Dhaka Edge

আগস্ট ১, ২০২৬

image_pdfimage_print

কুমিল্লাকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে সুজনের মানববন্ধন

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা থেকে।। কুমিল্লা নগরীর জলাবদ্ধতা, মাদক বিস্তার, তীব্র যানজট এবং হকারদের পরিকল্পিত পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সুজন–সুশাসনের জন্য নাগরিক, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটি।শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা টাউন হলের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সুজনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা, মাদকের বিস্তার, তীব্র যানজট এবং ফুটপাত ও সড়ক দখল করে অপরিকল্পিতভাবে হকার বসার কারণে কুমিল্লাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এসব সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত, টেকসই ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।মানববন্ধন শেষে বক্তারা জানান, আগামীকাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। স্মারকলিপিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি, যানজট নিরসনে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু এবং হকারদের পরিকল্পিত পুনর্বাসনের মাধ্যমে নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হবে।সুজন কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সুজন মহানগর কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামিমা আক্তার জাহান, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আলী আহসান টিটু, মহানগর কমিটির সম্পাদক অধ্যাপক এনামুল হক, কুমিল্লা দোকান মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি সাদিক মামুন, সাংবাদিক শাহ আলম শফি, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা সুজনের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইসলাম ইবনে সাঈক, সাধারণ সম্পাদক মো. মুস্তাফিজুর রহমান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সভাপতি সৈয়দ আহমেদ লাভলু, বুড়িচং উপজেলা সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, লালমাই উপজেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ, দেবিদ্বার উপজেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী আব্দুল হান্নান, কবি আব্দুল কাইয়ুম, নারী উদ্যোক্তা কামরুন্নাহার দিপু, মহানগর কমিটির অর্থ সম্পাদক শামসুন্নাহার ঝুমুর, জেলা অর্থ সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মঞ্জুর হোসেন, সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজিব, বাংলাদেশ প্রতিদিনের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মোল্লাসহ আরও অনেকে।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুজন কুমিল্লা মহানগর কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজাদ সরকার লিটন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, নাগরিক সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অন্যথায় কুমিল্লার জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা জনস্বার্থে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

কুমিল্লাকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে সুজনের মানববন্ধন Read More »

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ও বিভিন্ন গ্রন্থে উত্থাপিত দাবি

ঢাকা: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যার ঘটনা দেশের ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক অধ্যায়। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ছিল কি না—এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গবেষক, সাংবাদিক ও লেখক নানা বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন।প্রয়াত সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের “মার্কিন দলিলে মুজিব হত্যাকাণ্ড” গ্রন্থে যুক্তরাষ্ট্রের অবমুক্ত কূটনৈতিক দলিল বিশ্লেষণ করে দাবি করা হয়েছে যে, বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা ১৯৬৯ সাল থেকেই বিভিন্ন মার্কিন বার্তায় উঠে আসে। গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ মুজিব নিজেও সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রের আশঙ্কার কথা মার্কিন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন।বইটিতে আরও দাবি করা হয়েছে যে, স্বাধীনতার পর কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর সরকার উৎখাতে বিদেশি সহায়তা চাওয়ার বিষয়েও বিভিন্ন কূটনৈতিক নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে এসব নথির ব্যাখ্যা ও তা থেকে কী সিদ্ধান্ত টানা যায়—এ নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।ভারতীয় ও মার্কিন কয়েকজন লেখকের বইয়েও CIA, পাকিস্তানের ISI এবং তৎকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছে। এসব লেখায় মার্কিন প্রশাসন, হেনরি কিসিঞ্জার, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং বাংলাদেশের কয়েকজন রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তিত্বের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের অনেকগুলোর স্বাধীন ও চূড়ান্ত প্রমাণ এখনো প্রতিষ্ঠিত নয় এবং ইতিহাসবিদদের মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্যও নেই।একইভাবে, চট্টগ্রামের হালিশহরের একজন অন্ধ হাফেজকে ISI-এর এজেন্ট হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে—এ দাবি এন্থনি মাসকারেনহাসের “Bangladesh: A Legacy of Blood” বইয়ের একটি বর্ণনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ সর্বসম্মতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই এ ধরনের তথ্যকে অভিযোগ বা লেখকের বর্ণনা হিসেবেই উপস্থাপন করা উচিত।বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার ও পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে বহু গবেষণা, দলিল এবং সাক্ষ্য প্রকাশিত হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আদালতের নথি, অবমুক্ত সরকারি দলিল এবং নির্ভরযোগ্য গবেষণা একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।উপসংহার: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গভীর ট্র্যাজেডি। এ ঘটনাকে ঘিরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের নানা দাবি ও বিশ্লেষণ থাকলেও, যেসব অভিযোগ এখনো স্বাধীনভাবে প্রমাণিত নয়, সেগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে নয় বরং সংশ্লিষ্ট লেখক বা গবেষকের দাবি হিসেবে উপস্থাপন করাই সাংবাদিকতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ও বিভিন্ন গ্রন্থে উত্থাপিত দাবি Read More »

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে সুজিত রায় নন্দী

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, বর্তমান বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা ও কথা বলার অধিকার আজ অবরুদ্ধ। তবে দেশের জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে কোনো অপশক্তি অতীতে টিকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও টিকতে পারবে না।খবর আইবিএননিউজ ।গত ২৮ জুলাই ২০২৬,মঙ্গলবার,বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, বুদ্ধিজীবী,কলামিস্ট ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সংগঠন “স্মরণে ৭১, হৃদয়ে বাংলাদেশ” অনলাইন গ্রুপ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশ ও প্রবাসের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এই অনলাইন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে সুজিত রায় নন্দী বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল সহযোদ্ধাকে একত্রিত হয়ে দেশের বিরুদ্ধে সক্রিয় জঙ্গি ও সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।বঙ্গবন্ধু সু কন্যা শেখ হাসিনাকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে ইস্পতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। অতীতে নিজেদের কিছু ভুলের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, সেই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি শান্তিময় বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী সরকার বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চায়। ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্ট এবং ৫ আগস্টের প্রেক্ষাপট একই সূত্রে গাঁথা। ইউনুস ও বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের সজাগ ও প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার পক্ষে আজ দেশের লক্ষ কোটি মানুষ অবস্থান করছেন।জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অনেকেরই এখন ভুল ভেঙেছে। ৫ আগস্টের পর শেখ হাসিনা আরও বেশি শক্তিশালী ও সাধারণ মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শান্তির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পুনরায় জেগে উঠেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হতাশার কোনো কারণ নেই, রাত যতই গভীর হবে আলো ততই নিকটে আসবে।”প্রধান বক্তার বক্তব্য:অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এম আবদুস সবুর বলেন, বিএনপির দুঃশাসন এখনো চলমান রয়েছে এবং বর্তমান শাসকরাও একই পথ বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশকে দেউলিয়া করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ১৯৮১ সাল এবং ওয়ান ইলেভেনের সময়ের মতো সমস্ত ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধু সুকন্যা শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরে মাথা উঁচু করে যথাসময়ে দেশে ফিরে আসবেন।“স্মরণে ৭১, হৃদয়ে বাংলাদেশ”-এর আহ্বায়ক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট মানিক লাল ঘোষের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক ওয়ারেছুন্নবী খন্দকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সচিব সিনিয়র সাংবাদিক ও কবি শফিক বাবু।এছাড়াও ভার্চুয়াল এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গ্রীস শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাওলাদার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জি এম তরিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল মতিন ভূঁইয়া, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন, সিনিয়র সাংবাদিক সোমা ইসলাম, সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজেদা পারভীন সাজু ও আহমেদ রাসেল (যুক্তরাষ্ট্র), নির্বাহী সদস্য সেলিনা আকতার জোছনা ও খন্দকার তারেক রায়হান (যুক্তরাজ্য), এবং সাংবাদিক এইচ এম দুলাল, সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন, সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম রাজ, সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম, সাংবাদিক জাহির উদ্দিন ও সাংবাদিক যুগল চন্দ্র শীল পলাশসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে সুজিত রায় নন্দী Read More »

ধর্মসাগর পাড়ে সুপ্রভাত মঞ্চের সুরেলা সকালসংগীত, সৌহার্দ্য ও সম্মিলিত নাস্তার আয়োজনে মুখরিত সংস্কৃতিপ্রেমীরা

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর পাড়। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) সকালেও এ স্থানটি প্রাণ ফিরে পায় সংগীতের সুরে। সুপ্রভাত মঞ্চের নিয়মিত আয়োজন সংগীত পরিবেশনাকে ঘিরে ভোর থেকেই জড়ো হন সংগঠনের সদস্য, সংস্কৃতিপ্রেমী ও শুভানুধ্যায়ীরা। নির্মল সকালের আবহ, ধর্মসাগরের শান্ত পরিবেশ এবং সুরের মূর্ছনায় পুরো এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।জানা গেছে, সুপ্রভাত মঞ্চের নিয়মিত এ আয়োজনের সার্বিক সমন্বয় করেন সংগঠনের মুখপাত্র। সমাজে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্য নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে প্রতি শুক্রবার সকালে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সংগীতপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিটি আয়োজনই হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।শুক্রবারের এ আয়োজনে পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোকজ এবং জনপ্রিয় বাংলা গানের সমাহার। শিল্পীদের পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে গান উপভোগ করেন। কেউ কেউ গানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। সংগীতের পাশাপাশি চলে শুভেচ্ছা বিনিময়, কুশলাদি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময়।অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর পাড়ে অবস্থিত হামসাফার রেস্টুরেন্টে একত্রে সকালের নাস্তায় মিলিত হন। আন্তরিক ও পারিবারিক পরিবেশে পরিবেশিত নাস্তার মেন্যুতে ছিল পরোটা, নানরুটি, মুগ ও ছনার ডাল ভাজি, সবজি, ডিম ভাজি এবং ধোঁয়া ওঠা গরম চা। একসঙ্গে বসে নাস্তা করার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।এ আয়োজনে সুপ্রভাত মঞ্চের কর্ণধার অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসীসহ সংগঠনের ১৩ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কুমিল্লা কাফেলা’র মো. জাহাঙ্গীর আলম হাজারীর নেতৃত্বে আরও চারজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষের অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তোলে।অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বর্তমান ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও আন্তরিকতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, মানবিকতা এবং সামাজিক বন্ধন জোরদারের একটি কার্যকর উদ্যোগ। সংগীত মানুষকে মানসিক প্রশান্তি দেয়, আর সম্মিলিত আয়োজন পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।তারা আরও বলেন, ধর্মসাগর পাড়ে প্রতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন ইতোমধ্যে সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের কাছে একটি পরিচিত মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে। নতুন সদস্যদের অংশগ্রহণও ক্রমেই বাড়ছে। ফলে সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুপ্রভাত মঞ্চের লক্ষ্য কেবল সংগীত পরিবেশন নয়; বরং সুস্থ সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।সংস্কৃতিবিদদের মতে, নগরজীবনের ব্যস্ততা ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের কারণে মানুষ ক্রমেই সামাজিক যোগাযোগ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে উন্মুক্ত পরিবেশে সংগীত, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষের মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য ও সামাজিক ঐক্যকে আরও সুসংহত করে।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ধর্মসাগর পাড়ে সুপ্রভাত মঞ্চের এ নিয়মিত আয়োজন ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে বিস্তৃত হবে এবং কুমিল্লার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। সংগীত, সৌহার্দ্য ও সম্মিলিত অংশগ্রহণের এ উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সংস্কৃতিচর্চার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ধর্মসাগর পাড়ে সুপ্রভাত মঞ্চের সুরেলা সকালসংগীত, সৌহার্দ্য ও সম্মিলিত নাস্তার আয়োজনে মুখরিত সংস্কৃতিপ্রেমীরা Read More »

অভূতপূর্ব সম্মাননায় ভাসলো চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা: জাতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস গড়া বীরদের নাগরিক সংবর্ধনা

