Dhaka Edge

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬

image_pdfimage_print

পোরশায় ১৩৭ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

জলাশ পাহান পোরশা প্রতিনিধি পোরশা উপজেলার শীতলী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি প্রাচীন কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শীতলী গ্রামের মিতপুর এলাকায় রাশেদুল ইসলামের পারিবারিক কবরস্থানে একটি প্রাচীন কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি লুকিয়ে রাখা হয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এসময় সেখান থেকে প্রায় ১৩৭ কেজি ওজনের একটি বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত মূর্তিটি প্রাচীন যুগের মূল্যবান প্রত্নসম্পদ। অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে এটি গোপনে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আন্তর্জাতিক বাজারে এর মূল্য কোটি টাকা হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।বর্তমানে মূর্তিটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে আদালতের নির্দেশক্রমে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাঝেমধ্যে প্রাচীন নিদর্শন উদ্ধারের খবর শোনা যায়। উদ্ধার হওয়া কষ্টিপাথরের এই বিষ্ণু মূর্তিটি যথাযথ সংরক্ষণ ও গবেষণার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোরশায় ১৩৭ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার Read More »

টুঙ্গিপাড়ার দুই নেতাহাবিব মুন্সী ও মুকুল মুন্সীকে গ্রেফতার

হাকিকুল ইসলাম খোকন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় দায়ের করা এক মিথ‍্যা মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।খবর আইবিএননিউজ ।গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার পাটগাতী বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান।গ্রেপ্তার কৃত ব্যক্তিরা হলেন পাটগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিব মুন্সী (৫৫) এবং উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মুকুল মুন্সী (৫০)।পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের পর টুঙ্গিপাড়ায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে নাশকতার চেষ্টা করা হয়। এতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই নেতাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।মিথ‍্যা মামলায় আটককৃত দুই নেতাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশ ও প্রবাসের আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, সাংবাদিক,কবি, সাহিত্যিক, কলামিস্টসহ সর্ব পর্যায়ের কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ।

টুঙ্গিপাড়ার দুই নেতাহাবিব মুন্সী ও মুকুল মুন্সীকে গ্রেফতার Read More »

কায়া বদল

রফিকুল ইসলাম ভুলু অদৃশ্যের শক্তির ক্ষমতা বলে জীবন্ত একটি বিন্দু কণা থেকে সৃষ্ট। চলমান একটি জীবনের কায়া বদল হয়ে, পুনরায় জীবন দানে যেমনি, উড়ন্ত প্রজাপতি কিংবা ফড়িং অথবা জোনাকি পোকার পূর্ণজনম হয়।তেমনি হয়তোবা মানব দেহ থেকে দৃষ্টি এড়িয়ে আত্মা কোনো গন্তব্যে অদৃশ্য হয়ে যায়। এবং পুনরায় হয়তো আবার অন্য মাধ্যমে জীবন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যায়। যদি তা বহাল থাকে? যেহেতু পূর্ণউত্থানের উল্লেখ রয়েছে।এক্ষেত্রে এক জীবনের ধারাবাহিকতার স্মৃতি কিংবা কার্যক্রমের পুরোধা হয়তোবা আরেক জীবনে স্মরণে এসে বিচরণ করা হয়তো সম্ভব হবে না বলে ধারণা করা হয়। যেমনটি স্বপ্নের মাঝে ভাসমান অবস্থায় হয়ে থাকে।আসলেও কি মৃত্যুর পরে জীবন শেষে পুনরায় সকল কিছু স্মরণে আসবে? এক জীবনের চলার পথের স্মৃতিচারণের উপলব্ধি কিংবা অনুভূতির কার্যক্রমের পদচারণার আত্ম তৃপ্তি কিংবা মনোকামনার জাগ্রত চিন্তা চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে? মনেতো হয়না? হয়তোবা এ কখনো সম্ভবও নয়।শারীরিক পরিবর্তন অথবা কায়া বদল। কোনো জীবের হয়তো দৃশ্যমান, আবার কোনোটা হয়তো স্থানান্তর কিংবা পরিবর্তনশীল অদৃশ্যে বিরাজমান। অথবা স্মরণ বিহীন নতুন ধারায় অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতা বলে চলমান প্রক্রিয়া।কারো সাধ্য কি আছে এ রহস্যভেদ জানার কিংবা এ সত্য আবিষ্কারের? অথবা উপলব্ধি কিংবা অনুধাবন করার?অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতা বলে সৃষ্ট একটি ছোট্ট তরল কণা থেকে মানব জীবনের উৎপত্তি হয়। যা- তাপ, পানি, বাতাস ও মাটি এবং বিভিন্ন পদার্থের সংমিশ্রণে খাদ্য রসের রক্তে মাংসে মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নানাবিধ প্রণালীর সমন্বয়ে দেহের গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।সে এক অজানা এবং অদেখা ও অদৃশ্য শক্তির আত্মা নামের জীবনীশক্তি দেহের ভেতরে অবস্থানরত জীবন প্রবাহ। তা- ধরা কিংবা ছোঁয়ার বাইরে চলমান।দেহের উৎপত্তি এবং নিষ্পত্তি রয়েছে। কিন্তু আত্মার উৎপত্তি অদৃশ্য এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে জীবন প্রবাহের চলমান ধারায় বহমান এবং সময়ের ব্যবধানে দেহ ত্যাগের বিনিময়ে কোথায় তাঁর অবতরণ অথবা গন্তব্য স্থল। সে অজানা রয়ে যায়।সেকি আদৌও জানা সম্ভব বলে মনে হয়? নিশ্চয়ই না। সে-যে খুবই দূরহ ব্যাপার এবং অসাধ্য বলে প্রতীয়মান হয়। তা- শুধু স্বপ্ন সাধনা এবং কল্পনার জগতের রহস্যেঘেরা‌ চিন্তা চেতনার বহিঃপ্রকাশ।বাস্তবতার নিরিখে তা-ধরা কিংবা জানা অথবা দেখা সম্ভব নয়। এটাই চিরন্তন সত্য। এখানেই বান্দা অপারগ। কিছুই করার নেই। শুধু আসা আর যাওয়ার মাঝে জীবন অতিবাহিত করা। এর বাহিরে কিছুই করার নেই।

