Dhaka Edge

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ

image_pdfimage_print

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।।
কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুরস্থ শ্রীশ্রী রাজ-রাজেশ্বরী কালী মায়ের মন্দিরের ১১তম পুনঃপ্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহানামযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে এ আয়োজন চলছে।
এ উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম দিন শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গীতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে গঙ্গা আবাহন ও মঙ্গলঘট প্রতিষ্ঠা এবং শ্রীশ্রী রাজ-রাজেশ্বরী কালী মায়ের পূজা-অর্চনা শেষে রাত ১০টায় শুরু হয় শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন। সংকীর্তন শেষে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা।
আয়োজকদের কর্মসূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় দিন রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় বাল্যভোগ, মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ এবং রাতে মায়ের পূজা ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন রয়েছে।
তৃতীয় দিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাল্যভোগ, দুপুরে মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ এবং সন্ধ্যায় মায়ের পূজা ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।
উৎসবের শেষ দিন মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাল্যভোগ এবং দুপুরে মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় উৎসবে আগত ভক্ত-শ্রোতাদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। রাত ১০টায় হরিনাম সংকীর্তনের পূর্ণাহুতির মধ্য দিয়ে ২৪ প্রহরব্যাপী এ মহানামযজ্ঞের সমাপ্তি হবে।
মহানামযজ্ঞে নামসুধা পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার সোনার গৌর সম্প্রদায়, ভোলার বৈষ্ণব নারায়ণ দে সম্প্রদায়, কক্সবাজারের শ্রীশ্রী প্রভু নিতাই চাঁদ সম্প্রদায়, চান্দিনার বাউল সম্প্রদায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহন লাল সম্প্রদায় এবং কুমিল্লার প্রভু প্রাণ গোপাল সম্প্রদায়।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো আয়োজন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মহানামযজ্ঞের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উপস্থিতি, অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *