Dhaka Edge

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাইতে গেলে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কিশোরী আমেনা বেগমকে গনধর্ষণের পর হত্যা

image_pdfimage_print

আবুনাঈমরিপন:স্টাফ রিপোর্টার :

নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে প্রায় ১৫ দিন পর কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে জোর পূর্বক তুুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহিষাশুড়া ইউনিয়ন এর বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান,তার ছেলে ইমরান দেওয়ান,ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব,এবায়দুল্লাহ এবং মোঃ গাফ্ফার মিয়া। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং রাতে নিহত কিশোরী আমেনা বেগম (১৫) এর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের পর হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাতেই নরসিংদীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেন। উল্লেখ্য,গত ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ৫/ ৬ জন বখাটে ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে আর্থিক রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন এবং ধর্ষিতার বাবা ও তার পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ধর্ষণের ঘটনা ১০/২/২৬ ইং ঘটনার পর বখাটে চক্রটি ভিকটিম কিশোরীকে তার অসহায় বাবার কাছ থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে। মহিষাশুরা ইউনিয়ন এর কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেত্রে ধর্ষিতা কিশোরী আমিনা বেগম(১৫)কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রভাবশালী এই অপরাধী চক্রটি টাকার বিনিময়ে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, নিজেদের রক্ষা করতে তদবির বানিজ্য করছে। যাতে কোনভাবে অপরাধীরা রক্ষা না পায়,সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী। উক্ত ঘটনা সরজমিনে তদন্ত করতে আসেন,ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও নরসিংদীর পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ নরসিংদীর মাধবদীতে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এবং সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *