Dhaka Edge

হাবিলাসদ্বীপ প্রতিবাদ সভায় পটিয়া থানার ওসি জিয়া-চুরি ডাকাতি মাদক কর্মকাণ্ডের জিরো টলারেন্স

image_pdfimage_print

মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম পটিয়া উপজেলার ইউনিয়নের হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের সকল ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে গ্রামে চুরি ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভা আজ শ্রী তিলেকেশ্বর বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে আজ হাবিলাসদ্বীপ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক।বিশেষ অতিথি ছিলেন কালারপোল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইনস্পেক্টর জনাব শাহীন মিয়া, এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক।অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, সাবেক ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার শ্রী দীপক কান্তি সরকার, গৌর গোবিন্দ আশ্রমের সাবেক সভাপতি শ্রী কাজল দত্ত, হাবিলাসদ্বীপ রাস মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী পীযূষ কান্তি দাশ, সমাজসেবক শ্রী তপন চৌধুরী, গৌর গোবিন্দ আশ্রমের সভাপতি শ্রী প্রদীপ কুমার চৌধুরী, গৌর গোবিন্দ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ত্রিদিব কুমার দত্ত শিমুল, বিবেকানন্দ মঠের সভাপতি শ্রী উত্তম কুমার মজুমদার সজল, সমাজকল্যাণ সংসদের সভাপতি প্রকৌশলী কণক কান্তি চৌধুরী, রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম এর সভাপতি শ্রী সমর নন্দী, জনকল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক শ্রী দোলন দত্ত, কাত্যায়ণী সংঘের সাধারণ সম্পাদক শ্রী পুলক দাশগুপ্ত রাসু, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ প্রমুখ। সমগ্র সভা সঞ্চালনা করেন রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম এর সাধারণ সম্পাদক শ্রী দেবাশীষ চৌধুরী।সভায় প্রধান অতিথি প্রতিবাদ সভার আয়োজক হাবিলাসদ্বীপ গ্রামের সকল সংগঠনের সদস্যের সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘অন্যায় ও অনাচারের বিরুদ্ধে আপনাদের এভাবে এগিয়ে আসা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, ‘চুরি ও মাদকের বিস্তারের বিরুদ্ধে আমাদের প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা আছে। এক্ষেত্রে অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় অবশ্যই আনা হবে এবং গ্রামবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থেই পুলিশ প্রশাসন সবসময় কাজ করবে।’ তিনি বলেন, ‘অপরাধী অপরাধ কর্মকাণ্ড করে কোনভাবেই পার পাবে না। পটিয়ার মাননীয় সংসদ সদস্যও এলক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন।বিশেষ অতিথি জনাব শাহীন মিয়া বলেন- অপরাধীদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না, আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করছি এবং আগামীতে গ্রামবাসী এর সুফল ভোগ করবেন।’বিশেষ অতিথি সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন-হাবিলাসদ্বীপবাসীর নিরাপত্তা ও শান্তির বিষয়টি আমার অগ্রাধিকারের তালিকায় আছে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অপরাধীদের চিহ্নিত করে প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করছি।’ তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্যও পটিয়ার জনস্বার্থে কাজ করছেন। সকলের ঐক্যবদ্ধ ও আন্তরিক প্রয়াস থাকলে এ অরাজক পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সহজ একটি কাজ।’ তিনি বলেন, ‘ বিভিন্ন সংগঠনে পদ- পদবী লাভের অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং ব্যক্তির হীনস্বার্থের সকল দিক পরিহারপূর্বক সচেতন নাগরিকের ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে গ্রামবাসীকে।’ তিনি বলেন, ‘ যেকোনো ধরণের অসুস্থ তৎপরতা আমরা নির্মূলের লক্ষ্যে রাজনৈতিকভাবে এবং নীতিগতভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’ তিনি বলেন, ‘ আমি সবসময়ই হাবিলাসদ্বীপের জনগণের পক্ষে আছি, যেকোনো খারাপ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাকে আপনারা সঙ্গে পাবেন। শুধু দরকার, আপনাদের ইতিবাচক ভূমিকা যা আমাদের কাজের গতিকে সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মঠ-মন্দির ও বাড়ি-ঘরে দুধুর্ষ চুরিসহ হাবিলাসদ্বীপে সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বেআইনি ও সমাজগর্হিত অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিষয় বক্তব্যে তুলে ধরেন এবং হাবিলাসদ্বীপবাসীর নিরাপত্তা দাবি করেন। একই সাথে জোরালো এবং দৃশ্যমান প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও সামাজিক ঐক্য বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *