Dhaka Edge

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

image_pdfimage_print

ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ

ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ। – আল্লামা ইমাম হায়াত বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রবর্তক ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেছেন ইন্ডিয়া উপমহাদেশের মুসলিমদের জীবনের সকল সংকট দুর্দশা উচ্ছেদ হত্যাযজ্ঞ এবং মানবতার বিপর্যয়ের মূলহোতা ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদি সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির জনক শয়তান জিন্নাহ ও মুসলিম লীগ নামের কুফরি লীগ শয়তান লীগ। আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, মহান খাজাবাবা রঃ এর প্রতিষ্ঠিত সব ধর্মের সব মানুষের ইন্ডিয়াকে বিভক্ত করে খুনি রামরাষ্ট্র ও ইসলামের নামে ধোকার রাষ্ট্র তালেবানি খুনি জালিম পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা অভিশপ্ত কাফের জিন্নাহ। ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ। মুসলিম লীগ বা জিন্নাহদের রাজনীতি ইসলামের নির্দেশিত মানবতার রাজনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত ধর্মের নামে ধোকার রাজনীতি। 1947 এ মুসলিম লীগ নামধারী জারজ মোনাফেক মীরজাফর ওয়াবিলীগের উগ্রবাদি সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির ষড়যন্ত্র সব মানুষের ইন্ডিয়াকে হিংস্র পাশবিক রামরাষ্ট্রে পরিণত করার বিষফল আজ অসহায় নিপীড়িত মুসলিমগণ ভোগ করছেন । আল্লাহতাআলার নুর রাহমাতাল্লিল আলামীন প্রাণাধিক প্রিয়নবীর দেয়া সব ধর্মের সব মত পথের সব মানুষের সমান নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার ভিত্তিক বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীনমানবতার রাষ্ট্র না হলে কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিমগণ সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির খুন জুলুম উৎখাত রাষ্ট্রীয়সন্ত্রাস ধ্বংসযজ্ঞ স্বৈরদস্যুতার শিকার হতে থাকবেন। #আল্লামা ইমাম হায়াতচেয়ারম্যানঃ ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ

ধর্ম ও মানবতার শত্রু অমানুষ শয়তান জিন্নাহ Read More »

অবহেলিত গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান হতে চান ফারুক হাসান

অবহেলিত গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান হতে চান ফারুক হাসান আল আমিন হাওলাদার নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম বেশ জোরেশোরেই আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ তাকে আগামী নির্বাচনে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। স্থানীয়দের দাবি, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই নানা দিক থেকে অবহেলিত। তাদের অভিযোগ, বিগত প্রায় ১৭ বছরে ইউনিয়নে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে নানা সমস্যা। এর সঙ্গে প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলের পানিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়ে। এতে বর্ষা মৌসুমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি ঢল নেমে আসার সময় বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট, বসতভিটা ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোথাও কোথাও ভাঙনের কারণে যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি থাকলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না আসায় ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হতাশা রয়েছে বলে জানান তারা। এমন বাস্তবতায় আগামী নির্বাচনে পরিবর্তন ও কার্যকর নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের একটি অংশ। তাদের মতে, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ, টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা, পাহাড়ি ঢল ও ভাঙন মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ মনে করেন, জনগণের সঙ্গে যার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তৃণমূলের মানুষের সমস্যা যিনি কাছ থেকে বোঝেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়—এমন নেতৃত্বই ইউনিয়নের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম সামনে এসেছে। মোঃ ফারুক হাসান বর্তমানে ভোটে নির্বাচিত ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য। এর আগে তিনি ৭ নং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তার সমর্থকরা। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি কাজ করে আসছেন বলেও দাবি তাদের। সমর্থকদের মতে, ফারুক হাসানের তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাকে চেয়ারম্যান পদে একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও আগ্রহও তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে প্রতিবছর সৃষ্ট ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতি রোধ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে তারা অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। মোঃ ফারুক হাসান বলেন, গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশাকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভাঙন, যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা এবং শিক্ষা ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতি দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। মানুষের সমর্থন ও আস্থা পেলে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নকে আরও উন্নত, জনবান্ধব ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, দলীয়ভাবে কারা সমর্থন বা মনোনয়ন পাবেন এবং ভোটারদের চূড়ান্ত রায় কার পক্ষে যাবে—তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ঘাটতি, পাহাড়ি ঢলের ভাঙন ও নানা নাগরিক সমস্যায় থাকা গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে এবার পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়দের বড় একটি অংশ। আর সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই চেয়ারম্যান পদে মোঃ ফারুক হাসানের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের এই আগ্রহ ভোটের মাঠে কতটা প্রভাব ফেলে এবং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মানুষ কাকে তাদের চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেন—সেদিকেই এখন নজর স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের।

