়ন, পুরস্কার বিতরণ ও স্মারক প্রকাশনা।কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট অসাম্প্রদায়িক বৈশাখী উৎসবের বর্ণাঢ্য আয়োজনের প্রতিটি পর্বে জাতি বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করেছেন জোটের সভাপতি অধ্যক্ষ শামীম হায়দার ও সাধারণ সম্পাদক কমল চন্দ খোকন এবং বাঙলা নববর্ষ উদযাপন পর্ষদ ১৪৩৩ এর আহবায়ক বেলায়েত হোসেন কনক ও সদস্য সচিব আশিক শিশির।

কুমিল্লায় বর্ষবরণ প্রস্তুতি সম্পন্ন Read More »

শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ফসল বিপাকে কৃষক

রাজশাহী বিভাগে শিলা বৃষ্টির তাণ্ডব: পাবনাসহ বিভিন্ন জেলায় কৃষকের ফসল ও আম বাগানে ব্যাপক ক্ষতিস্টাফ রিপোর্টার: জাকারিয়া। পাবনারাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক শিলা বৃষ্টিতে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শিলা বৃষ্টির কারণে ধানসহ মৌসুমি ফসল এবং আম বাগানে বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে হওয়া শিলা বৃষ্টিতে পাকা ও আধাপাকা ধান জমিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে কৃষকদের চলতি মৌসুমের উৎপাদন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অনেক কৃষক জানান, কয়েক মিনিটের শিলা বৃষ্টিতেই তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম নষ্ট হয়ে গেছে।পাবনার বিভিন্ন উপজেলায় আম বাগানগুলোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছে থাকা ছোট ও মাঝারি আকারের আম ঝরে পড়ে গেছে এবং অনেক গাছের ডালপালা ভেঙে গেছে। এতে চলতি মৌসুমে আম উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বাগান মালিকরা।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তারা আর্থিকভাবে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদান করা হোক।এদিকে স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, শিলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।হঠাৎ আবহাওয়ার এমন বৈরী আচরণে কৃষকদের মাঝে উদ্বেগ বিরাজ করছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মৌসুমি পরিবর্তনের কারণে সাময়িকভাবে এ ধরনের ঝড় ও শিলা বৃষ্টির প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ফসল বিপাকে কৃষক Read More »

জাতির পিতার ১০৬ তম জন্মদিন আজ

আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাঙালি জাতির স্বাধীনতাসংগ্রাম ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে অবদান রেখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে সুসংগঠিত করেন, যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সংঘটিত হয় মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম।বিশেষ করে, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণকে বাঙালি জাতির মুক্তির ডাক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই ভাষণে তিনি স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জানান, যা পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তাঁর অবদান এ দেশের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। দিবসটি উপলক্ষে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় ও সাংগঠনিকভাবে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠন পৃথক পৃথক বাণী দিতেন। তবে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জেরে সেটি আর পালন হয় না।তবে দেশেত সাধারণ মানুষ, আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে এই দিবসকে পালন করে বলে জানা যায়।

জাতির পিতার ১০৬ তম জন্মদিন আজ Read More »

লোকনাথ ব্রহ্মচারী পাদুকা উৎসব ২৫ ফেব্রুয়ারী

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।। পরমপুরুষ ত্রিকালদর্শী পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার বাৎসরিক পাদুকা উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।আসছে ১২ ফাল্গুন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) কুমিল্লা মহানগরীর লাকসাম রোডস্থ মহেশাঙ্গণে শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘ ও শ্রী শ্রী লোকনাথ যুব সেবা সংঘের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব।এ উপলক্ষে দিনব্যাপী উৎসবের কর্মসূচীর মধ্যে থাকছে প্রাতঃকালীন পূজা, তুলসী ও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, বাল্যভোগ, রামায়ণ গান, দুপুরবেলা উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যারতি কীর্তন।আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান- অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। তাদের মতে, এ আয়োজন শুধু ধর্মীয় আচার নয়; এটি ভক্তদের মিলনমেলা এবং আধ্যাত্মিক সাধনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে। পরমপুরুষ ত্রিকালদর্শী পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার বাৎসরিক পাদুকা উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।আসছে ১২ ফাল্গুন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) কুমিল্লা মহানগরীর লাকসাম রোডস্থ মহেশাঙ্গণে শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘ ও শ্রী শ্রী লোকনাথ যুব সেবা সংঘের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব।এ উপলক্ষে দিনব্যাপী উৎসবের কর্মসূচীর মধ্যে থাকছে প্রাতঃকালীন পূজা, তুলসী ও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, বাল্যভোগ, রামায়ণ গান, দুপুরবেলা উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যারতি কীর্তন।আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান- অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। তাদের মতে, এ আয়োজন শুধু ধর্মীয় আচার নয়; এটি ভক্তদের মিলনমেলা এবং আধ্যাত্মিক সাধনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।

লোকনাথ ব্রহ্মচারী পাদুকা উৎসব ২৫ ফেব্রুয়ারী Read More »

‎গোবিন্দগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলছাত্রীর লাশ

‎গোবিন্দগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলছাত্রীর লাশ‎‎মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে নুরমা খাতুন (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।‎‎শনিবার বিকেলে উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের সমসপাড়া চৌধুরীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।‎‎নিহত নুরমা ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি স্থানীয় তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়-এর দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।‎‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে নুরমা নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। বিকেলে প্রতিবেশী হযরত আলীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ‎নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তরা তার মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে গেছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।‎‎‎এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

‎গোবিন্দগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলছাত্রীর লাশ Read More »

সাঘাটায় বিপি দিবসে কাব ও স্কাউটদের বর্ণাঢ্য আয়োজন

সাঘাটায় বিপি দিবসে কাব ও স্কাউটদের বর্ণাঢ্য আয়োজন মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা Robert Stephenson Smyth Baden-Powell-এর ১৬৯তম জন্মবার্ষিকী (বিপি দিবস) উপলক্ষে সাঘাটা উপজেলায় কাব ও স্কাউটদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিবসটি ঘিরে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে স্কাউটদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশ স্কাউটস সাঘাটা উপজেলার উদ্যোগে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে উপজেলা মিলনায়তনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও স্কাউট পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির শুভ সূচনা হয়। এরপর কাব, স্কাউট, রোভার ও লিডারবৃন্দের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালীটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। র‍্যালীতে অংশগ্রহণকারীরা স্কাউট আন্দোলনের মূলমন্ত্র, আদর্শ, শৃঙ্খলা, নেতৃত্বগুণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের বার্তা জনসাধারণের মাঝে তুলে ধরেন। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন, স্কার্ফ ও ইউনিফর্মে সজ্জিত কাব ও স্কাউটদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। র‍্যালী শেষে অনুষ্ঠিত হয় কুইজ প্রতিযোগিতা। এতে স্কাউট আন্দোলনের ইতিহাস, বিপি’র জীবনাদর্শ, বিশ্ব স্কাউটিং কার্যক্রম এবং দেশীয় স্কাউট কার্যক্রম বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা অত্যন্ত উৎসাহ ও আগ্রহের সঙ্গে অংশ নেয়। সঠিক উত্তরদাতাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আরও প্রেরণা জোগায়। পরবর্তীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, স্কাউট আন্দোলন শুধু একটি সহশিক্ষা কার্যক্রম নয়, এটি একটি জীবনব্যাপী শিক্ষা। এই আন্দোলন তরুণ সমাজকে দায়িত্বশীল, মানবিক, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তারা আরও বলেন, বিপি’র প্রবর্তিত শিক্ষা পদ্ধতি—“Learning by Doing” বা কাজের মাধ্যমে শিক্ষা—বর্তমান প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ও সময়োপযোগী। বক্তারা কাব ও স্কাউটদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাজ ও দেশের কল্যাণে নিজেদের দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বগুণ কাজে লাগাতে হবে। বিপি’র আদর্শ “সেবার জন্য শিখি” শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং এটি মানবসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। দিনব্যাপী র‍্যালী, কুইজ, আলোচনা সভা ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বিপি দিবসটি আনন্দঘন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়। কাব ও স্কাউটদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে সাফল্যমণ্ডিত।

সাঘাটায় বিপি দিবসে কাব ও স্কাউটদের বর্ণাঢ্য আয়োজন Read More »

লোকনাথ ব্রহ্মচারী ৩৩তম ফাল্গুনী উৎসব শুরু

কুমিল্লায় লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ৩৩তম ফাল্গুনী উৎসব আজ থেকে শুরু তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।।কুমিল্লায় শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ৩৩তম ফাল্গুনী উৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে ১৬ প্রহর ব্যাপী অখণ্ড শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন মহোৎসব।কুমিল্লা নগরীর তেলীকোনা সাহাপাড়া শ্রীশ্রী দূর্গা মন্দির ও শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার মন্দির কমিটির আয়োজনে এ মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।এ উপলক্ষে আজ ২২ ফেব্রুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় শ্রীমদভগবদগীতা পাঠ শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ২৩ ফেব্রুয়ারী সোমবার সকালবেলা শ্রীশ্রী চণ্ডী পাঠ ও সন্ধ্যায় শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যথাক্রমে সন্ধ্যারতি কীর্তন, গঙ্গা আবাহন, মঙ্গলঘট স্থাপন ও অধিবাস কীর্তন এবং ২৫ ফেব্রুয়ারী বুধবার অরুণোদয় হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহাযজ্ঞ আরম্ভ, নগর পরিক্রমা, প্রাতঃকালীন পূজা, তুলসী প্রদান, বাল্যভোগ, পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, বাল্যভোগের প্রসাদ বিতরণ এবং দুপুরবেলা ভোগরাগ অন্তে রাজভোগের প্রসাদ বিতরণ শেষে সন্ধ্যায় সন্ধ্যারতি কীর্তন এবং ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার প্রাতঃকালীন পূজা, তুলসী প্রদান, বাল্যভোগ, পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, বাল্যভোগের প্রসাদ বিতরণ এবং দুপুরবেলা ভোগরাগ অন্তে উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহাপ্রসাদ প্রসাদ বিতরণ শেষে সন্ধ্যায় সন্ধ্যারতি কীর্তন ও সত্য নারায়ণ পূজা এবং ২৭ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার অরুণোদয়ে ঘট বিসর্জন, দধি মঙ্গল ও কৃষ্ণ মধুরমিলনের মাঝে নামযজ্ঞ বিশ্রাম। উল্লেখ যে, কীর্তন চলাকালীন সময়ে প্রত্যহ রাত ১০টায় প্রসাদের সু-ব্যবস্থা রয়েছে।এতে নামসূধা পরিবেশন করবেন- সাতক্ষীরা হতে আগত শ্রী শ্রী শিব সংঘ সম্প্রদায়, কক্সবাজার শ্রীশ্রী প্রভু নিতাই চাঁদ সম্প্রদায়, নরসিংদী শ্রীশ্রী গোপালঠাকুর সম্প্রদায়, কচুয়া শ্রীশ্রী গীতা সংঘ সম্প্রদায়, গোপালগঞ্জ শ্রী শ্রী অঞ্জনা অষ্টসখী সম্প্রদায় ও লক্ষ্মীপুর শ্রীশ্রী কৃষ্ণা কিশোরী সম্প্রদায়।ওই অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে সনাতনী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।

লোকনাথ ব্রহ্মচারী ৩৩তম ফাল্গুনী উৎসব শুরু Read More »

কুমিল্লায় আইনজীবী সমিতির ইফতার সম্পন্ন

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে বিশেষ সাধারণ সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।২২ ফেব্রুয়ারী রবিবার বিকেলবেলা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।ওই অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান ও এডভোকেট গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিকের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর রুল এন্ড পাবলিকেশন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ কাইমুল হক রিংকু এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ঢাকা সবুজবাগ মান্ডা জুম’আ মসজিদের খতীব ও কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. আবরার আহমদ।সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন- জেলা আইনজীবী সমিতির রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট মোহাম্মদ জহীরুল ইসলাম।এরআগে বিকেল সাড়ে ৩টায় একই মঞ্চে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান ও সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিকের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।ওই সভায় বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর রুল এন্ড পাবলিকেশন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ কাইমুল হক রিংকু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী নাজমুস সা’দাত, সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোঃ শরীফুল ইসলাম এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কামরুল হায়াত খান, এডভোকেট ইউসুফ আলী, এডভোকেট মোঃ মাহবুবুর রহমান, এডভোকেট গোলাম মোস্তফা (২) ও কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্পেশাল পিপি এডভোকেট মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার প্রমুখ।এসময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ আদালতের স্পেশাল পিপি এডভোকেট মোঃ খায়রুল এনাম খান (তফিক), জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ সেলিম হোসেন ও এডভোকেট মফিজুল ইসলাম, এডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান খান ও এডভোকেট এম এ মতিন মোল্লাসহ জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ আইনজীবীগণ।

কুমিল্লায় আইনজীবী সমিতির ইফতার সম্পন্ন Read More »

বাগেরহাটে প্রস্তুত কেন্দ্র হবে ভোট যুদ্ধ

মোল্লাহাটে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে সরঞ্জাম: আরিফুল ইসলাম রিয়াজ, মোল্লাহাট, বাগেরহাট: বহু অপেক্ষার অবসান কাটিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬। বাগেরহাট-১ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ, সুন্দর শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে মোল্লাহাট উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা প্রহরায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে ব্যালট বাক্স সহ ভোটের সরঞ্জাম। ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মন্ডল (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ খান . মশিউর রহমান খান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী স. ম. গোলাম সরোয়ার (নাঙ্গল), আমার বাংলাদেশ পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আমিনুল ইসলাম (ঈগল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মনোনীত প্রার্থী এম. ডি. শামসুল হক (হারিকেন), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল এর মনোনীত প্রার্থী আ. সবুর শেখ (পাঞ্জা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম (ঘোড়া) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো: মাছুদ রানা (ফুটবল)। এই আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬০ জন। এরমধ্যে মোল্লাহাট উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১লাখ ১৮ হাজার ১৫৩ জন। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬১ হাজার ২জন। নারী ভোটার ৫৭ হাজার ১৫১ জন এবং মোট ভোট কেন্দ্র-৪৬টিমোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রমজানুল হক বলেন, মোল্লাহাট উপজেলা সর্বত্রই শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। নির্বাচনে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটাররা যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এজন্য আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্রিং অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, বুধবার সকাল ১১টা থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। ভোটের মাঠে ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম হিসেবে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার ব্যাটেলিয়ান মাঠে থাকবে।

বাগেরহাটে প্রস্তুত কেন্দ্র হবে ভোট যুদ্ধ Read More »