কায়া বদল Read More »

নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

হাকিকুল ইসলাম খোকন. নিউইয়র্কে প্রবাসী সিলেটবাসীর ঐতিহ্যবাহী সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা এর উদ্যোগে এক আত্মিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার, নিউইয়র্কের উডসাইডের Gulshan Terrace-এ আয়োজিত এ মাহফিলে কমিউনিটির বিপুল সংখ্যক সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।খবর আইবিএননিউজ ।সংগঠনের সভাপতি মইনুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আতাউল গনি আসাদ-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পবিত্র রমজানের তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ইফতারের পূর্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালিত হয়। দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। একই সঙ্গে মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়, যেহেতু দিনটি ছিল ২১ ফেব্রুয়ারি—আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।সভাপতি মইনুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “জালালাবাদ এসোসিয়েশন সবসময় প্রবাসে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চাই আগামী প্রজন্ম আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত থাকুক।”সাধারণ সম্পাদক আতাউল গনি আসাদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এই আয়োজন শুধু ইফতার নয়, এটি আমাদের মিলনমেলা—যেখানে আমরা ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করি।”সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। উপস্থিত অতিথিরা আয়োজকদের এমন সুন্দর ও সময়োপযোগী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।প্রবাসে ঐক্য, ধর্মীয় চেতনা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল।এতে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড.একে আবদুল মোমেনসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।ইফতার শেষে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয় ।

নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Read More »