তাপস চন্দ্র সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক | কুমিল্লা | বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক গৌরবের অধ্যায় রচনা করেছে কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর শিরোপা জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন দলকে সংবর্ধনা জানাতে আবেগ, ভালোবাসা ও গর্বে মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লা। জেলার ক্রীড়াঙ্গনের সেরা অর্জনকে উদযাপন করতে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এবং জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন পরিণত হয় কুমিল্লাবাসীর এক মিলনমেলায়। হলজুড়ে ছিল করতালি, উচ্ছ্বাস আর চ্যাম্পিয়নদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ। ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক এবং দাঁড়িয়ে অভিবাদনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় জাতীয় চ্যাম্পিয়নদের।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমির উর রশিদ ইয়াছিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিস রোজী আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর মোঃ কবির খান, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ন্যাশনাল কোচ এমদাদুল হক এমদু এবং কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য বদরুল হুদা জেনু। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, আদর্শ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম প্রমুখ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসূফ মোল্লা টিপু।প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আমির উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “এই শিরোপা শুধু একটি ট্রফি নয়, এটি কুমিল্লার মানুষের স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও সংগ্রামের প্রতীক। আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররা প্রমাণ করেছে সুযোগ পেলে তারাই দেশের জন্য বড় অর্জন বয়ে আনতে পারে। সরকার সবসময় খেলাধুলার উন্নয়নে আন্তরিক। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “আজকের এই চ্যাম্পিয়নরা আগামী দিনের জাতীয় দলের সম্পদ। তাদের সফলতা নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করবে এবং মাদক, অপরাধ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখবে।”সভাপতির বক্তব্যে ইউসূফ মোল্লা টিপু বলেন, “কুমিল্লার এই অর্জন আমাদের সবার অর্জন। এই বিজয় কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য নতুন যুগের সূচনা করেছে। খেলোয়াড়দের সম্মান দেওয়া মানে ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়ন তৈরির পথ আরও সুগম করা।” তিনি কুমিল্লায় আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, “এই দলটি প্রমাণ করেছে পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে জেলা পর্যায় থেকেও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন সম্ভব। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করতে বিসিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।”জেলা প্রশাসক মিস রোজী আক্তার বলেন, “আজ কুমিল্লার জন্য গর্বের দিন। এই বিজয় শুধু খেলোয়াড়দের নয়, জেলার প্রতিটি মানুষের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খেলাধুলার উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “যে জেলা ক্রীড়াকে ভালোবাসে, সেই জেলা সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যায়। এই অর্জন কুমিল্লাকে নতুনভাবে পরিচিত করেছে।”অতিরিক্ত পুলিশসুপার এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, “খেলাধুলা যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে রাখে। কুমিল্লার ক্রিকেটাররা মাঠে যে শৃঙ্খলা, সাহস ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন, তা অন্যদের জন্য অনুকরণীয়।”অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, “এই বিজয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”বিসিবি কাউন্সিলর মোঃ কবির খান বলেন, “কুমিল্লার ক্রিকেটের সম্ভাবনা অনেক। এখান থেকে আরও জাতীয় দলের ক্রিকেটার উঠে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।” তিনি আরও বলেন, “খেলাধুলার ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিভাজন নেই। কুমিল্লার এই বিজয় আমাদের সবার। আমরা সবসময় ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগের পাশে থাকব।”কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও বিসিবি ন্যাশনাল কোচ এমদাদুল হক এমদু বলেন, “এই শিরোপার পেছনে খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, কোচিং স্টাফের নিবেদন এবং পুরো দলের আত্মবিশ্বাস কাজ করেছে। এই অর্জন ধরে রাখতে হলে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে হবে।”কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য বদরুল হুদা জেনু বলেন, “আজকের এই সংবর্ধনা খেলোয়াড়দের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে সাহস যোগাবে।”অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কোচদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ সময় হলজুড়ে উপস্থিত দর্শকদের করতালি, “চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা” ধ্বনি এবং উচ্ছ্বাসে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী এই বিজয়কে জেলার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে অভিহিত করেন।খেলোয়াড়রা বলেন, এই সম্মাননা তাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও কুমিল্লার নাম দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও উজ্জ্বল করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।অনুষ্ঠানের শেষাংশে বক্তারা একসুরে বলেন, কুমিল্লার এই ঐতিহাসিক বিজয়কে ধরে রাখতে তৃণমূল পর্যায়ে ক্রিকেট উন্নয়ন, আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, উন্নত অবকাঠামো এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়মিত পরিচর্যার বিকল্প নেই।একটি শিরোপা যেমন একটি জেলার গর্বের প্রতীক, তেমনি এই নাগরিক সংবর্ধনা প্রমাণ করে—নিজেদের সন্তানদের সাফল্যকে সম্মান জানাতে কুমিল্লাবাসী সবসময় এক ও অভিন্ন। জাতীয় ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লার এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা।

অভূতপূর্ব সম্মাননায় ভাসলো চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা: জাতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস গড়া বীরদের নাগরিক সংবর্ধনা Read More »

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়ন এর প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান স্থানীয় জনগন

আবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি।। নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ৩নং পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) এবং নরসিংদী জেলা সচিব অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে কুচক্রী মহল কর্তৃক অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোঃ আলতাফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে আসছেন। প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব আচরণের কারণে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছেন।অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি তিনি কোনো অন্যায় বা অনিয়মকে প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এর জের ধরে তাঁর সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, আলতাফ হোসেন একজন সৎ ও আদর্শবান কর্মকর্তা। তিনি কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষে উপস্থাপন করা উচিত। তথ্য যাচাই না করে ভিত্তিহীন তথ্য ও গুজবের মাধ্যমে একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার সম্মানহানির চেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে ভিত্তিহীন গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে একজন নিষ্ঠাবান কর্মকর্তার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার দাবি জানান তাঁরা।

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়ন এর প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান স্থানীয় জনগন Read More »