অবহেলিত গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান হতে চান ফারুক হাসান Read More »

পূর্বধলায় রওশন মুন্নির নামে নানা অভিযোগে

পূর্বধলায় রওশন মুন্নির নামে নানা অভিযোগে পূর্বধলা (নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ ​নেত্রকোনার পূর্বধলা সদর উপজেলার রাজপাড়া এলাকায় রওশন মুন্নি নামে এক নারীর বিরুদ্ধে নিজ বাসভবনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। ​তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।​বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় নারী কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ​প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জায়গা দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।​রওশন মুন্নিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই বিষয়ে রৌওশন মুন্নীর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে বলেন, আমার কোন কিছু বলার নেই তবে আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

পূর্বধলায় রওশন মুন্নির নামে নানা অভিযোগে Read More »

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।।কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুরস্থ শ্রীশ্রী রাজ-রাজেশ্বরী কালী মায়ের মন্দিরের ১১তম পুনঃপ্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহানামযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে এ আয়োজন চলছে।এ উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম দিন শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গীতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে গঙ্গা আবাহন ও মঙ্গলঘট প্রতিষ্ঠা এবং শ্রীশ্রী রাজ-রাজেশ্বরী কালী মায়ের পূজা-অর্চনা শেষে রাত ১০টায় শুরু হয় শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন। সংকীর্তন শেষে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা।আয়োজকদের কর্মসূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় দিন রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় বাল্যভোগ, মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ এবং রাতে মায়ের পূজা ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন রয়েছে।তৃতীয় দিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাল্যভোগ, দুপুরে মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ এবং সন্ধ্যায় মায়ের পূজা ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।উৎসবের শেষ দিন মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাল্যভোগ এবং দুপুরে মায়ের পূজা-অর্চনা ও ভোগ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় উৎসবে আগত ভক্ত-শ্রোতাদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। রাত ১০টায় হরিনাম সংকীর্তনের পূর্ণাহুতির মধ্য দিয়ে ২৪ প্রহরব্যাপী এ মহানামযজ্ঞের সমাপ্তি হবে।মহানামযজ্ঞে নামসুধা পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার সোনার গৌর সম্প্রদায়, ভোলার বৈষ্ণব নারায়ণ দে সম্প্রদায়, কক্সবাজারের শ্রীশ্রী প্রভু নিতাই চাঁদ সম্প্রদায়, চান্দিনার বাউল সম্প্রদায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহন লাল সম্প্রদায় এবং কুমিল্লার প্রভু প্রাণ গোপাল সম্প্রদায়।আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো আয়োজন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মহানামযজ্ঞের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উপস্থিতি, অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

কুমিল্লায় রাজ-রাজেশ্বরী কালী বাড়িতে ২৪ প্রহরব্যাপী হরিনাম মহানামযজ্ঞ আরম্ভ Read More »

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ মোঃ রফিকুল ইসলাম,ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ হলরুমে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল, বাংলাদেশ-এর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার পরিচিতি, প্রশিক্ষণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, আইনগত সচেতনতা, পেশাগত নৈতিকতা, মানবাধিকার, তথ্যের গোপনীয়তা এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল, বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক। তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের আইনগত সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি। তিনি আরও বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য, অভিযোগ বা বক্তব্য প্রকাশ করলে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম উভয়ই আইনি জটিলতার মুখে পড়তে পারে। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় নথি ও প্রমাণ সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে কারও ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য প্রকাশ না করার পরামর্শ দেন। খায়রুল আলম রফিক বলেন, সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনস্বার্থ জড়িত। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় হামলা, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তথ্য কর্মকর্তার উদ্দেশে তিনি বলেন, “তথ্য কর্মকর্তা সাংবাদিকের বন্ধু।” সাংবাদিক ও সরকারি তথ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। পুলিশ বাহিনী সম্পর্কেও যাচাই ছাড়া কোনো মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়। কোনো অভিযোগ বা ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ এবং ঘটনার বাস্তবতা যাচাইয়ের পরামর্শ দেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য বিভাগের কর্মকর্তা সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, সহনশীলতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ভুল, ভুয়া বা মনগড়া তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মাদক থেকে দূরে থাকা এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম), মোঃআব্দুল্লাহ-আল-মামুন, মোহাম্মদ আলী আবির ও সিয়াম রশিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।এছাড়া কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সম্পাদক ও সংবাদকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা, আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ Read More »