কুমিল্লা তেলিকোনা লোকনাথ বাবার মন্দিরে চলছে ১৬ প্রহর ব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। কুমিল্লায় শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ৩৩তম ফাল্গুনী উৎসব উপলক্ষে চলছে ১৬ প্রহর ব্যাপী অখণ্ড শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন। কুমিল্লা নগরীর তেলীকোনা সাহাপাড়া শ্রীশ্রী দূর্গা মন্দির ও শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার মন্দির কমিটির আয়োজনে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী বুধবার অরুণোদয় হতে চলছে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন; চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার অরুণোদয় পর্যন্ত।এ উপলক্ষে আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরবেলা ভোগরাগ অন্তে উৎসবে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে মহাপ্রসাদ খিচুড়ি বিতরণ করা হয় এবং সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় সন্ধ্যারতি ও সত্যনারায়ণ পূজা। এছাড়াও প্রাতঃকালীন পূজা, তুলসী প্রদান, বাল্যভোগ ও পুষ্পাঞ্জলি শেষে বাল্যভোগের প্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে।এতে নামসূধা পরিবেশন করছেন- সাতক্ষীরা হতে আগত শ্রী শ্রী শিব সংঘ সম্প্রদায়, কক্সবাজার শ্রীশ্রী প্রভু নিতাই চাঁদ সম্প্রদায়, নরসিংদী শ্রীশ্রী গোপালঠাকুর সম্প্রদায়, কচুয়া শ্রীশ্রী গীতা সংঘ সম্প্রদায়, গোপালগঞ্জ শ্রী শ্রী অঞ্জনা অষ্টসখী সম্প্রদায় ও লক্ষ্মীপুর শ্রীশ্রী কৃষ্ণা কিশোরী সম্প্রদায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি সাবেক ট্রাস্টি নির্মল পাল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ঐক্য ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখার আহবায়ক শ্রী শ্যামলকৃষ্ণ সাহা, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুবীর নন্দী বাবু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত দাশ টিটু, ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয়ের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ড. বিশ্বজিৎ দেব ও এডভোকেট স্বর্ণকমল নন্দী পলাশ, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এবং নগরীর ১৭নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, তেলিকোনা শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দির ও শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুমন কান্তি সাহা সহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

কুমিল্লা তেলিকোনা লোকনাথ বাবার মন্দিরে চলছে ১৬ প্রহর ব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন Read More »

রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আস্থা, সাহস ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক রিটন

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে আস্থা, সাহস ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে আলোচিত নাম মাহফুজুর রহমান রিটন। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে মহানগর ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি ধাপে ধাপে গড়ে তুলেছেন শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি ও প্রভাবশালী অবস্থান। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং মাঠকেন্দ্রিক সক্রিয়তার কারণে রাজশাহীর রাজনীতিতে তিনি এখন এক সুপরিচিত ও আলোচিত মুখ।রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদল থেকে তাঁর রাজনৈতিক পথচলার সূচনা। ছাত্রজীবনেই তিনি রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে কলেজ ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনকে সক্রিয় ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি দ্রুতই নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।এরপর ধারাবাহিক সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে সভাপতি নির্বাচিত হন। মহানগর পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে তৃণমূলভিত্তিক কমিটি গঠন, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে তিনি জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও সম্পৃক্ত হন, যা তাঁর নেতৃত্বের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করে।ছাত্ররাজনীতি থেকে যুবরাজনীতিতে উত্তরণের পর তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিটি পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠন, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জোরদারে তিনি ভূমিকা রাখেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশ, দমন-পীড়ন ও বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও মাঠে সক্রিয় থেকে দলীয় কার্যক্রম সচল রাখার কারণে তিনি নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে রাজশাহীর রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী মুখে পরিণত করেছে।এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)-এর প্রশাসক হিসেবে তাঁকে দেখার প্রত্যাশা। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি অংশ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সমর্থকদের দাবি, নগর রাজনীতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে প্রশাসনিক দায়িত্বে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।তাদের মতে, নগরীর অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের বাস্তব সমস্যা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন সমর্থকরা।যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্রদল থেকে যুবদল হয়ে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক—এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় সংগ্রাম, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের সমন্বয়ে মাহফুজুর রহমান রিটন এখন রাজশাহীর রাজনীতিতে একটি প্রত্যাশিত ও আলোচিত নাম। আগামীর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর ভূমিকা কতটা বিস্তৃত হবে, তা সময়ই বলে দেবে; তবে নগর রাজনীতিতে তাঁর উপস্থিতি যে ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে, তা স্পষ্ট।যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)-এর প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে জোর আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন,“আমি সবসময় রাজনীতি করেছি জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে। ব্যক্তিগত পদ-পদবী কখনো আমার লক্ষ্য ছিল না। তবে দল এবং জনগণ যদি মনে করে আমি কোনো দায়িত্ব পালনে উপযুক্ত, তাহলে সেই দায়িত্ব সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”তিনি আরও বলেন,“রাজশাহী আমার প্রাণের শহর। এই নগরীর উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি। প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে সবার আগে নাগরিক ভোগান্তি কমানো, পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গতি আনা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার দিকেই গুরুত্ব দেবো।”রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ পথচলার প্রসঙ্গ টেনে রিটন বলেন,“ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমি মাঠে থেকেছি। প্রতিকূল সময়েও নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। দমন-পীড়ন, মামলা-হামলা—সবকিছুর মধ্যেও সংগঠনকে সচল রাখার চেষ্টা করেছি। রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, দায়িত্বের বিষয়।”তিনি আরো বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা এখন কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। “রাজশাহীর মানুষ উন্নয়ন চায়, সেবা চায়, স্বচ্ছতা চায়। আমি বিশ্বাস করি—সমন্বিত পরিকল্পনা, সঠিক তদারকি এবং দল-মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।”সমর্থকদের পক্ষ থেকে তাঁকে রাসিকের প্রশাসক হিসেবে চাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন,“আমি কৃতজ্ঞ যে অনেকেই আমার ওপর আস্থা রাখছেন। তবে যে কোনো সিদ্ধান্ত দলের এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। আমি দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল।

রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আস্থা, সাহস ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক রিটন Read More »

রাজশাহী জেলা: বিপুল পরিমাণ আমের মুকুল আসছে, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়ছে

প্রতিনিধি: মোঃ শামীম আহমেদ প্রতিবছরের মতো এ বছরও রাজশাহী অঞ্চলের আমের গাছগুলোতে বিপুল পরিমাণ মুকুল আসছে, যা গ্রীষ্মকালীন আমের সফল উৎপাদনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশেষত অষ্টমনিষা, ভাঙ্গুড়া, দিলপাশার, খানমরিচ, পারভাঙ্গুড়া এবং মন্ডতোষ ইউনিয়নে আমের মুকুলের ব্যাপক উপস্থিতি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে।রাজশাহীর আম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও স্বীকৃত। বিশেষ করে হিমসাগর, ল্যাংড়া, আশ্বিনা, ফজলি, গোপালভোগ, আম্রপালি প্রভৃতি আমের জাতগুলো বিশ্বের নানা দেশে রপ্তানি হয়। এসব জাতের আমের গাছগুলোর মুকুল আসার ফলে কৃষকদের মধ্যে আশা-আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং সঠিক সময় নায্য যত্ন নেয়া হয়, তবে আমের ফলনও এবছর হবে আশাতীত।এক নজরে ইউনিয়নগুলো: ১. অষ্টমনিষা ইউনিয়ন।এই ইউনিয়নগুলোতে কৃষকরা নিজেরা বা স্থানীয় চাষী গোষ্ঠী দ্বারা আম চাষ করে থাকে। বিশেষত এই অঞ্চলে আম উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি কর্মকাণ্ড, যা স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।রাজশাহীর আমের বিশেষত্ব হলো এর মিষ্টতা এবং সুগন্ধ, যা বাজারে সহজেই সাড়া ফেলতে সক্ষম। এছাড়া, এই আমের গুণগত মান ও বাজারদরের কারণে বিদেশেও রাজশাহীর আমের জনপ্রিয়তা অনেক বাড়ছে। তাই স্থানীয় কৃষকদের মনে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা দিয়েছে।কৃষকদের মতামত:এ বিষয়ে এলাকার কৃষকরা বলছেন, “মুকুল আসার পর আমরা আশাবাদী যে, এবছর ভালো ফলন হবে। যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে এবং কৃষি বিভাগের সহায়তা মেলে, তবে এই অঞ্চলের আম উৎপাদন আরও ভালো হবে।”এছাড়া, স্থানীয় আম ব্যবসায়ী মেজর আহমেদ জানান, “এবছরের মুকুল দেখে মনে হচ্ছে, গত বছরের তুলনায় আমের ফলন অনেক বেশি হবে। আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে সঠিক সময়ে আম বাজারে আসতে পারে।”রাজশাহী অঞ্চলের এই আমের মুকুল আসার খবর কৃষকদের জন্য যেমন সুখবর, তেমনি এলাকার অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আমের এই মৌসুমে যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তবে সবার মধ্যে খুশির জোয়ার আসবে এবং বাংলাদেশের অন্যতম সেরা আম উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে রাজশাহী আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

রাজশাহী জেলা: বিপুল পরিমাণ আমের মুকুল আসছে, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়ছে Read More »