নরসিংদীর শিবপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন

নরসিংদীর শিবপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধনআবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।।নরসিংদীর শিবপুরে মাস ব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলা ৯ইং সেপ্টেম্বর শুক্রবার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।মাহবুবুর রহমান মনিরের সভাপতিত্বে,উক্ত অনুষ্ঠানেপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,নরসিংদী- ৩ শিবপুর আসনের এমপি মনজুর এলাহী।অনুষ্ঠানেউদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাষ্টার,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হারিছ রিকাবদার কালা মিয়া,সাধারণ সম্পাদক,আবু ছালেক রিকাবদার প্রমুখ।এছাড়া মেলায় বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নরসিংদীর শিবপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন Read More »

মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ

মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ নিজস্ব প্রতিবেদক।। জীবনের সবচেয়ে গভীর শূন্যতার নাম মাতৃবিয়োগ। পৃথিবীর কোনো প্রাপ্তি, কোনো সাফল্য কিংবা জীবনের দীর্ঘ পথচলাও মায়ের শূন্যতা পূরণ করতে পারে না। মায়ের স্নেহের পরশ, আঁচলের ছায়া আর মমতার স্মৃতি মানুষের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকে। সেই অমোঘ সত্যেরই এক বেদনাবিধুর প্রতিচ্ছবি কুমিল্লার পরিচিত আইনজীবী ও সামাজিক অঙ্গনের মুখ এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনকাহিনি। শৈশবেই গর্ভধারিণী মাতা স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারকে হারান এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। যে বয়সে একটি শিশু মায়ের আঁচল ধরে পৃথিবীকে চিনতে শেখে, মায়ের কণ্ঠে নিরাপত্তা খুঁজে পায়, মায়ের হাত ধরে জীবনের প্রথম পদক্ষেপ নিতে শেখে—সেই কোমল সময়েই মাতৃস্নেহের ছায়া থেকে বঞ্চিত হতে হয় তাঁকে। মায়ের আদর-স্নেহের স্মৃতি তাঁর শৈশবকে পূর্ণ করে তুলতে না পারলেও জীবনের সেই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর দিদিমা ও একমাত্র মামা। তাঁদের অকৃত্রিম স্নেহ, মমতা, আদর ও ভালোবাসায় ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠেন তিনি। মাতৃহারা শিশুটির জীবনে তাঁরা মায়ের অভাব পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও ভালোবাসা ও আশ্রয়ের যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা আজও গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। জীবনের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আজ তিনি সমাজে প্রতিষ্ঠিত। আইন অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন, মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত থেকেছেন। কিন্তু জীবনের এই অর্জন ও ব্যস্ততার মাঝেও হৃদয়ের এক কোণে মায়ের জন্য রয়ে গেছে এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের স্রোত বয়ে যায়, মানুষ বড় হয়, জীবনের ব্যস্ততা বাড়ে, কত সম্পর্ক আসে-যায়; কিন্তু মায়ের স্মৃতি কখনো পুরোনো হয় না। বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শৈশবের সেই হারিয়ে যাওয়া মায়ের মুখ, স্নেহের স্পর্শ এবং মমতার স্মৃতি যেন আরও গভীরভাবে হৃদয়ে ফিরে আসে। এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাতৃদেবী স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার শান্তি, সৎগতি ও পরম কল্যাণ কামনায় শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইংরেজি, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মধ্যাহ্নে কুমিল্লা নগরীর রাণীর বাজার রোডস্থ শ্রীশ্রী রাসস্থলী (রামঠাকুর) আশ্রমে এক বিশেষ পূজার্চনা, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়। আয়োজনটি ছিল একদিকে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, অন্যদিকে মায়ের প্রতি সন্তানের চিরন্তন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার এক আবেগঘন বহিঃপ্রকাশ। পূজার্চনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত হয়ে প্রার্থনায় অংশ নেন এবং স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের আত্মার শান্তি কামনা করেন। পরে মধ্যাহ্নে অতিথি ও উপস্থিত সবার মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায়, সহ-সভাপতি হারাধন শীল, জেলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, সাবেক জিপি এডভোকেট তপন বিহারী নাগ, মহেশাঙ্গণ লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক, রাণীর বাজার রোডস্থ শ্রীশ্রী রাসস্থলী (রামঠাকুর) আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক ড. দুলাল নন্দী, সুপ্রভাত ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের সদস্য অধ্যাপক নিখিল চন্দ্র রায়, অধ্যাপক অনুকূল চন্দ্র দাশ, সুমন চন্দ্র দেবনাথ, ভূষণ সূত্রধর, ডা. নারায়ণ চন্দ্র পালসহ তাঁর পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্রার্থনাকালে উপস্থিত সবাই স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। মায়ের স্মৃতিকে ঘিরে আয়োজিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যেও ছিল আবেগ ও শ্রদ্ধার আবহ। একজন সন্তানের জীবনে মায়ের স্থান যে কতটা গভীর, তা যেন অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্তে অনুভূত হয়েছে। মাতৃহারা শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার তাঁর দিদিমা ও একমাত্র মামার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের ভালোবাসা ও স্নেহের ঋণ তিনি আজীবন বহন করবেন বলেও অনুভূতি প্রকাশ করেন। কারণ, মাকে হারানোর পর একটি শিশুর বেড়ে ওঠার পথে তাঁরা যে আশ্রয় ও মমতা দিয়েছেন, তা তাঁর জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত এই পূজার্চনা তাই শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন ছিল না; এটি ছিল এক সন্তানের হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও চিরন্তন শ্রদ্ধার প্রকাশ। জীবন মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। সময় মানুষকে অনেক কষ্টের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখায়। কিন্তু মায়ের শূন্যতার সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নেওয়া যেন কখনোই সম্ভব নয়। মায়ের মৃত্যুর বহু বছর পরও তাঁর স্মৃতি সন্তানের হৃদয়ে ঠিক ততটাই জীবন্ত থাকে। কখনো কোনো পুরোনো স্মৃতি, কোনো পরিচিত গন্ধ, কোনো স্নেহময় মুহূর্ত কিংবা জীবনের কোনো বিশেষ দিনে সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষটির কথা আরও বেশি করে মনে পড়ে। এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনেও সেই স্মৃতি আজও অমলিন। শৈশবে হারানো মায়ের জন্য তাঁর হৃদয়ে যে ভালোবাসা জমে আছে, সময়ের ব্যবধান তা মুছে দিতে পারেনি। বরং জীবনের প্রতিটি অর্জন, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মায়ের অনুপস্থিতি তাঁকে নতুন করে অনুভব করিয়ে দেয়—জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদগুলোর একটি হলো মায়ের স্নেহময় উপস্থিতি। স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকার আজ শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি, তাঁর সন্তানকে ঘিরে থাকা মমতার অদৃশ্য বন্ধন এবং তাঁর প্রতি সন্তানের ভালোবাসা আজও অটুট। সেই ভালোবাসাকে হৃদয়ে ধারণ করেই এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার তাঁর মাতৃদেবীর আত্মার শান্তি ও সৎগতি কামনায় এই পূজার্চনা ও প্রসাদের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাই স্বর্গীয়া যোগমায়া সরকারের বিদেহী আত্মার পরম শান্তি ও সৎগতি কামনা করেন। একই সঙ্গে এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার ও তাঁর পরিবারের সকলের মঙ্গল ও শান্তি কামনা করা হয়। মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট দিন নেই, কোনো নির্দিষ্ট সময়ও নেই। মা পৃথিবীতে থাকুন কিংবা না থাকুন সন্তানের হৃদয়ে তিনি বেঁচে থাকেন অনন্তকাল। আর সেই অমর স্মৃতির কাছেই বারবার ফিরে আসে সন্তান, নীরবে প্রার্থনা করে— “মা, তুমি যেখানেই থাকো, শান্তিতে থেকো।”

মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ Read More »

সরিষাবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ ও হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সরিষাবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ ও হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মাসুদ রানা  জামালপুর ​জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিজেদের পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ, প্রাণনাশের হুমকি, বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী জেলে পরিবার। বুধবার দুপুরে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর খুশির ভিটা এলাকায় ঘন্টাব্যাপি মৎসজীবি পরিবারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও  সাদ্দাম হোসেনের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিলো। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে লোকজন নিয়ে জেলে পরিবার শফিকুলের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে এবং পরবর্তীতে আগুন ধরিয়ে দেয়ায় অভিযোগ উঠে। ফলে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শফিকুল। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা জামিনে এসে শফিকুল ইসলাম এর পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ, এলাকা ছাড়ার ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর  পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধনে অংশ নেন। ​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শফিকুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, রওশনারা বেগম, শেফালী আক্তারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। বক্তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সরিষাবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদ ও হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন Read More »